হালিশহর-সাগরিকায় দুই খুন

165
  |  বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১৫, ২০২০ |  ৪:১১ অপরাহ্ণ
ads here

চট্টগ্রামে হালিশহর ও সাগরিকায় আজ বৃহস্পতিবার দুটি খুনের ঘটনা ঘটেছে। হালিশহরে নিহত ব্যাক্তির নাম মিজানুর রহমান লিটন (৫২)।তিনি বরিশালের ঝালকাটি জেলার নলছিটি থানার শারদল গ্রামের এমএ আব্দুল লতিফের ছেলে। অন্যদিকে সাগরিকায় আলিফ গলি থেকে বিজয় দাশ (৩২) নামে এক বিকাশ এজেন্টের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার সন্তোষ কুমার দাশের ছেলে।

ads here

চট্টগ্রাম মহানগরীর হালিশহর থানার এ ব্লক এলাকায় সন্ত্রাসীরা মিজানুর রহমান লিটনকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেছে। আজ বৃহস্পতিবার ভোরে হালিশহর থানা পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে। পুলিশের ধারণা গভীর রাতে তাকে হত্যা করে লাশ ফেলে গেছে।

হালিশহর থানার সাব ইন্সপেক্টর মো. সাহেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ভোরে খবর পেয়ে হালিশহর এ ব্লক এলাকা থেকে লিটন নামে এক ব্যাক্তির লাশ উদ্ধার করেছি। তাকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। তার শরীরের বুকের একপাশে ও হাতে ছুরিকাঘাতের দাগ রয়েছে। তবে কে বা কারা কি কারণে লিটনকে হত্যা করেছে তা এখনো জানা যায়নি। এ ব্যাপারে তদন্ত চলছে।

অন্যদিকে, সকালে সাগরিকা আলিফ গলি থেকে বিজয় দাশ নামে বিকাশ এজেন্টের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করা হয়। তার গলায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে মরদেহটি ঘিরে রাখে সিআইডির বিশেষ টিম। পাহাড়তলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঈনুর রহমান জানান, বিজয় বিকাশের কমিশন এজেন্ট। পাহাড়তলী নাবিক কলোনির সামনে তার দোকান আছে। ওই এলাকায় তার বাসা। আট মাস আগে তার বিয়ে হয়।

ওসি বলেন, ‘বিজয়ের ভাই আমাদের জানিয়েছেন, গতকাল (বুধবার) সকালে বাসা থেকে দোকানে যাবার জন্য বিজয় বের হন। কিন্তু সারাদিন দোকান বন্ধ ছিল। মোবাইলেও তাকে পাওয়া যাচ্ছিল না। বিকেলে থানায় নিখোঁজ ডায়েরি হয়। আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে সড়কের পাশে তার বস্তাবন্দি লাশ পাওয়া গেছে। তার গলায় আঘাতের চিহ্ন আছে। তার জাতীয় কিছু দিয়ে পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে আমাদের ধারণা।’

কি কারণে এবং কারা বিজয়কে হত্যা করেছে সেটি এখনও নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ। ওসি বলেন, ‘পরিবারের সদস্যদের ধারণা, বিকাশের কমিশন এজেন্ট হওয়ায় তার কাছে সবসময় বড় অঙ্কের টাকা থাকত। সেই টাকার জন্যই হয়ত কেউ খুন করেছে। আমরা তদন্ত করে দেখছি।’

এদিকে হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিটের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেন।

চস/আজহার

ads here