গ্যাটকো দুর্নীতি মামলার অভিযোগ গঠন ২২ ডিসেম্বর

29
গ্যাটকো দুর্নীতি মামলার অভিযোগ গঠন ২২ ডিসেম্বর
বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে করা গ্যাটকো দুর্নীতি মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য আগামী ২২ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

আজ বুধবার কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত ঢাকার ৩ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক নজরুল ইসলাম এ দিন ধার্য করেন।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী হান্নান ভূঁইয়া এনটিভি অনলাইনকে বলেন, ‘আজ গ্যাটকো দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য দিন নির্ধারিত ছিল। কিন্তু খালেদা জিয়া তাঁর আইনজীবীর মাধ্যমে সময়ের আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে নতুন দিন ধার্য করেন।

হান্নান ভূঁইয়া আরো বলেন, এ ছাড়া এ মামলার অন্যতম আসামি সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়াপারসনের উপদেষ্টা এ কে এম মোশাররফ হোসেন গত ১৭ অক্টোবর করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ধানমণ্ডির ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। তিনি মারা যাওয়ায় আজ আদালতের বিচারক পুলিশকে তাঁর মৃত্যুর বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।

২০১৬ সালের ৫ এপ্রিল এ মামলায় খালেদা জিয়া আত্মসমর্পণ করে জামিন পান।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০০৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর দুদক উপপরিচালক গোলাম শাহরিয়ার বাদী হয়ে ১৩ জনের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় গ্যাটকো দুর্নীতি মামলা দায়ের করেন। পরে ২০০৮ সালের ১৩ মে খালেদা জিয়াসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের (সিএমএম) আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুদকের উপপরিচালক মো. জহিরুল হুদা।

মামলার ২৪ আসামির মধ্যে খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো, সাবেক অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমান, বিএনপির সাবেক মহাসচিব আবদুল মান্নান ভূঁইয়া, জামায়াত নেতা মতিউর রহমান নিজামী মারা গেছেন। ফলে তাঁদের নাম মামলা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এখন আসামির সংখ্যা ২০ জন। গত ১৭ অক্টোবর সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন মারা গেছেন। মৃত্যুর প্রতিবেদন এলে আইন অনুযায়ী তাঁকেও এ মামলা থেকে বাদ দেওয়া হবে।

আরো পড়ুন: স্কুল-কলেজে শুধু টিউশন ফি নেয়ার নির্দেশ

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা দরপত্রের শর্ত ভঙ্গ ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান গ্যাটকোর সঙ্গে চুক্তি সইয়ের ফলে সরকারের ১৪ কোটি ৫৬ লাখ ৩৭ হাজার ৬১৬ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়। এ ছাড়া গ্যাটকোকে ঠিকাদারি কাজ পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে অবৈধভাবে আরাফাত রহমান কোকো ও ইসমাইল হোসেন সায়মন দুই কোটি ১৯ লাখ ৯৯ হাজার ৭৩৬ টাকার আর্থিক সুবিধা নেন বলে অভিযোগপত্রে বলা হয়।