গত আসরে ইন্টার মিলানকে উড়িয়ে দিয়ে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের স্বাদ পেয়েছিল পিএসজি। এবার অদম্য আর্সেনালের রক্ষণভাগে চিড় ধরাতে ঘাম ঝরেছিল তাদের। তবে শেষ পর্যন্ত অতিরিক্ত সময় পেরিয়ে টাইব্রেকারের স্নায়ুযুদ্ধে ৪-৩ ব্যবধানে জিতে টানা দ্বিতীয়বার ইউরোপ চ্যাম্পিয়ন হলো ফরাসি জায়ান্টরা। বিপরীতে, ক্লাব ইতিহাসে দ্বিতীয়বার ফাইনালে উঠেও আর্সেনালকে পুড়তে হলো স্বপ্নভঙ্গের বেদনায়।
ঠিক ২০ বছর আগে, ২০০৬ সালে বার্সেলোনার বিপক্ষে খেলা একমাত্র ফাইনালের মতোই এবারও শুরুতেই লিড নিয়েছিল গানার্সরা। মার্কিনহোসের একটি ভুল ক্লিয়ারেন্স লিয়ান্দ্রো ট্রোসার্ডের গায়ে লেগে চলে আসে কাই হাভার্টজের সামনে। মাঝমাঠ থেকে একা বল টেনে নিয়ে দুরূহ কোণ থেকে জোরালো শটে জাল কাঁপান এই জার্মান ফরোয়ার্ড।
তবে দুই দশক আগের সেই ফাইনালের ভূত যেন আবার তাড়া করল আর্সেনালকে। দ্বিতীয়ার্থের প্রায় এক ঘণ্টা ধরে শিরোপাধারীদের আটকে রাখার পর ভেঙে পড়ে গানার্সদের রক্ষণ। পেনাল্টি বক্সে পিএসজির খভিচা কভারাতসখেলিয়াকে ফাউল করেন ক্রিসথিয়ান মস্কেরা। ভিএআর চেকের পর পেনাল্টি থেকে ডেভিড রায়াকে পরাস্ত করে পিএসজিকে সমতায় ফেরান উসমান দেম্বেলে।
অতিরিক্ত সময়েও সমতা না ভাঙায় ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানে পিএসজির হয়ে গন্সালো রামোস, দুয়ে, হাকিমি ও লুকাস বেরালদি লক্ষ্যভেদ করেন, মিস করেন নুনো মেন্ডেজ। অন্যদিকে, আর্সেনালের এবেরেচি এজে গোলপোস্টের বাইরে মারেন এবং গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েস বল ক্রসবারের ওপর দিয়ে উড়িয়ে দিলে উল্লাসে মাতে পিএসজি।
২২ বছর পর প্রিমিয়ার লিগ জিতে খরা কাটালেও আর্সেনালের প্রথম ইউরোপীয় মুকুট জেতার অপেক্ষা আরও দীর্ঘ হলো। অন্যদিকে, ১৯৯২ সালে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নতুন নামকরণের পর রিয়াল মাদ্রিদের পর দ্বিতীয় দল হিসেবে শিরোপা ধরে রাখার কীর্তি গড়ল পিএসজি। সব মিলিয়ে, ইউরোপীয় কাপের ইতিহাসে তারা ১০ম দল হিসেবে টানা দুটি শিরোপা জেতার গৌরব অর্জন করল।
চস


