রোহিঙ্গাদের ধারালো অস্ত্র সরবরাহ করছে কিছু এনজিও

82

স্থানীয় লোকজন ও প্রশাসনের নিষেধের পরও কিছু কিছু এনজিও রোহিঙ্গাদের প্রতি অতিদরদি আচরণ করছে। তারা উৎসাহী হয়ে অজানা কারণে রোহিঙ্গাদের মধ্যে নানা ধরনের ধারালো অস্ত্র সরবরাহ করছে।

সোমবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলা প্রশাসন অভিযান চালিয়ে এ ধরনের বেশ কিছু দা, ছুরি ও চাপাতি জব্দ করেছে।

উখিয়ার কোটবাজার ভালুকিয়া রোডে উখিয়া উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফখরুল ইসলামের নেতৃত্বে কামারশালায় অভিযান চালান।

এ সময় সুধীর কর্মকারেরর দোকান থেকে ৬০০টি দেশীয় ধারলো অস্ত্র জব্দ করা হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উখিয়া ও টেকনাফসহ কক্সবাজার জেলার কামারশালাগুলোতে চলছে দা, ছুরি, চাপাতি তৈরির রমরমা ব্যবসা। কেউ তৈরি করছেন প্রকাশ্যে আর কেউবা গোপনে। উদ্দেশ্য- রোহিঙ্গাদের মধ্যে অস্ত্র সরবরাহ করা।

রোহিঙ্গাদের মধ্যে দেশীয় ধারালো অস্ত্র সরবরাহের সংবাদে ভয়ে ও আতঙ্কে দিন পার করছেন উখিয়া-টেকনাফের স্থানীয়রা।

জেরার মুখে সুধীর কর্মকার স্বীকার করেছেন, কোরবানি ঈদের আগেই ভালুকিয়ার সাইফুল ইসলাম তাকে এ ধরনের ২৬০০ অস্ত্রের অর্ডার দেয়। অস্ত্রগুলো তিনি এনজিও ‘রিক’ ও ‘মুক্তি’র অর্থায়নে বানাচ্ছেন।

কক্সবাজার ছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে নানা ধরনের ধারলো অস্ত্র ক্যাম্পগুলোতে রোহিঙ্গাদের বিভিন্ন এনজিও সরবরাহ করে থাকে বলে জানা গেছে।

মোবাইল কোর্টের ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ কাছে উৎসুক জনতার সম্মুখে জেরার মুখে সুধীর কর্মকার স্বীকারোক্তি প্রদান করেন।

এ পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম হতে টেকনাফ মহাসড়কে চলাচল করা সকর প্রকাল গাড়ি, নৌ-যান, মালামাল, ফেরিওয়ালা, বক্স এবং ব্যক্তিকে চেক করার জন্য প্রশাসনকে বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়ে উদ্বিগ্ন স্থানীয় বাসিন্দারা।

ইতোপূর্বে বিদেশি এনজিও ‘ডেনিশ রিফিউজি কাউন্সিল’সহ কয়েকটি এনজিওকে রোহিঙ্গাদের এ ধরনের ধারালো অস্ত্র সরবরাহ না করতে নিষেধ করেছিলেন বলে জানান উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিকারুজ্জামান চৌধুরী।

চস/আজহার