spot_img

১৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, মঙ্গলবার
৩০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক

সর্বশেষ

শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের সহযোগী ‘ডেভিড ইমন’ গ্রেপ্তারের তথ্য সঠিক নয়: পুলিশ

চট্টগ্রাম নগরীর শীর্ষ সন্ত্রাসী ও ‘বড় সাজ্জাদের’ সহযোগী মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ‘ডেভিড ইমনের’ গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়লেও, গ্রেপ্তার ব্যক্তি সেই কুখ্যাত সন্ত্রাসী নন বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

সোমবার (২২ জুন) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ডেভিড ইমন গ্রেপ্তারের তথ্য ছড়িয়ে পড়ে। প্রকৃতপক্ষে, চট্টগ্রামের রাউজানে মোহাম্মদ ইমন নামে অন্য এক ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সোমবার রাতে ফেসবুকে একটি ভাইরাল ফটোকার্ডে দাবি করা হয় যে শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনকে ঢাকার গুলশান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কিছু তথ্যে বলা হয়েছিল, সিএমপি কমিশনারের নির্দেশনায় গুলশানের ‘আমারি ঢাকা’ হোটেলের ৯১ নম্বর কক্ষ থেকে তাকে আটক করা হয়। তবে সিএমপির পক্ষ থেকে এই তথ্যকে ‘ভুয়া’ এবং ‘ষড়যন্ত্র’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ‌‘ডেভিড ইমনকে’ গ্রেপ্তার করিনি। আমাদের গুলশানে অভিযান ছিল। তবে ইমন নামে কাউকেই গ্রেপ্তার করা হয়নি।’

পুলিশ বলছে, যাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তিনি রাউজানের ২ নম্বর ডাবুয়া ইউনিয়ন ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মোহাম্মদ ইলিয়াসের ছেলে মোহাম্মদ ইমন। তিনি একটি সিআর মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি এবং তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল।

গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, তাকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

প্রকৃত শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ইমনের বাড়ি চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগর এলাকায়। তিনি ২০২৫ সালের বাকলিয়া জোড়া খুন এবং পতেঙ্গায় ‘ঢাকাইয়া আকবর’ হত্যাসহ অন্তত সাতটি মামলার আসামি। গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, তিনি বিদেশে অবস্থানরত শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলীর পক্ষে চট্টগ্রামে অপরাধী চক্র পরিচালনা করেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার অবস্থান দুবাই দেখানো হলেও তাকে নিয়ে নানা গুঞ্জন রয়েছে।

সিএমপির সহকারী কমিশনার (গণমাধ্যম) আমিনুর রশীদ বলেন, ‘রাতে একটি ফটোকার্ড ছড়ানো হয়েছে যা মিথ্যা। আমি সরাসরি কমিশনারকে জিজ্ঞেস করেছি। তিনি সত্য নয় বলে জানিয়েছেন।’

সন্ত্রাসী ইমনকে সরিয়ে দেওয়ার বা বিভ্রান্তি তৈরির জন্য এটি একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র হতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ।

সুতরাং, রাউজানে গ্রেপ্তার হওয়া ইমনের সাথে শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনের কোনো সম্পর্ক নেই। নামের মিল থাকায় এই বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

চস/স

Latest Posts

spot_imgspot_img

Don't Miss