spot_img

৬ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, বৃহস্পতিবার
২২শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ডেস্ক রিপোর্ট

সর্বশেষ

কক্সবাজারে সৈকতে আরও এক মরদেহ উদ্ধার, নিহত বেড়ে ৪

কক্সবাজার সৈকতে গোসলে নেমে নিখোঁজ ৫ পর্যটকের মধ্যে আরও একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো চারজনে। এ ঘটনায় এখনো একজন নিখোঁজ রয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে ওই পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। দুর্ঘটনাস্থল থেকে অদূরের সৈকতে ভেসে আসা মরদেহটি চট্টগ্রামের বায়েজিদ এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ কবিরের ছেলে মোহাম্মদ হারুনের বলে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করেছেন তার স্বজনেরা।

এর আগে বুধবার বিকেলে হিমছড়ি এলাকার মারিনা রিসোর্টের পাশের সৈকতে এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনার পরপর তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তারা হলেন ঢাকার উত্তরার দিয়াবাড়ির বাসিন্দা রোহান (২৩) ও শহীদুল ইসলাম জিসান (২৩) এবং চট্টগ্রামের বায়েজিদ শার্সা এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ আকাশ (২১)। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ঢাকার আজিমপুরের বাসিন্দা নাফিসুল হক নিবিড় (২২)।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মস জিল্লুর রহমান বলেন, পর্যটকদের দুটি পৃথক দল হিমছড়ির পেঁচারদ্বীপ জাদুঘর-সংলগ্ন রেজু খাল পেরিয়ে সমুদ্র ও খালের মোহনায় জেগে ওঠা একটি বালুচরে বেড়াতে যায়। বিকেলের দিকে সাগরে পূর্ণ জোয়ার শুরু হলে ধীরে ধীরে বালুচরটি পানিতে তলিয়ে যায়। কিন্তু পর্যটকেরা বিষয়টি বুঝতে পারেননি। একপর্যায়ে পুরো চরটি পানির নিচে চলে গেলে দুই দলের সদস্যরা সাগরের পানিতে আটকা পড়েন বলে জানান তিনি।

ইউএনও আরও বলেন, খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন দ্রুত এগিয়ে এসে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। তারা চট্টগ্রাম থেকে আসা পর্যটক দলের তিন সদস্যকে জীবিত উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান এবং পরে তল্লাশি চালিয়ে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে উদ্ধার হয় আরও একজনের মরদেহ।

জীবিত উদ্ধার হওয়া তিনজন হলেন চট্টগ্রামের বায়েজিদ এলাকার মৃত আবুল কালামের ছেলে রাকিব হাসান, একই এলাকার মৃত ছগিরের ছেলে মো. সানী এবং বায়েজিদে বসবাসকারী নোয়াখালীর বাসিন্দা মো. হেলালের ছেলে মোহাম্মদ আকাশ। তারা কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সানী ও আকাশ জানান, বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ট্রেনে করে তারা কক্সবাজারে পৌঁছান। এরপর পেঁচারদ্বীপে আগে থেকে বুকিং করা একটি রিসোর্টে ওঠেন। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তারা রেজু খাল পেরিয়ে ওই বালুচরে যান। একই সময়ে ঢাকা থেকে আসা আরেকটি পর্যটক দলও সেখানে অবস্থান করছিল। হঠাৎ জোয়ারের পানি বেড়ে যাওয়ায় তারা বিপদের মুখে পড়েন।

কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন বলেন, নিহত চারজনের মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে, নিখোঁজ একজনের সন্ধানে তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

চস/স

Latest Posts

spot_imgspot_img

Don't Miss