spot_img

৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, সোমবার
২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

সর্বশেষ

কারাগারে পাপিয়ার বন্দি নির্যাতনের সত্যতা মিলেছে

গাজীপুরের কাশিমপুরে কেন্দ্রীয় কারাগারে পাপিয়ার অন্য নারী বন্দিকে নির্যাতনের ঘটনার সত্যতা পেয়েছে তদন্ত কমিটি। এ ঘটনায় সাজাপ্রাপ্ত কয়েদি যুব মহিলা লীগের সাবেক নেত্রী শামীমা নূর পাপিয়াকে সহযোগিতার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় মেট্রন ফাতেমার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে।

কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার (ভারপ্রাপ্ত) ওবায়দুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘হাজতিকে নির্যাতনে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠলে মেট্রন ফাতেমাকে কারণ দর্শানো নোটিশ ও তার বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। গত ২৮ জুন কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব দেন মেট্রন ফাতেমা। তার জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় ১ জুলাই থেকে তাকে রিজার্ভে ডিউটি দেওয়া হয়। তিনি আর কারাগারের ভেতরে কোনও কাজ করতে পারবেন না।’

ওবায়দুর রহমান আরও বলেন, ‘বন্দি নির্যাতনের ঘটনায় ফাতেমা জড়িত থাকায় তদন্ত কমিটি তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলার সুপারিশ করেছে।’

গত ২৫ জুন কারাগারে বন্দী রুনা লায়লাকে নির্যাতনের ঘটনায় তার ভাইয়ের অভিযোগের মাধ্যমে যুব মহিলা লীগের সাবেক নেত্রী শামীমা নূর পাপিয়ার নির্যাতনের ঘটনা প্রকাশ পায়। লিখিতভাবে ভুক্তভোগীর ভাই গাজীপুর জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কাছে কারাগারের ভেতর তার বোনকে নির্যাতনের ঘটনার বিচার দাবি করেন। গত ১৬ জুন থেকে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারে ঢাকার কোতোয়ালি থানায় নথি চুরির মামলায় বন্দী ছিলেন ভুক্তভোগী নারী। ২৭ জুন তিনি জামিনে মুক্তি পান।

কারা কর্তৃপক্ষ জেল সুপার ফারজানা আক্তারের নেতৃত্বে বন্দি নির্যাতনের ঘটনায় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। এ সময় নির্যাতনে জড়িত অন্য বন্দিদের শাস্তি এবং মেট্রন ফাতেমাসহ দুজনকে কারণ দর্শানো নোটিশ দেওয়া হয়। ৩ জুলাই অভিযুক্ত শামীমা নূর পাপিয়াকে কাশিমপুর কারাগার থেকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠায় কারা কর্তৃপক্ষ।

বিভিন্ন কারণে আলোচিত যুব মহিলা লীগের বহিষ্কৃত নেত্রী শামীমা নূর পাপিয়াকে গ্রেপ্তারের পর গাজীপুরের কাশিমপুর কারা কমপ্লেক্সের অভ্যন্তরে কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারে রাখা হয়। তিনি অপরাধ কার্যক্রম শুরু করেন কারাগারের ভেতর। সেখানে তার কর্তৃত্ব বিস্তারে গড়ে তোলেন অনুগত বাহিনী। কারাগারে বন্দি ও অন্য নারীদের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিতেন তাদের টাকা-পয়সা ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র। তাদের ওপর চালাতেন অমানুষিক নির্যাতন। নির্যাতনে বাধা দিলেই মাত্রা আরও বেড়ে যেতো। কয়েকজন কারারক্ষী এবং নারী বন্দি তার এসব কাজে সহযোগিতা করতো।

চস/স

Latest Posts

spot_imgspot_img

Don't Miss