সারাদেশের মতো চট্টগ্রামেও চলছে গণটিকাদান কার্যক্রম। এ কার্যক্রমের আওতায় ৪ লাখ মানুষকে টিকা দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগ। আজ টিকা নিতে সকাল ৭টা থেকেই মানুষের দীর্ঘ লাইন শুরু হয়।
শনিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে চট্টগ্রামের ১৪ উপজেলাসহ নগরের ৪১টি ওয়ার্ডে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়। তবে উপজেলাগুলোতে সুষ্ঠুভাবে কার্যক্রম শুরু হলেও নগরের কেন্দ্রগুলোতে দেখা গেছে অব্যবস্থাপনা।
জানা যায়, নগরের ৪১টি ওয়ার্ডে ২০৫টি অস্থায়ী কেন্দ্রে একযোগে টিকা প্রদান করা হচ্ছে। এছাড়া ১৭টি নিয়মিত কেন্দ্রেও টিকা দেয়া হচ্ছে সাধারণ মানুষদের। অন্যদিকে উপজেলা পর্যায়েও প্রায় ৩ শতাধিক কেন্দ্রে টিকা প্রদান করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। ১২ থেকে শুরু করে তদূর্ধ্ব বয়সী সকলকেই এ টিকা প্রদান করা হচ্ছে। তবে এ জন্য প্রয়োজন হচ্ছে না কোন নিবন্ধনেরও। শুধুমাত্র নাম, বয়স আর মোবাইল নম্বর দিয়েই যে টিকা গ্রহণ করছেন প্রত্যাশীরা।
চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী জানান, প্রায় ৪ লাখ মানুষকে টিকা প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে টিকাদান কার্যাক্রম শুরু করা হয়েছে। তবে কাউকে টিকাবিহীন বাড়ি ফিরে যেতে হবে না। আমাদের কাছে যথেষ্ট টিকা মজুদ আছে।

এদিকে গণটিকাদান কার্যক্রম পরিদর্শনের অংশ হিসেবে নগরের লালদিঘীর পাড় কেন্দ্র পরিদর্শন করেন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন অনুবিভাগ) সাবিনা ইয়াসমিন, অতিরিক্ত সচিব (বাজেট অনুবিভাগ) রাশেদা আক্তার, চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. হাসান শাহরিয়ার কবীর, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী। এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আকতার চৌধুরী ও স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর জহর লাল হাজারী।

অতিথিরা চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম হাসান, উপ-পরিচালক ডা. অংসুই প্রু মারমা, সহকারী পরিচালক ডা. রাজিব পালিত এবং ডা. শাহিদা আক্তার।


