চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মাণাধীন ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের দক্ষিণ টিউবের কাজের সমাপ্তি ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
আজ (২৬ নভেম্বর) প্রথম টানেলের কাজের এই সমাপ্তি উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, সিনিয়র সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া প্রমুখ।
এছাড়াও পতেঙ্গায় টানেলস্থলে আয়োজিত মূল অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, পানি সম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল আলম চৌধুরী নওফেল, চীনা রাষ্ট্রদূত লি জিন মিং, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী, চট্টগ্রামের সংসদ সদস্য শামসুল হক চৌধুরী, সেতু বিভাগের সচিব মনজুর হোসেন ও প্রকল্প পরিচালক হারুনুর রশীদসহ স্থানীয় গণমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
বিশাল এই কর্মযজ্ঞ শেষ হওয়া উদযাপনে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের পর মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হয়।
বঙ্গবন্ধু টানেল প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, মূল টানেলের দৈর্ঘ্য ৩ দশমিক ৩২ কিলোমিটার। এর মধ্যে টানেলের প্রতিটি সুড়ঙ্গের দৈর্ঘ্য ২ দশমিক ৪৫ কিলোমিটার। দুই সুড়ঙ্গে দুটি করে মোট চারটি লেন থাকবে। মূল টানেলের সঙ্গে পশ্চিম ও পূর্ব প্রান্তে ৫ দশমিক ৩৫ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক থাকবে। যার ৯৯ শতাংশ কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।
প্রসঙ্গত, চীনের সহযোগিতায় কর্ণফুলীতে দেশের প্রথম এ টানেল নির্মিত হচ্ছে। ১০ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন আছে মেগা প্রকল্পটি। এখন চলছে টানেলের ভেতরে ফায়ার ফাইটিং, লাইটিং ও কন্ট্রোল ব্যবস্থাপনার কাজ।
চস/স


