spot_img

২৭শে পৌষ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, রবিবার
১১ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক

সর্বশেষ

ডিসেম্বরের আট দিনেই রেমিট্যান্স এসেছে ১ বিলিয়ন ডলার

চলতি ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই প্রবাসী আয়ের প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। মাসের প্রথম আট দিনে এসেছে ১ বিলিয়ন বা ১০০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স। এ ধারা অব্যাহত থাকলে ডিসেম্বর শেষে প্রবাসী আয় ৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি ছুঁতে পারে বলে আশাবাদ করা হচ্ছে। এতে নতুন অর্থবছরের শুরুতেই সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক ধারা দেখা যাচ্ছে।

রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ায় ব্যাংকিং চ্যানেলে ডলারের সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গেছে। বাজারে এ উদ্বৃত্ত পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং বৈদেশিক মুদ্রার যোগান–চাহিদার ভারসাম্য বজায় রাখতে ১৩টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ২০ কোটি ২০ লাখ ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মাল্টিপল প্রাইস অকশন (এমপিএ) পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত এ ক্রয়ে প্রতি ডলারের মূল্য ছিল ১২২ টাকা ২৭ পয়সা থেকে ১২২ টাকা ২৯ পয়সা। সব মিলিয়ে চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মোট ডলার ক্রয় দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৫১৪ মিলিয়ন বা আড়াই বিলিয়ন ডলার।

মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এসব তথ্য গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ১ থেকে ৮ ডিসেম্বর দেশে এসেছে ১০০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স। এর মধ্যে শুধু ৮ ডিসেম্বরই এসেছে ১৩ কোটি ১০ লাখ ডলার। গত বছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ৮৩ কোটি ১০ লাখ ডলার। ফলে প্রবাসী আয় বেড়েছে ২১ শতাংশ।

চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রবাসী বাংলাদেশিরা পাঠিয়েছেন ১ হাজার ৪০৪ কোটি ডলার। গত বছরের একই সময়ে এই অঙ্ক ছিল ১ হাজার ১৯৬ কোটি ডলার। এতে প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ১৭ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, হুন্ডি প্রতিরোধে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের যৌথ উদ্যোগ, প্রণোদনা সুবিধা এবং ব্যাংকিং চ্যানেলের উন্নতি রেমিট্যান্স বৃদ্ধির ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রেখেছে। এতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

সদ্য সমাপ্ত নভেম্বর মাসে প্রবাসী আয় এসেছে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ডলার। টাকায় যার পরিমাণ প্রায় ৩৫ হাজার ২৫২ কোটি (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে)।

চস/স

Latest Posts

spot_imgspot_img

Don't Miss