তলাবিহীন ঝুড়ি হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশ আজ বিশ্বের বিস্ময়: সেতুমন্ত্রী

31
ওবায়দুল কাদের
ads here

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘সরকারের রাবাহিকতায় গত ১২ বছরে বাংলাদেশ উন্নয়ন অগ্রগতির সব সূচকে যুগান্তকারী মাইলফলক স্পষ্ট করেছে। বাংলাদেশ আজ বিশ্ব সভায় উন্নয়নের রোল মডেল। অর্থনীতি ও আর্থসামাজিক ক্ষেত্রে বেশিরভাগ সূচকে দক্ষিণ এশিয়ার সব দেশকে ছাড়িয়ে অগ্রগতির অভূতপূর্ব স্মারক বহন করছে। গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠানিক রূপ দিতে দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়েছে। শেখ হাসিনা টানা এক যুগ প্রধানমন্ত্রী থাকায় এসব অর্জন সম্ভব হয়েছে।’

ads here

আজ বুধবার (৬ জানয়ারি) সরকারের এক যুগ পূর্তি উপলক্ষে এবং ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপকমিটি আয়োজিত শীতার্ত মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। মন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে অনুষ্ঠানে যুক্ত হন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সরকারের পরিবর্তন হতে পারে, কিন্তু সরকারের গৃহীত নীতি ও পরিকল্পনা চলমান থাকবে। ভিন্ন ভিন্ন দল সরকারে আসতে পারে। তবে রাষ্ট্রের লক্ষ্য এবং অর্জনের ধারাবাহিকতা থাকবে গতিশীল। উন্নয়নে প্রতিহিংসা থাকবে না। উন্নয়ন প্রবাহমান জলধারার মতো।’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘দেশের গণতন্ত্রকে এগিয়ে নিতে ও গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক রূপায়নে অর্জিত হয়েছে দৃশ্যমান সফলতা। স্বাধীনভাবে কাজ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন, নির্বাচন কমিশনসহ অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। করোনার মতো বৈশ্বিক মহামারি নিয়ন্ত্রণ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় বিশ্বে অনুকরণীয় রাষ্ট্রের মর্যাদা পেয়েছে বাংলাদেশ। শেখ হাসিনার প্রজ্ঞা, দৃঢ়তা, সাহসিকতা, সততা ও কর্মনিষ্ঠা আজ বিশ্বনন্দিত।’

তিনি বলেণ, ‘এক সময়ের তলাবিহীন ঝুড়ি হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশ আজ বিশ্বের বিস্ময়। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এখন ফিরে পেয়েছে ঐতিহ্য। পাট রফতানিতে বাংলাদেশ আজ বিশ্বে প্রথম, ইলিশে প্রথম, তৈরি পোশাক রফতানিতে দ্বিতীয়, অন্যান্য ক্ষেত্রসহ চাল উৎপাদনে চতুর্থ স্থানে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং পুলিশ বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় রেখে চলছে অনবদ্য অবদান। প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে অতীতের অবিশ্বাসের কৃত্রিম দেওয়াল ভেঙে নির্মিত হয়েছে সম্পর্কের নতুন সেতুবন্ধ। সমাধান হয়েছে দীর্ঘদিনের ছিটমহল বিনিময় কার্যক্রম।’

সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সামাজিক এবং যোগাযোগ অবকাঠামো নির্মাণের মধ্য দিয়ে ইতোমধ্যেই যোগাযোগ খাতে রীতিমতো বিপ্লব সাধিত হয়েছে । শতভাগ বিদ্যুৎ, পায়রা বন্দর, মাতারবাড়ি প্রকল্প, গভীর সমুদ্র বন্দর, বছরের প্রথমদিনে পাঠ্যপুস্তক উৎসব প্রধানমন্ত্রীর অবদান। শেখ হাসিনার হাত ধরেই মেট্রোরেল, কর্ণফুলী টানেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণাধীন। স্বপ্নের পদ্মাসেতু এখন দৃশ্যমান। তার হাত ধরেই দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা হয়েছে।’

 

 

 

 

চস/আজহার

 

ads here