রাজধানীর তেজগাঁও ও গাজীপুরের বাসন থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা মামলায় ‘শিশুবক্তা’ রফিকুল ইসলামকে জামিন দেননি হাইকোর্ট।
সোমবার (২২ নভেম্বর) তার করা জামিন আবেদন খারিজ করেছেন হাইকোর্টের বিচারপতি মো. হাবিবুল গণি ও বিচারপতি মো. রিয়াজ উদ্দিন খানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ।
মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট আশরাফ আলী মোল্লা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
অ্যাডভোকেট আশরাফ আলী মোল্লা জানান, ময়মনসিংহের কোতোয়ালী থানায় বিস্ফোরক আইনে দায়ের করা মামলায় রফিকুল ইসলাম হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন। হাইকোর্টের একই বেঞ্চে তার বিরুদ্ধে দায়ের করা গাজীপুরের বাসন থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় জামিন দেননি।
আদালতে এদিন রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ (এসকে) মোরশেদ। রফিকুল ইসলামের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট আশরাফ আলী মোল্লা ও ব্যারিস্টার তানজিলা ইসলাম।
এর আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের একই বেঞ্চ বিস্ফোরক আইনে ময়মনসিংহের কোতোয়ালী থানায় দায়ের করা মামলায় রফিকুল ইসলামের জামিন দিয়েছিলেন।
রফিকুল ইসলাম এখন কামিশপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন। এর আগে গত ২৪ এপ্রিল দুপুরে তাকে কাশিমপুরে পাঠানো হয়।
রাষ্ট্রবিরোধী উসকানিমূলক ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্য এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে গত ৭ এপ্রিল রাত সাড়ে ৩টার দিকে রফিকুলকে নেত্রকোণার নিজ বাড়ি থেকে আটক করে র্যাব। ওই সময় তার কাছ থেকে চারটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। এরপর রফিকুল ইসলাম মাদানীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন জায়গায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একাধিক মামলাসহ কয়েকটি মামলা করা হয়।
গত ১১ এপ্রিল রফিকুল ইসলাম মাদানীর বিরুদ্ধে গাজীপুরের বাসন থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করা হয়। তার বিরুদ্ধে মারাত্মক মিথ্যা, ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে মানহানিকর তথ্য প্রকাশ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি করার মতো অপরাধে সহায়তার অভিযোগ আনা হয়েছে।
গাজীপুরের টেকনাগপাড়া এলাকার মো. মোস্তাফিজুর রহমান নামের এক ব্যক্তি বাদী হয়ে মামলাটি করেন। একই অভিযোগে রাজধানীর তেজগাঁও থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করে পুলিশ।
চস/স