spot_img

১৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, বৃহস্পতিবার
৩০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক

সর্বশেষ

‘এমভি আবদুল্লাহ’র আমিরাত পৌঁছাতে এক সপ্তাহ লাগতে পারে

সোমালিয়ার জলদস্যুদের থেকে মুক্তি পাওয়া এমভি আবদুল্লাহ জাহাজটি এখন আরব আমিরাতের দিকে চলেছে।

আজ সোমবার দুপুর পর্যন্ত জাহাজটি সোমালিয়া উপকূল থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত দূরত্ব অতিক্রম করতে পেরেছে।

এখনো উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ নৌ সীমানার মধ্যে থাকায় জাহাজটির জন্য সতর্কতামূলক নিরাপত্তা ব্যবস্থা বহাল আছে। ইতালির নৌ-বাহিনীর একটি ফ্রিগেট জাহাজটিকে পাহারা দিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

জাহাজটি বর্তমানে প্রতি ঘণ্টায় ৮ নটিক্যাল মাইল গতিতে চলছে। আমিরাতে পৌঁছাতে ৬ থেকে ৭ দিন লাগতে পারে। আমিরাতে পৌঁছানোর পর জাহাজে থাকা ৫৫ হাজার টন কয়লা খালাস করা হবে। আর কয়লা খালাসের পর জাহাজটি চট্টগ্রামে চলে আসতে পারে। তখন জিম্মি অবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়া ২৩ নাবিক চাইলে জাহাজ চালিয়ে চট্টগ্রামে আসতে পারে অথবা তারা যদি বিমানে করে দুবাই থেকে চট্টগ্রামে আসতে চায় সেই সুযোগও দেয়া হবে। এসবের সবই নির্ভর করছে নাবিকদের ইচ্ছের ওপর।

রোববার সকাল ৯টারি দিকে এক প্রশ্নের জবাবে ক্যাপ্টেন মেহেরুল করিম গণমাধ্যমকে বলেন, সোমালিয়া থেকে মুক্তির পর জাহাজটি দুবাই বন্দরে যাচ্ছে। আর সেখানে পৌঁছাতে ছয় থেকে সাত দিন সময় লাগতে পারে।

তিনি বলেন, ‘দুবাই থেকে চট্টগ্রামে আসতে প্রায় সাত দিন সময় লাগে। এর সবই নির্ভর করছে নাবিকদের ইচ্ছের ওপর। নাবিকরা নিজে জাহাজ চালিয়ে এলে আমাদের বিকল্প টিম পাঠাতে হবে না।’

উল্লেখ্য, গত ১২ মার্চ মোজাম্বিকের মাপুতো বন্দর থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল হারমিয়া বন্দরে যাওয়ার পথে ভারত মহাসাগরে জলদস্যুদের কবলে পড়ে এমভি আবদুল্লাহ। জাহাজটি জিম্মি করার পর সোমালিয়ার গদভজিরান জেলার জেফল উপকূলের কাছে নিয়ে যায় দস্যুরা। ৯ দিনের মাথায় দস্যুরা প্রথম মুক্তিপণের দাবি জানায়। প্রায় দুই সপ্তাহ দর-কষাকষির পর মুক্তিপণের অঙ্ক চূড়ান্ত হয়।

এর আগে ২০১০ সালে ছিনতাই হওয়া একই কোম্পানির জাহাজ এমভি জাহান মণি ১০০ দিনের মাথায় ছেড়ে দেয় দস্যুরা। সে সময় একইভাবে মুক্তিপণের অর্থ সোমালিয়ার জলদস্যুদের হাতে পৌঁছে দেয়া হয়েছিল।

চস/আজহার

Latest Posts

spot_imgspot_img

Don't Miss