spot_img

৩রা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, মঙ্গলবার
১৭ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক

সর্বশেষ

ফেব্রুয়ারির প্রথম ২২ দিনে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়লো ২৮.৪ শতাংশ

ফেব্রুয়ারির প্রথম ২২ দিনে দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক-এর সর্বশেষ প্রকাশিত তথ্যে দেখা যায়, ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম ২২ দিনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা মোট ২ হাজার ৪৭৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার দেশে পাঠিয়েছেন। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এ প্রবাহ ২৮ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি। ২০২৪ সালের একই সময়ে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৯৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

চলতি অর্থবছরের ধারাবাহিকতায়ও রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক ধারা বজায় রয়েছে। অর্থবছরের শুরু জুলাই থেকে ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২১ হাজার ৯১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এ পরিমাণ ছিল ১৭ হাজার ৮৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। অর্থাৎ বছরওয়ারি হিসাবে কয়েক বিলিয়ন ডলারের প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে, যা বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য রক্ষায় বড় ভূমিকা রাখছে।

রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধির প্রভাব সরাসরি পড়ছে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে, বর্তমানে দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ৮৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তবে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসারে হিসাব করলে রিজার্ভের পরিমাণ কিছুটা কম দেখানো হয়। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল-এর ব্যালেন্স অব পেমেন্টস অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট পজিশন ম্যানুয়াল (বিপিএম-৬) পদ্ধতি অনুযায়ী নিট রিজার্ভ বর্তমানে ৩০ দশমিক ১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ তথ্য জানায়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে প্রবাসীদের বৈধ চ্যানেলে অর্থ পাঠানোর প্রবণতা বৃদ্ধি, হুন্ডি প্রতিরোধে নজরদারি জোরদার এবং প্রণোদনা অব্যাহত রাখার ফলে রেমিট্যান্স প্রবাহে এই গতি তৈরি হয়েছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি রফতানি আয় যদি ইতিবাচক ধারায় অব্যাহত থাকে, তবে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাতে পারে। এতে আমদানি ব্যয় পরিশোধ, বৈদেশিক ঋণের কিস্তি পরিশোধ এবং বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখতে সহায়ক পরিবেশ তৈরি হবে। সার্বিকভাবে, রেমিট্যান্সের এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা দেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

চস/স

Latest Posts

spot_imgspot_img

Don't Miss