একরাশ হতাশা নিয়ে দেশ ছাড়লেন ড. বিজন শীল

50
একরাশ হতাশা নিয়ে দেশ ছাড়লেন ড. বিজন শীল
স্বপ্ন দেখেছেন, যে মাতৃভূমির আকাশে বাতাসে বেড়ে উঠেছেন তার জন্য কিছু করবেন। দেশের মানুষের জন্য কাজ করবেন। অনেকটা পথ এগিয়ে গিয়েছিলেনও। স্বপ্নযাত্রার ধাপগুলো এক এক করে পার করেছিলেন। আবিষ্কার করেছিলেন নভেল করোনা ভাইরাস শনাক্তের র‌্যাপিড কিট। কিন্তুস্বপ্ন স্বপ্নই রয়ে গেলো ড. বিজন শীলের। তার কিটের অনুমোদন মেলেনি । তাই স্বপ্নভঙ্গের যন্ত্রণা নিয়ে দেশ ছাড়লেন এই বিজ্ঞানী।

রোববার ভোরেই সিঙ্গাপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন ড. বিজন শীল।

সিঙ্গাপুর থেকে ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে বাংলাদেশে এসেছিলেন ড. বিজন। তিনি গণবিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের প্রধান হিসেবে শিক্ষকতা করছিলেন। এর মধ্যে করোনা সংক্রমণ শুরু হলে পূর্ব অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে তিনি তা শনাক্তে অ্যান্টিজেন্ট ও অ্যান্টিবডি কিটের উদ্ভাবন করেন। যদিও তার অনুমোদন মেলেনি শেষ পর্যন্ত।

গত জুলাইয়ে তার ওয়ার্ক ভিসার মেয়াদ শেষ হয় । তারপর ওয়ার্ক ভিসার জন্য আবেদন করলেও সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো উত্তর দেয়া হয়নি। ওয়ার্ক ভিসার অনুমতি পেলে তিনি আবার বাংলাদেশে কাজে ফিরতে পারবেন।

আরো পড়ুন: মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের নতুন পরিচালক কুসুম দেওয়ান

তিনি বলেন, বাংলাদেশে তো আমি সব সময়ই আসা-যাওয়ার মধ্যে ছিলাম। এবার যাওয়ার আগে কেন যেন মনটা খুব বিষণ্ন। খুব কষ্ট অনুভব করছি। আমার ওয়ার্ক পারমিট হবে না, এমন সিদ্ধান্তও কিন্তু জানিয়ে দেয়া হয়নি। কষ্টের কারণ হয়তো, এত মান সম্পন্ন কিট উদ্ভাবন করলাম, এখনো অনুমোদন পেলাম না। উল্লেখ্য, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র ড. বিজন কুমার শীলদের উদ্ভাবিত অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টিবডি কিটের ঘোষণা দেয় মার্চ মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে।

চস/স