তুমুল বিতর্ক সত্ত্বেও সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন পাস করায় মোদী সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ উত্তাল ভারত। পশ্চিমবঙ্গে চলছে চারদিন ধরে, রোববার (১৫ ডিসেম্বর) থেকে বিক্ষোভে যোগ দিয়েছে দিল্লি-উত্তর প্রদেশের শিক্ষার্থীরাও। এদিন রাতের অন্ধকারে বিক্ষোভরত ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে পুলিশ।

বিতর্কিত আইনের বিরুদ্ধে ভারতে দিনদিন বাড়ছে বিক্ষোভ, বাড়ছে সহিংসতাও। সড়কে বিক্ষোভের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও চলছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। ছড়িয়ে পড়েছে জামিয়া, জামিয়া প্রটেস্ট, সিএবি প্রটেস্টের মতো হ্যাশট্যাগও। এ নিয়ে সরব হয়েছেন বলিউড তারকারাও।

‘ভীরে ডি ওয়েডিং’খ্যাত অভিনেত্রী স্বরা ভাস্কর বরাবরই কাটছাট কথা বলেন। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায়ও সোজাসাপটা সমালোচনা করেছেন দিল্লি পুলিশের। টুইটারে তিনি এ ঘটনাকে লজ্জাজনক আখ্যা দিয়ে জানতে চেয়েছেন, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অপরাধীদের মতো আচরণ করা হচ্ছে কেন? হোস্টেলে কেন কাঁদানে গ্যাস ছোড়া হচ্ছে? দিল্লি পুলিশ করছেটা কী?

‘আর্টিকেল ১৫’ সিনেমার পরিচালক অনুভব সিনহাও নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে চলমান বিক্ষোভ নিয়ে বেশ সরব। একাধিক টুইটে তিনি বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইন পাস করায় মোদী সরকার ও এ ঘটনায় নীরব তারকাদের কড়া সমালোচনা করেছেন। এক টুইটে তিনি বলেন, যখন কারও কাছে জবাব নেই, তখন তা ছাত্রদের কাছে আছে। ইতিহাস ঘেঁটে দেখুন।

‘জলি এলএলবি ২’-এর অভিনেত্রী সায়নী গুপ্ত নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে করণ জোহর, রণবীর সিং, রণবীর কাপুর, ভিকি কৌশল, রাজকুমার রাও, রোহিত শেঠি, ভূমি পেড়নেকর, আয়ুষ্মান খুরানা, সিদ্ধার্থ মালহোত্রার মতো তারকাদের একটি গ্রুপ ছবি শেয়ার করে লিখেছেন, জামিয়া (জামিয়া মিল্লিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়) ও এএমইউয়ের (আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়) শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে আপনাদের অন্তত একজন মোদীকে টুইট বা মেসেজ করে পুলিশের এমন নৃশংসতা ও সহিংসতার নিন্দা জানান। মুখ খোলার সময় এসে গেছে।

এছাড়াও চলমান বিক্ষোভে শিক্ষার্থীদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে টুইট করেছেন ‘ছাপ্পাক’ তারকা বিক্রান্ত মাসেই, জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী কঙ্কনা সেন শর্মা, আলি ফজল, রিচা চাড্ডা, রসোনি রাজদান প্রমুখ।

চস/সোহাগ

শেয়ার করুন

The Post Viewed By: 82 People

Chattogram Somoy

চট্টগ্রাম থেকে পরিচালিত চট্টগ্রাম সময় একটি আধুনিক নিউজ পোর্টাল। ২৪ ঘন্টা খবরের সন্ধানে ছুটে চলা একদল সংবাদদাতা নিয়ে আমাদের যাত্রা শুরু হয়েছে ২০১৯ এর জুলাইয়ে। কোনো একটা নির্দিষ্ট দিক নয়, চট্টগ্রাম সময় কাজ করছে প্রতিটা দিক নিয়ে। আমাদের ভবিষ্যৎ পথচলায় আপনাদের সাথী হিসেবে পেতে চাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *