জামা মসজিদে ঈদের নামাজ পড়তে পারেননি কাশ্মীরিরা

92
ads here

ঈদুল আজহার দিন সোমবার কাশ্মীরের জামা মসজিদ বন্ধ রাখতে নির্দেশ দিয়েছিল ভারত সরকার। কাশ্মীরিদের আজাদি আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দুখ্যাত রাজ্যটির সবচেয়ে বড় এই মসজিদটিতে কাউকে ঈদের নামাজ পড়ার সুযোগ দেয়া হয়নি।

ads here

লোকজনকে কেবল স্থানীয় ছোট ছোট মসজিদে নামাজ আদায় করতে দেয়া হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, যাতে বড় কোনো জমায়েত না হতে পারে, সেজন্যই সরকার এমন উদ্যোগ নিয়েছে। বার্তা সংস্থা এএফপি ও ভয়েস অব অ্যামেরিকা এমন খবর দিয়েছে।

সোমবার এএফপির ধারন করা ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, শ্রীনগরের সওরা এলাকায় শত শত লোক বিক্ষোভ করছেন। তারা চিৎকার করে স্লোগান দিচ্ছিলেন, ‘আমরা স্বাধীনতা চাই’, ‘ভারত তুমি ফিরে যাও’।

এসময় তিনটি হেলিকপ্টার তাদের মাথার ওপরে ঘুরপাক খাচ্ছিল। বিক্ষোভকারীরা তখন ওই হেলিকপ্টার নিয়ে মশকরা করেন এবং মুষ্টিবদ্ধ হাত উপরে তুলে স্লোগান দিতে থাকেন।

এক বিক্ষোভকারী এএফপিকে বলেন, ভারত আমাদের নিয়ে যা করেছে, তা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। ভারত যদি মাসের পর মাস কাশ্মীরকে অচল করে রাখে, তবুও আমাদের লড়াই চলবে। এর একমাত্র সমাধান হতে পারে, কাশ্মীরিরা যা চায়, ভারত যদি তা মেনে নেয়।

এদিকে কাশ্মীরে ভারত সরকারের বিধিনিষেধ বৃহস্পতিবারের স্বাধীনতা দিবসের পর হালকা করা হবে। যদিও ফোন সংযোগ ও ইন্টারনেট বিচ্ছিন্নই থাকবে।

রাজ্যটির গভর্নর সত্য পাল মালিক বুধবার বলেন, রাজ্যটির সাংবিধানিক স্বায়ত্তশাসনের মর্যাদা কেড়ে নেয়ার পর সেখানে ভারত সরকারের দমনপীড়ন শিথিল করা হলেও যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধই থাকবে।

তিনি বলেন, বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এসব যন্ত্রপাতি আমরা শত্রুতে হাতে ছেড়ে দিতে পারি না। এক সপ্তাহ কিংবা ১০ দিনের মধ্যে সবকিছু ঠিকঠাক হয়ে যাবে এবং আমরা তখন ধারাবাহিকভাবে যোগাযোগের সংযোগগুলো খুলে দেব।

চস/আজহার

ads here