টাইগারদের জয় পেতে প্রয়োজন ৩৯৮

আফগানিস্তানের বিপক্ষে জিততে হলে বাংলাদেশকে রীতিমত রেকর্ডই গড়তে হবে। জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে ৩৯৮ রানের বিশাল লক্ষ্য দাঁড় করিয়েছে আফগানিস্তান। এই রান তাড়া করে জিততে হলে অসম্ভবকেই সম্ভব করতে হবে। কারণ, আফগান স্পিনারদের সামনে ভাঙা উইকেটে ব্যাট করা হবে সত্যিই কঠিন।

চতুর্থ ইনিংসে এর আগে বাংলাদেশের জয়ের রেকর্ড রয়েছে সর্বোচ্চ ২১৯ রান তাড়া করার। আফগানিস্তান তার চেয়ে ১৬৭ রান বেশি করে ফেলেছে। সুতরাং, রশিদ খান, মোহাম্মদ নবি কিংবা জহির খানদের ঘূর্ণি মোকাবেলা করে সাকিব আল হাসানরা কি পারবেন অসম্ভবকে সম্ভব করতে?

রান তাড়া করে বাংলাদেশের জয়গুলোর মধ্যে রয়েছে, ২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। ওই ম্যাচে ২১৫ রান তাড়া করে জিতেছিল সাকিব আল হাসানের দল। ২০১৪ সালে জিম্বাবুয়ের বাংলাদেশ জিতেছিল ১০১ রান তাড়া করে। ২০১৭ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১৯১ রান তাড়া করে জিতেছিল টাইগাররা।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৩৯০ প্লাস রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড আছে মাত্র ৪টি। ২০০৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৪১৮ তাড়া করে জয়। যেটা টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড।

এছাড়া ২০০৮ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকা ৪১৪ তাড়া করে জয়ের রেকর্ড গড়েছিল। ১৯৪৮ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়া জিতেছিল ৪০৪ তাড়া করে। ১৯৭৬ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ভারতের জিতেছিল ৪০৩ তাড়া করে। বাংলাদেশ জিততে পারলে সেটা হবে ৫ম সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড।

চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে চতুর্থ ইনিংসে রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড আছে মাত্র ৩টি। ২০০৮ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ড জিতেছিল ৩১৭ তাড়া করে। তার আগে ২০১৬ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়া জিতেছিল ৮৭ রান তাড়া করে এবং ২০০৬ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে শ্রীলঙ্কা জিতেছিল ১৬৩ রান তাড়া করে।

তবে চট্টগ্রামের এই ভেন্যুতে বাংলাদেশ এখনও পর্যন্ত তাড়া করে জেতেনি কোনো ম্যাচেই। আফগানদের বিপক্ষে এই ম্যাচের আগে চট্টগ্রামে ৭ ম্যাচে রান তাড়া করতে নেমেছিল বাংলাদেশ, এর মধ্যে ড্র হয়েছে ৩টি, হেরেছিল ৪ ম্যাচে।

চস/আজহার

শেয়ার করুন

The Post Viewed By: 79 People

Chattogram Somoy

চট্টগ্রাম থেকে পরিচালিত চট্টগ্রাম সময় একটি আধুনিক নিউজ পোর্টাল। ২৪ ঘন্টা খবরের সন্ধানে ছুটে চলা একদল সংবাদদাতা নিয়ে আমাদের যাত্রা শুরু হয়েছে ২০১৯ এর জুলাইয়ে। কোনো একটা নির্দিষ্ট দিক নয়, চট্টগ্রাম সময় কাজ করছে প্রতিটা দিক নিয়ে। আমাদের ভবিষ্যৎ পথচলায় আপনাদের সাথী হিসেবে পেতে চাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *