প্রধানমন্ত্রীকে হত্যাচেষ্টায় ১৪ আসামির ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে

50
  |  মঙ্গলবার, এপ্রিল ৬, ২০২১ |  ৩:৪৬ অপরাহ্ণ
বিসিএস পরীক্ষার্থীদের রিট খারিজ, ১৯ মার্চেই পরীক্ষা
ads here
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা ও রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় ১৪ আসামির মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের ডেথ রেফারেন্স ও মামলার সব নথি হাইকোর্টে এসেছে।

মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) সুপ্রিম কোর্টের স্পেশাল অফিসার মুহাম্মদ সাইফুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

ads here

এর আগে গত ২৩ মার্চ ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান এ মামলায় ১৪ আসামিকে ফায়ারিং স্কোয়াডে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নির্দেশ দেন।

মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- আজিজুল হক ওরফে শাহনেওয়াজ, লোকমান, ইউসুফ ওরফে মোছহাব মোড়ল, মোছাহেব হাসান ওরফে রাশু, শেখ মো. এনামুল হক, মফিজুর রহমান ওরফে মফিজ, মাহমুদ আজাহার ওরফে মামুনুর রশিদ, রাশেদুজ্জামান ওরফে শিমুল খান, তারেক, ওয়াদুদ শেখ ওরফে গাজী খান, আনিসুল ইসলাম, সারোয়ার হোসেন মিয়া, মাওলানা আমিরুল ইসলাম ওরফে জেন্নাত মুন্সী ও মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান।

তবে আসামিদের মধ্যে আজিজুল হক, লোকমান, ইউসুফ, এনামুল হক ও মোছাহেব হাসান পলাতক। হুজি নেতা মুফতি আব্দুল হান্নান এই মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি হলেও অন্য মামলায় তার ফাঁসি কার্যকর হওয়ায় তাকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

আইন বিশেষজ্ঞরা জানান, ফৌজদারি মামলায় বিচারিক আদালত যখন আসামিদের মৃত্যুদণ্ড দেন তখন ওই দণ্ড কার্যকরের জন্য হাইকোর্টের অনুমোদনের প্রয়োজন হয়। এজন্য সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালত ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা মোতাবেক মামলার সব নথি হাইকোর্টে পাঠিয়ে দেন। যা ডেথ রেফারেন্স নামে পরিচিত। ওই নথি আসার পর হাইকোর্টের ডেথ রেফারেন্স শাখা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সংশ্লিষ্ট মামলার পেপারবুক প্রস্তুত করে। পেপারবুক প্রস্তুত হলে মামলাটি শুনানির জন্য প্রস্তুত হয়েছে বলে ধরে নেওয়া হয়। পেপারবুক প্রস্তুত হওয়ার পর ডেথ রেফারেন্স ও আসামিরা যদি আপিল করে থাকেন তা শুনানির জন্য প্রধান বিচারপতি বেঞ্চ নির্ধারণ করে দেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় ২০০০ সালের ২১ জুলাই তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমাবেশস্থলের পাশ থেকে ৭৬ কেজি ওজনের একটি বোমা উদ্ধার করা হয়। ওই মাঠেই পরদিন শেখ হাসিনার সমাবেশ হওয়ার কথা ছিল।

আরো পড়ুনঃ হেফাজত নেতা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে মামলা

এ ঘটনায় হত্যাচেষ্টা, ষড়যন্ত্র ও রাষ্ট্রদ্রোহ এবং বিস্ফোরক আইনে মোট তিনটি মামলা হয়। এরমধ্যে ষড়যন্ত্র ও রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় ২০০১ সালের ১৫ নভেম্বর সিআইডির সাবেক এএসপি আব্দুল কাহার আকন্দ অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরে ২০০৪ সালের ২১ নভেম্বর আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

চস/স

ads here