spot_img

২রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, শুক্রবার
১৬ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

সর্বশেষ

বাংলা চলচ্চিত্রের রাজপুত্র সালমান শাহ’র জন্মদিন আজ

বাংলা চলচ্চিত্রের রাজপুত্র। মৃত্যুর দুই যুগ পরেও আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা। মাত্র চার বছর চলচ্চিত্রে কাজ করে সাফল্য অর্জন। স্বল্পদৈর্ঘ্য ক্যারিয়ার এখনও পূর্ণদৈর্ঘ্য হয়ে আছে রূপালি ভুবনে। ঢালিউডের নক্ষত্র সালমান শাহ বেঁচে থাকলে আজ ৫১ পেরিয়ে ৫২ বছরে পা দিতেন।

ফেসবুকে সালমান শাহকে নিয়ে বিভিন্নভাবে আবেগ প্রকাশ করছেন তার ভক্ত ও শোবিজ অঙ্গনের তারকারা। জানাচ্ছেন শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। দিনটিকে স্মরণে ছোটখাট অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন ভক্তরা।

সালমান শাহের জন্ম ১৯৭১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর সিলেটের দাড়িয়াপাড়ায়। বাবার নাম কমরউদ্দিন চৌধুরী। মায়ের নাম নীলা চৌধুরী। পরিবারের বড় ছেলে সালমানের ডাক নাম শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন। তবে চলচ্চিত্রে তিনি সবার কাছে সালমান শাহ নামেই পরিচিত ছিলেন।

মাত্র চার বছরের ক্যারিয়ারে ২৭টি সিনেমায় অভিনয় করেছেন সালমান শাহ। তার অভিনীত সিনেমাগুলোর মধ্যে অন্যতম ‘অন্তরে অন্তরে’, ‘সুজন সখী’, ‘স্বপ্নের নায়ক’, ‘স্বপ্নের ঠিকানা’, ‘চাওয়া থেকে পাওয়া পাওয়া’, ‘জীবন সংসার’, ‘প্রেম প্রিয়াসী’, ‘সত্যের মৃত্যু নেই’, ‘মায়ের অধিকার’, ‘এই ঘর এই সংসার’, ‘তোমাকে চাই’, ‘আনন্দ অশ্রু’, ‘বুকের ভেতর আগুন’ ইত্যাদি।

সালমান শাহের সঙ্গে চিত্রনায়িকা শাবনূরের জুটি ছিল সবচেয়ে জনপ্রিয়। বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে সবচেয়ে সেরা জুটিও বলেন ভক্তরা। এই জুটির প্রতিটি ছবিই সুপারহিট। তাদের পর্দার রসায়ন ছিল নজরকাড়া। বাস্তব জীবনের রসায়ন নিয়েও তুমুল আলোচনা হতো। সালমান শাহের সঙ্গে শাবনূরের সে সময়কার সম্পর্ক নিয়ে এখনো কম-বেশি চর্চা হয়।

সালমান শাহের জন্মদিনে শাবনূর তার ফেসবুকে এক আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়েছেন, ‘অমর নায়ক সালমানের জন্মদিন, ওপারে ভালো থেকো প্রিয়, তোমার শূন্যতা ঢালিউড প্রতিনিয়ত টের পাচ্ছে’ তুমি ছিলে যুগের থেকেও এগিয়ে!

ভক্তরা মনে করেন, অল্প সময়ের জন্য এসেছিলেন বলেই এত দ্যুতি ছড়াতে পেরেছিলেন সালমান, কেটে গেছেন দাগ। যে দাগ তার প্রস্থানের টানা এত বছর পরেও সমুজ্জ্বল। তার অনুপস্থিতি আর অকাল প্রস্থান আজও পোড়াচ্ছে বাঙালির মন। তাকে বলা হয় ৯০ দশকের শ্রেষ্ঠ নায়ক।

চলচ্চিত্রে অভিষেকের আগের বছর অর্থাৎ ১৯৯২ সালের ১২ আগস্ট তার খালার বান্ধবীর মেয়ে সামিরা হককে বিয়ে করেন সালমান শাহ। সামিরা ছিলেন বিউটি পার্লার ব্যবসায়ী। তিনি সালমানের দু’টি চলচ্চিত্রে তার পোশাক পরিকল্পনাকারী হিসেবেও কাজ করেন।

দাম্পত্য জীবনের পাঁচ বছরের মাথায় ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর হঠাৎই সালমানের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে। এদিন ঢাকার ইস্কাটনে নিজ বাসার সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে ‘আত্মহত্যা’ বলে উল্লেখ করা হলেও তার মৃত্যু নিয়ে এখনো রহস্য রয়ে গেছে।

চস/আজহার

Latest Posts

spot_imgspot_img

Don't Miss