spot_img

২৪শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, মঙ্গলবার
৭ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

সর্বশেষ

মেসি-এমবাপের গোলে শীর্ষে পিএসজি

নিজেদের মাঠে শনিবার (১ অক্টোবর) রাতে লিগ ম্যাচে নিসকে ২-১ গোলে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে এসেছে ফ্রেঞ্চ জায়ান্ট প্যারিস সেইন্ট জার্মেই (পিএসজি)।

ম্যাচের ২৮ মিনিটে মেসির গোলে স্বাগতিকরা লিড নিলেও ধরে রাখতে পারেনি বেশি সময়। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই সমতা ফেরায় নিস। পরে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে নেমে এমবাপের গোলে জয় নিশ্চিত হয়ে যায় ক্রিস্তফ গালতিয়র শীর্ষদের। এ জয়ে লিগ ওয়ানের পয়েন্ট টেবিলে শীর্ষে ফিরল চ্যাম্পিয়নরা।

আক্রমণভাগে মেসি ও নেইমারের সঙ্গে এই ম্যাচে শুরুর একাদশে সুযোগ পান ফরাসি স্ট্রাইকার উগো একিতিকে। এমবাপেকে রাখা হয়েছিল বেঞ্চে।

বল দখলে পিএসজি এগিয়ে থাকলেও শুরুতে সুযোগ তৈরি করতে পারছিল না কেউই। অবশেষে ২৮তম মিনিটে স্বাগতিকদের এগিয়ে নেন মেসি। ডি-বক্সের বাইরে বিপজ্জনক জায়গায় ফাউলের শিকার হওয়ার পর নিজেই দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন মেসি। তার বাঁ পায়ের বাঁকানো নিখুঁত শট জড়ায় জালে। প্রতিপক্ষ গোলরক্ষক ক্যাসপার স্মেইকেলের তাকিয়ে দেখা ছাড়া আর কিছুই করার ছিল না। ৩৭তম মিনিটে আরেকটি ফ্রি-কিক পায় পিএসজি। এবার নেইমারের শট ক্রসবারের ওপর দিয়ে উড়ে যায়। বিরতির আগে বক্সের বাইরে থেকে মেসির শটে বল ক্রসবারের ওপর দিয়ে পাঠান স্মাইকেল।

দ্বিতীয়ার্ধের দ্বিতীয় মিনিটেই সমতা ফেরে নিস। ডান দিক থেকে সতীর্থের পাস ছয় গজ বক্সে পেয়ে ডান পায়ের শটে জালে পাঠান ফরাসি ফরোয়ার্ড লাবোর্দে। ৫৯তম মিনিটে একিতিকে-কে তুলে এমবাপেকে নামান পিসজিগ বস ক্রিস্তফ গালতিয়ে।

লিড পুনরুদ্ধারে নিসের ওপর চাপ বাড়ায় পিএসজি। ৭০তম মিনিটে দারুণ একটি সুযোগ পান দ্বিতীয়ার্ধে বদলি নামা নুনো মেন্দেস। মেসির পাস ডি-বক্সে ভালো পজিশনে পেয়েছিলেন পর্তুগিজ ডিফেন্ডার, সামনে একমাত্র বাধা ছিল গোলরক্ষক। কিন্তু তার শট এগিয়ে এসে রুখে দেন স্মাইকেল।

আসরে দ্বিতীয়বার পয়েন্ট হারানোর হাত থেকে রক্ষা হয় এমবাপের পায়ে। নির্ধারিত সময়ের সাত মিনিট বাকি থাকতে জয়সূচক গোলটি করেন তিনি।

চস/এস

Latest Posts

spot_imgspot_img

Don't Miss