spot_img

২৭শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, বৃহস্পতিবার
১২ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

সর্বশেষ

দক্ষ জনবলের অভাবে এনআইডিতে কিছু ভুল হচ্ছে : আইনমন্ত্রী

প্রয়োজনীয় সংখ্যক দক্ষ টেকনিক্যাল জনবল না থাকায় এবং সময় স্বল্পতার কারণে জাতীয় পরিচয়পত্রে (এনআইডি) প্রাথমিক পর্যায়ে কিছু ভুল-ভ্রান্তি রয়ে গেছে এবং যার অধিকাংশই বানানে ভুল বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী আনিসুল হক।

বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য শামীম হায়দার পাটোয়ারীর প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ তথ্য জানান।

আনিসুল হক বলেন, ২০০৭-০৮ সালে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে এবং বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী, স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সার্বিক সহযোগিতায় নাগরিকদের বায়োমেট্রিক সংগ্রহপূর্বক জাতীয়ভাবে ভোটার ডাটাবেজ গড়ে তোলা হয়। চাহিদা মোতাবেক প্রয়োজনীয় সংখ্যক দক্ষ টেকনিক্যাল জনবল না থাকায় এবং সময় স্বল্পতার কারণে প্রাথমিক পর্যায়ে কিছু ভুল-ভ্রান্তি রয়ে যায়, যার অধিকাংশই বানানজনিত ভুল।

তিনি বলেন, বিভিন্ন পর্যায়ে জাতীয় তথ্য ভান্ডারে পাওয়া ভুলগুলোর বিষয়ে আইন ও বিধি অনুসারে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হলেও বিভিন্ন কারণে অনেকেই যথাসময়ে ওই সুযোগ গ্রহণ করেননি। বর্তমানে জাতীয় পরিচয়পত্র প্রস্তুতের ক্ষেত্রে দেশের নাগরিকরা সচেতন হওয়ায় ভুলের পরিমাণ তুলনামূলক কম। এছাড়া ২০১২ সাল থেকে অদ্যাবধি জাতীয় পরিচয়পত্র প্রস্তুতের সব ক্ষেত্রে ভোটারের নিবন্ধন ফরম (ফরম-২) কেন্দ্রীয় তথ্য ভান্ডারে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। নিবন্ধন ফরমগুলো বিবেচনা করেও দেখা গেছে, এনআইডি সঠিকভাবেই মুদ্রিত হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, সংশোধনের জন্য প্রাপ্ত আবেদনগুলো পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, অধিকাংশ আবেদনই সংশোধনের চাহিদা অনুযায়ী যুক্তিসংগত নয়। ফলে ওই আবেদন নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে প্রমাণপত্র ও দলিলাদি দাখিলসহ ক্ষেত্রবিশেষে সেসব পুনঃতদন্তের প্রয়োজন পড়ে। এসব আবেদন নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে কিছুটা বেশি সময় লাগে।

তিনি বলেন, মাঠপর্যায়ের বিভিন্ন স্তরের নির্বাচন কর্মকর্তাদেরকে এ সেবার সঙ্গে সম্পৃক্ত করে একটি অত্যাধুনিক অনলাইন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম চালু করা হয়েছে (www.services.nidw.gov.bd)। পাশাপাশি অফলাইন ব্যবস্থাও চালু রয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, অনলাইন ব্যবস্থা চালু হলে আবেদনকারী ঘরে বসেই তার এনআইডি কার্ড সংশোধনের আবেদন করতে সক্ষম হচ্ছেন এবং আবেদন কোন পর্যায়ে রয়েছে সেটিও ট্রাকিং করতে পারছেন। এনআইডি সংশোধনের আবেদন যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত হওয়ার পর সংশোধিত কার্ডটি অনলাইনে ডাউনলোডের মাধ্যমে নিজেই প্রিন্ট করতে সক্ষম হচ্ছে। আবেদনকারী সশরীরে সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে গেলেও আবেদন গ্রহণ করা হয়ে থাকে।

চস/স

Latest Posts

spot_imgspot_img

Don't Miss