দেশব্যাপী করোনার টিকাদান শুরু

38
 চট্টগ্রাম সময় ডেস্ক |  রবিবার, ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২১ |  ১২:৩৬ অপরাহ্ণ
দেশব্যাপী করোনার টিকাদান কর্মসূচি শুরু হচ্ছে আগামীকাল
ads here
আজ (৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ঢাকার ৫০টিসহ সারা দেশে মোট এক হাজার ৫টি হাসপাতালে একযোগে কোভিড-১৯ টিকা প্রদান শুরু হয়েছে।

সকাল ১০টায় স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে করোনাভাইরাসের টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

ads here

এ সময় স্বাস্থ্য মন্ত্রী জানান, টিকা নিয়ে কোনো সমালোচনা নয়, প্রথমে মন্ত্রী ও ভিআইপিদের নেওয়ার মাধ্যমে আস্থা বাড়বে। টিকা কার্যক্রম দিনের বিভিন্ন সময়ে রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে প্রধান বিচারপতি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব ও মন্ত্রিপরিষদ সচিব টিকা নেবেন। দেশের সকল জেলার সঙ্গে আমরা যুক্ত হয়েছি। সেখানে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ আছেন। তাদের সঙ্গে আমরা টিকা নিব। এটা নিয়ে যেন কোন রকমের রিউমার না হয়। এই টিকা খুবই নিরাপদ, যতগুলা টিকা আছে তাদের ভেতর এটা সবচেয়ে নিরাপদ। এর কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই বললেই চলে। আমরা হাজার হাজার মানুষকে টিকা দেব, লাখও ছাড়িয়ে যেতে পারে।

রাজধানীর ৫০টি হাসপাতালের জন্য ২০৪টিসহ এবং সারা দেশে ২ হাজার ৪০০টি টিম এই টিকাদানে কাজ করছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

অধিদফতরের দেয়া তথ্যানুযায়ী, এখন পর্যন্ত সারা দেশে করোনার টিকা গ্রহণের লক্ষ্যে ৩ লাখ ২৮ হাজারের বেশি মানুষ ‘সুরক্ষা’ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে নিবন্ধন করেছেন।

প্রতিটি কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২.৩০ মিনিট পর্যন্ত হাসপাতালের বহির্বিভাগে টিকা নিতে পারবেন নিবন্ধিতরা। সারা দেশে শুরু হওয়া ভ্যাকসিন কার্যক্রমের প্রস্তুতি নিয়ে সন্তুষ্ট স্বাস্থ্য অধিদফতর।

রোববার (৭ ফেব্রুয়ারি) যারা ভ্যাকসিন নিচ্ছেন, তাদের কাছে শনিবারের মধ্যে মোবাইলে বার্তা পায়।

প্রসঙ্গত, গত ২৭ জানুয়ারি দেশে প্রথম করোনা ভ্যাকসিন প্রয়োগ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রাথমিকভাবে ৫৪১ জনকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। যাদের মধ্যে ২৯৬ জন চিকিৎসক, ৩২ জন নার্স এবং অন্যান্য পেশার ২১৩ জন।

আরো পড়ুন: করোনায়ে একদিনে আরও ৮ মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ৩০৫

সরকারি কর্মকর্তারা কোথায় ভ্যাকসিন নিতে পারবেন:

বিএসএমএমইউ: সাংবিধানিক পদধারীরা, কর্মকর্তা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল: শিল্প ও কৃষি মন্ত্রণালয়।

কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল, রাজারবাগ: জননিরাপত্তা বিভাগ।

পিলখানা বিজিবি হাসপাতাল: সুরক্ষা সেবা বিভাগ।

সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল ঢাকা, সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল, মিরপুর এবং পোস্তগোলা: প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ।

স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

সরকারি কর্মচারী হাসপাতাল: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ।

শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল: অর্থ বিভাগ, অর্থ ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়।

মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল: মন্ত্রণালয় এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল: বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়।

জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল: সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়।

জাতীয় কিডনি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল: স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়।

জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট: পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ।

জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট: ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান: শিক্ষা ও ভূমি মন্ত্রণালয়।

শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতাল: তথ্য মন্ত্রণালয়।

জাতীয় নাক-কান-গলা ইনস্টিটিউট, ঢাকা: বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।

শেখ হাসিনা জাতীয় ইস্টিটিউট অফ বার্নস অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

জাতীয় বাত জ্বরজনিত হৃদরোগ প্রতিরোধ কেন্দ্র, আগারগাঁও: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

বাংলাদেশ সংসদ সচিবালয় ক্লিনিক: আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

মোহাম্মদপুর ফার্টিলিটি সেন্টার: যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।

আজিমপুর মা ও শিশু হাসপাতাল: প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

২৫০ শয্যা টিবি হাসপাতাল, শ্যামলী: খাদ্য মন্ত্রণালয়।

সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল, ঢাকা: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, ঢাকা: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ।

ঢাকা মহানগর শিশু হাসপাতাল, লালবাগ: নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়।

নাজিরা বাজার মাতৃ সদন: শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

ঢাকা ডেন্টাল কলেজ, মিরপুর: ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

ঢাকা শিশু হাসপাতাল, শ্যামলী ঢাকা: রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।

চস/স

ads here