সিপিএলে প্রথমবারের মতো ফাইনালে সেইন্ট লুসিয়া

প্রতিপক্ষ গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্স। পাঁচবারের ফাইনালিস্ট । চলতি আসরেও দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছে তারা, গ্রুপপর্বে ছিল টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে। ফলে সেইন্ট লুসিয়া জুকসের বিপক্ষে সেমিফাইনাল ম্যাচ শুরুর আগে ফাইনালের সম্ভাব্য দল হিসেবে উচ্চারিত হচ্ছিল গায়ানারই নাম।

কিন্তু এসব তাত্ত্বিক কথাকে থোড়াই কেয়ার করেন সেইন্ট লুসিয়া অধিনায়ক ড্যারেন স্যামি, বিশ্বাস করেন মাঠের পারফরম্যান্সে। আর সেখানেই বাজিমাত করেছে সেইন্ট লুসিয়া। কাগজে-কলমে ফেবারিট হলেও, মাঠের খেলায় পাত্তাই পায়নি গায়ানা, হেরেছে বড় ব্যবধানে।

ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (সিপিএল) দ্বিতীয় সেমিফাইনাল ম্যাচে গায়ানাকে ১০ উইকেটের ব্যবধানে হারিয়ে টুর্নামেন্টের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ফাইনালে উঠেছে সেইন্ট লুসিয়া। ম্যাচে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩৮ বল বাকি থাকতেই ৫৫ রানে অলআউট হয়েছে গায়ানা।

জবাবে মাত্র ৪.৩ ওভার ব্যাটিং করেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে গেছে সেইন্ট লুসিয়া। যা কি না সিপিএলের ইতিহাসে দ্রুততম রান তাড়ার রেকর্ড। বৃহস্পতিবার সিপিএলের তিনবারের চ্যাম্পিয়ন ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে ফাইনাল ম্যাচে লড়বে স্যামির দল।

মঙ্গলবার রাতের দ্বিতীয় ম্যাচে সেইন্ট লুসিয়ার বোলিংয়ের সামনে পাত্তাই পায়নি গায়ানার ব্যাটসম্যানরা। ইনিংসের প্রথম ওভারে জোড়া আঘাত হানেন লুসিয়ার কিউই পেসার স্কট কুগলেইন, গায়ানার রানের খাতায় তখনও দেখা যাচ্ছিল বড়সড় এক শূন্য। শুরুর এই ধাক্কা আর সামলাতে পারেনি বর্তমান রানার্সআপরা।

দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ২৫ রান করেছেন চন্দরপল হেমরাজ। এছাড়া নিকলাস পুরান ও ক্রিস গ্রিনের ব্যাট থেকে এসেছে ১১ রান। সেইন্ট লুসিয়ার পক্ষে ২টি করে উইকেট নিয়েছেন স্কট কুগলেইন, রস্টোন চেজ, জহির হান ও মার্ক দেয়াল। এছাড়া মোহাম্মদ নাবী এবং জ্যাভেল গ্লেনের শিকার ১টি করে উইকেট।

ছোট্ট এ রান তাড়ায় একদমই সময় নেননি সেইন্ট লুসিয়ার দুই ওপেনার মার্ক দেয়াল ও রাহকিম কর্নওয়াল। মাত্র ২৭ বলেই জিতে নেন ম্যাচ। কর্নওয়ালের ব্যাট থেকে আসে ২ চার ও ৩ ছয়ের মারে ১৭ বলে ৩২ রানের ইনিংস। বল হাতে ২ উইকেট নেয়া দেয়াল ব্যাট হাতে ১০ বলে ১৯ রান করে জিতেছেন ম্যাচসেরার পুরষ্কার।

চস/আজহার

শেয়ার করুন

The Post Viewed By: 27 People

Chattogram Somoy

চট্টগ্রাম থেকে পরিচালিত চট্টগ্রাম সময় একটি আধুনিক নিউজ পোর্টাল। ২৪ ঘন্টা খবরের সন্ধানে ছুটে চলা একদল সংবাদদাতা নিয়ে আমাদের যাত্রা শুরু হয়েছে ২০১৯ এর জুলাইয়ে। কোনো একটা নির্দিষ্ট দিক নয়, চট্টগ্রাম সময় কাজ করছে প্রতিটা দিক নিয়ে। আমাদের ভবিষ্যৎ পথচলায় আপনাদের সাথী হিসেবে পেতে চাই।