ক্লাস না হলেও পড়ালেখা চালিয়ে যেতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

37
ads here

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘নতুন বই পেলে সবার ভালো লাগবে। করোনার সময়ে ঘরে বসে থাকা কতোটা কষ্টকর, সেটা আমরা বুঝি। তবে ঘরে বসেও শিক্ষার সুযোগ পাচ্ছে শিক্ষার্থীরা। ’

ads here

বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) ভার্চ্যুয়ালি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ২০২১ শিক্ষাবর্ষের বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্কুল কলেজ বন্ধ রাখা হয়েছে, এটা দুঃখের। তারপরও নতুন বই পেয়ে শিক্ষার্থীরা আনন্দ পাবে। করোনার কারণে সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাচ্ছে শিক্ষার্থীরা। আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলেছি। ফলে কিছুটা শিক্ষার সুযোগ পাচ্ছে তারা। ’

তিনি বলেন, ‘করোনা ভাইরাসের হাত থেকে বিশ্ব কবে মুক্তি পাবে সেটাই বিষয়। জানুয়ারি পর্যন্ত আমরা স্কুল বন্ধ রেখেছি। অবস্থার উন্নতি হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হবে, আর না হলে ছুটি আরো বাড়ানো হবে। করোনাকালে যে মানসিক সমস্যা দেখা দিয়েছে, তা কীভাবে দূর করা যায় সে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ক্লাস না হলেও পড়ালেখা চালিয়ে যেতে হবে। ’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এইচএসসির ফলাফলের পরেই গুচ্ছ পদ্ধতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, ‘দেশের একটি মানুষও গৃহহীন, ঠিকানাহীন থাকবে না। আমরা প্রত্যেকের ঘরের ব্যবস্থা করবো। সেই সঙ্গে শিক্ষার আলোও জ্বালবো। আমরা শতভাগ শিক্ষার ব্যবস্থা করেছি। আজকের শিক্ষার্থীরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। আগামী দিনের বাংলাদেশের কর্ণধার তোমরাই হবে। ’

প্রধানমন্ত্রী পক্ষ থেকে ২৩ জন শিক্ষার্থীর হাতে বই তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। তাদের মধ্যে মাধ্যমিকের ৯ জন এবং প্রাথমিক স্তরের ১৪ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) এদিন সকাল সাড়ে ৯টায় বই উৎসব শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সকাল সাড়ে ১০টার পর এ অনুষ্ঠানে যুক্ত হন।

বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বই উৎসবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন, শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

এছাড়া, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নারায়ণ চন্দ্র সাহাসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

চস/আজহার

ads here