spot_img

৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, সোমবার
২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

সর্বশেষ

কনটেইনার পরিবহনে তিন ধাপ পেছাল চট্টগ্রাম বন্দর

কনটেইনার পরিবহনে তিন ধাপ পিছিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর। চট্টগ্রাম বন্দর এখন বিশ্বের ৬৭তম ব্যস্ততম বন্দর। এক বছর আগের তালিকায় ৬৪তম অবস্থানে ছিল এই বন্দর।

লন্ডনভিত্তিক শিপিংবিষয়ক বিশ্বের সবচেয়ে পুরোনো সংবাদমাধ্যম লয়েডস লিস্ট গত বৃহস্পতিবার (২৭ জুলাই) রাতে তালিকাটি প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। ২০২২ সালে বন্দরগুলোর কনটেইনার পরিবহনের সংখ্যা হিসাব করে সেরা ১০০ বন্দরের এই তালিকা প্রকাশ করে সংস্থাটি।

লয়েডস লিস্টের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে ৩১ লাখ ৪২ হাজার ৫০৪ একক কনটেইনার পরিবহন হয়েছে। ২০২১ সালে এই সংখ্যা ছিল ৩২ লাখ ১৪ হাজার একক।

তালিকায় দেখা গেছে, চট্টগ্রাম বন্দরের আগে অবস্থান করা ৬৬ নম্বর পর্যন্ত ২০টির দখলে চায়নার বিভিন্ন বন্দর। তালিকার শীর্ষে রয়েছে চায়নার সাংহাই বন্দর। গত বছর এ বন্দরে ৪ কোটি ৭৩ লাখ ৩ হাজার একক পণ্য পরিবহন হয়েছিল।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে সিঙ্গাপুর এবং তৃতীয় অবস্থানে আছে চায়নার নিংবো জোওসাংন বন্দর। চতুর্থ, পঞ্চম ও ষষ্ঠ স্থানে আছে চায়নার সেনজেন, কিংদাও ও জুয়াংজও বন্দর। সপ্তমে সাউথ কোরিয়ার বুসান বন্দরের পর অষ্টমে আবারো চায়না জায়গা দখল করে নেয়।

সূত্র জানিয়েছে, বিশ্বের কন্টেনার হ্যান্ডলিংকারী বন্দরগুলোর পুরো বছরের কন্টেনার হ্যান্ডলিং কার্যক্রমের উপর ভিত্তি করে প্রতিবছর একটি তালিকা প্রকাশ করে লন্ডনভিত্তিক বিশ্বের প্রাচীনতম শিপিং জার্নাল লয়েডস লিস্ট। বিশ্বের শিপিং সেক্টরে এই তালিকাকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেয়া হয়।

চট্টগ্রাম বন্দর প্রথমবারের মতো এই তালিকায় ঠাঁই পায় ২০১৪ সালে। ওই বছর বিশ্বের একশ ব্যস্ততম বন্দরের মাঝে চট্টগ্রাম বন্দরের অবস্থান ছিল ৮৬তম। ২০১৫ সালে ৮৭ তম, ২০১৬ সালে ৭৬তম, ২০১৭ সালে ৭১ তম, ২০১৮ সালে ৭০তম, ২০১৯ সালে ৬৪তম, ২০২০ সালে ৫৮ অবস্থান ছিল চট্টগ্রাম বন্দরের। টানা সাত বছর ক্রমান্বয়ে অগ্রসর হলেও ২০২১ সালে এসে চট্টগ্রাম বন্দর হুট করে পিছিয়ে যায়।

করোনাকালে আমদানি রপ্তানি বাণিজ্য মোটামুটি মুখ থুবড়ে পড়ায় চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম ব্যাহত হয়। যার প্রভাব পড়ে তালিকায়। ২০২১ সালেও এর রেশ থেকে যায়। চট্টগ্রাম বন্দর তালিকার ৬৭তম স্থানে চলে যায়। ২০২২ সালে বন্দর অবস্থান নেয় ৬৪তম স্থানে। এবার আবারো তিন ধাপ পিছিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের অবস্থান চলে গেছে ৬৭তম স্থানে।

প্রসঙ্গত, চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে ২৭ শতাংশ পণ্য কনটেইনারে আনা-নেয়া হয়। বাকি ৭৩ শতাংশ আনা-নেয়া হয় কনটেইনারবিহীন সাধারণ জাহাজে।

চস/স

Latest Posts

spot_imgspot_img

Don't Miss