বছরে সাড়ে চার লাখ কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ের সক্ষমতা সম্পন্ন পতেঙ্গা কন্টেইনার টার্মিনালের (পিসিটি) কার্যক্রম আগামীকাল (২১ জুলাই) চালু হচ্ছে। গত এপ্রিলে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম. শাহজাহান জুলাইয়ে এ টার্মিনাল উদ্বোধনের কথা জানিয়েছিলেন।
বৃহস্পতিবার বন্দরটিতে পরীক্ষামূলকভাবে বাল্ক কার্গোবাহী প্রথম জাহাজ ভেড়ানো হবে। ৩২ একর জায়গার ওপর নির্মিত এ টার্মিনালে বছরে সাড়ে চার লাখ টিইইউস (টুয়েন্টি ফিট ইক্যুইভেলেন্ট ইউনিটস) কনটেইনার হ্যান্ডলিং করা যাবে।
চিটাগাং কনটেইনার টার্মিনাল (সিসিটি), নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালের (এনসিটি) পর চট্টগ্রাম বন্দরের তৃতীয় কনটেইনার টার্মিনাল হিসেবে যাত্রা শুরু করছে এ পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল (পিসিটি)। বন্দরের ১ হাজার ২২৯ কোটি ৫৮ লাখ টাকায় এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়েছে। সেখানে ৬০০ মিটার জেটিতে একসঙ্গে ১৯০ মিটার লম্বা ও সাড়ে ৯ মিটার ড্রাফটের তিনটি কনটেইনার জাহাজ ও ২২০ মিটার লম্বা ডলফিন জেটিতে একটি তেলবাহী জাহাজ ভেড়ানো যাবে।
এছাড়া ১ লাখ ১২ হাজার বর্গমিটার অভ্যন্তরীণ ইয়ার্ড ও রাস্তা, ২ হাজার ১২৮ বর্গমিটার কনটেইনার ফ্রেইট স্টেশন (সিএফএস) শেড, ২ হাজার ৫০০ মিটার রেলওয়ে ট্র্যাক, ৪২০ মিটার ফ্লাইওভার, ৪ লেনবিশিষ্ট পৌনে ১ কিলোমিটার ও ৬ লেনবিশিষ্ট ১ কিলোমিটার রাস্তা স্থানান্তরপূর্বক পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে এ প্রকল্পের আওতায়।
২০১৭ সালের জুলাই মাসে প্রকল্পের কাজ শুরুর কথা থাকলেও প্রকল্প এলাকার বিভিন্ন স্থাপনা সরানো নিয়ে জটিলতার কারণে তা পিছিয়ে যায়। নির্দিষ্ট সময়ের প্রায় সাত মাস পর ২০১৮ সালের ২০ জানুয়ারি সেনাবাহিনীর কাছে প্রকল্পের সাইট হস্তান্তর করা হয় এবং ফেব্রুয়ারি থেকে পতেঙ্গা প্রকল্পের কাজ শুরু হয়।
২০২১ সালের জুনে প্রকল্প শেষ করে অপারেশনে যাওয়ার কথা থাকলেও কাজ শুরু করতে বিলম্বের কারণে তা হয়নি। পরবর্তীকালে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়িয়ে সর্বশেষ চলতি বছর জুন মাসের মধ্যে প্রকল্প শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ হয়েছিল।
চস/স


