শেষ হল একাদশ সংসদের নবম অধিবেশন

66
শেষ হল একাদশ সংসদের নবম অধিবেশন
নভেল করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে বসা নিয়মরক্ষার সংসদ অধিবেশন শেষ হয়েছে। এটি ছিল একাদশ সংসদের নবম অধিবেশন। পাঁচ কার্যদিবসের এই অধিবেশন শুরু হয় গত ৬ সেপ্টেম্বর। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে এবারও অধিবেশনে নেওয়া হয় বেশ কিছু ব্যবস্থা।

মহামারীকালে হওয়া আগের দুটি অধিবেশনের মতই সংসদ সদস্যরা মাস্ক ও গ্লাভস পরে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে অধিবেশনে অংশ নিয়েছেন। অধিবেশন কক্ষে কর্মরত কর্মচারীরাও মাস্ক, গ্লাভস ও মাথা ঢেকে দায়িত্ব পালন করেছেন।

মার্চ মাসে দেশে করোনাভাইরাসের বিস্তার শুরু হওয়ার পর এটি তৃতীয় অধিবেশন। গত বাজেট অধিবেশনের মত এবারও অধিবেশনে যোগ দিতে করোনা ভাইরাস পরীক্ষা করাতে হয়েছে সংসদ সদস্যদের।

গত এপ্রিল ও জুনে সংসদের সপ্তম ও অষ্টম (বাজেট) অধিবেশন বসে। সে সময়ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে অধিবেশন পরিচালনা করা হয়। এবারও তালিকা করে প্রতিদিন ৮০ জনের মত সংসদ সদস্য অধিবেশনে অংশ নেন। অধিবেশন চলাকালে যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারী দায়িত্ব পালন করেছেন তাদের সবার কোভিড-১৯ পরীক্ষায় নেগেটিভ সনদ থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়।

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ গত ১৯ আগস্ট নবম অধিবেশন আহ্বান করেন। সংসদের বিগত অষ্টম অধিবেশন গত ৯ জুলাই শেষ হয়। সংবিধানের বিধান মতে সংসদের দুটি অধিবেশনের মধ্যে ৬০ দিনের বেশি বিরতি থাকার সুযোগ নেই। যে কারণে এ অধিবেশন ডাকতে হয়।

আরো পড়ুন: চট্টগ্রামে করোনায় শনাক্ত আরও ৫৩

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে অধিবেশন সমাপনী সম্পর্কে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের আদেশ পড়ে শোনানোর মধ্যে দিয়ে সমাপ্তি টানের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। এবার অধিবেশনে সামাজিক দূরত্ব মেনে বসানো হয় সংসদ সদস্যদের। সেজন্য অধিবেশনে আইপ্রণেতাদের উপস্থিতি ৮০-৯০ জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়। সংসদে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রবেশ ছিল বন্ধ।

অধিবেশনে ৭১ বিধিতে ৩৮টি নোটিশ পাওয়া যায়। প্রধানমন্ত্রীর উত্তর দেওয়ার জন্য ২৭টি প্রশ্ন পাওয়া যায়। যারমধ্যে তিনি সাতটি প্রশ্নের উত্তর দেন। অন্য মন্ত্রীদের জন্য ৬৬১টি প্রশ্ন পাওয়া যায় যারমধ্যে ১৮২টির উত্তর দেওয়া হয়। এ অধিবেশনে বিল পাস হয়েছে ছয়টি।

চস/স