spot_img

৪ঠা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, রবিবার
১৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

১০ গোলের রোমাঞ্চকর ম্যাচে ফ্রান্সকে হারিয়ে বিশ্বকাপের তৃতীয় ইংল্যান্ড

নকআউট পর্বের আক্ষেপ আর সমালোচনাকে পেছনে ফেলে মিয়ামি স্টেডিয়ামে ইতিহাস গড়ল ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স। টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা দুই হেভিওয়েটের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচটি রূপ নিয়েছিল এক অবিশ্বাস্য গোলবন্যা ও রেকর্ডের মহাকাব্যে। ৬৪,৪৭৮ জন দর্শকের সামনে ফ্রান্সকে ৬-৪ গোলে হারিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে থ্রি লায়ন্সরা। ১৯৬৬ সালের পর ছেলেদের ফুটবলে এবং বিদেশের মাটিতে এটাই ইংলিশদের ইতিহাসের সেরা সাফল্য।

ম্যাচের শুরু থেকেই ফরাসি রক্ষণভাগকে খড়কুটোর মতো উড়িয়ে দেয় ইংল্যান্ড। প্রথমার্ধেই ৪-০ গোলে এগিয়ে গিয়ে ম্যাচ একরকম পকেটে পুরে নেয় গ্যারেথ সাউথগেটের শিষ্যরা। ৩ মিনিটে ডেক্লান রাইসের গোলের পর, ১৮ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন এজেরি কনসা। এরপর শুরু হয় বুকায়ো সাকার ম্যাজিক। ৩৭ ও ৪৫+১ মিনিটে জোড়া গোল করে ফ্রান্সকে স্তব্ধ করে দেন এই আর্সেনাল ফরোয়ার্ড। ১৯৩০ সালের পর এই প্রথম প্রথমার্ধেই ৪ গোলে পিছিয়ে পড়ার তিক্ত স্বাদ পায় দিদিয়ের দেশমের দল।

তবে বিদায়ী কোচ দেশমের অধীনে দ্বিতীয়ার্ধে অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়ায় ফরাসিরা। মাইকেল ওলিসের জোড়া অ্যাসিস্টে ৪৮ ও ৬৬ মিনিটে দুটি গোল করেন কিলিয়ান এমবাপে। এই জোড়া গোলে লিওনেল মেসিকে (২১ গোল) টপকে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ২২ গোলের রেকর্ড এখন এমবাপের ঝুলিতে। মাঝে ৫৪ মিনিটে এমবাপের পাসে গোল করেন বারকোলা।

নাটকের তখনও বাকি ছিল। ৮৭ মিনিটে পেনাল্টি থেকে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন সাকা। ১৯৬৬ সালের পর প্রথম ইংলিশ হিসেবে এবং ১৯৫৮ সালে পেলের পর ফ্রান্সের বিপক্ষে নকআউটে হ্যাটট্রিকের কীর্তি গড়েন তিনি। ইনজুরি টাইমের ৯৬ মিনিটে উসমান দেম্বেলে ফ্রান্সের হয়ে চতুর্থ গোল করলেও, ৯৮ মিনিটে জুড বেলিংহ্যামের গোল ইংল্যান্ডের ৬-৪ ব্যবধানের ঐতিহাসিক জয় নিশ্চিত করে।

এই গোলের মাধ্যমে টুর্নামেন্টে নিজের ৭ম গোল পূর্ণ করে এক আসরে ইংলিশ ফুটবলার হিসেবে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড গড়লেন বেলিংহ্যাম। অন্যদিকে, ম্যাচটিতে ৭টি অ্যাসিস্টের মাধ্যমে পেলের ১৯৭০ সালের রেকর্ড ভাঙলেন ফ্রান্সের মাইকেল ওলিসে। ১৯৫৮ সালের পর বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ১০ গোলের রেকর্ড গড়া এই ম্যাচে শেষ পর্যন্ত হতাশা সঙ্গী হলো ফরাসিদেরই। ৬৬ বছর পর যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে ৬ গোল হজম করার রেকর্ড নিয়ে মাঠ ছাড়তে হলো বিদায়ী দেশমের ফ্রান্সকে।

চস/স

মেসিকে টপকে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের মালিক এমবাপে

২০২৬ বিশ্বকাপ শুরুর আগে ১২ বছর সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডটি জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসার দখলে ছিল। সেই রেকর্ড ভাঙা-গড়ায় এবার ইঁদুর-বিড়াল দৌড় চলছে। লিওনেল মেসির ফাইনাল বাকি থাকায় সেই দৌড় এখনও শেষ হয়নি। তবে বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে আর্জেন্টাইন মহাতারকাকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোল ও গোল্ডেন বুটের দৌড়ে এগিয়ে গেলেন কিলিয়ান এমবাপে।

গতকাল (শনিবার) দিবাগত রাতে ফ্রান্স-ইংল্যান্ডের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচটি ছিল অনেকটাই নিয়মরক্ষার। বিশ্বকাপের নিরিখে এই ম্যাচের গুরুত্ব থাকলেও, উভয় দলই ফাইনালে উঠতে না পারার হতাশা লুকিয়ে রাখতে পারছিল না। তাদের আক্ষেপ নিয়ে মায়ামি স্টেডিয়ামে গড়ায় বল। যেখানে বুকায়ো সাকার হ্যাটট্রিকে ৬-৪ গোলে ফ্রান্সকে হারিয়ে ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের তৃতীয় হয়েছে।

ম্যাচের ৪৮ ও ৬৬ মিনিটে মাইকেল ওলিসের অ্যাসিস্টে জোড়া গোল করেন এমবাপে। যার সুবাদে মেসিকে টপকে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ২২ গোলের মালিক এখন ফরাসি এই তারকা, যা তাকে ২০২৬ বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুট জয়ের দৌড়েও সবার ওপরে তুলে দিয়েছে। চলতি আসরে এখন পর্যন্ত মেসির গোল ৮ এবং অ্যাসিস্ট ৪টি। অ্যাসিস্টের হিসাবে আর্জেন্টাইন মহাতারকা এগিয়েই ছিলেন।

ফ্রান্সের ম্যাচ বাকি থাকায় নিশ্চিন্তও থাকতে পারছিলেন না মেসি। ফলে ব্যক্তিগত অর্জনের লড়াইয়ে তারও নজর ছিল ইংল্যান্ড-ফ্রান্স ম্যাচে। তার চেয়ে অ্যাসিস্টে পিছিয়ে ছিলেন এমবাপে। সেই সংখ্যাটিও এখন মেসির সমান ৪টি, পাশাপাশি এমবাপে জোড়া গোল করে আসরে নিজের স্কোরটা নিয়ে গেলেন ১০টিতে। বিশ্বের মাত্র চতুর্থ ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপের এক আসরে ন্যূনতম ১০ গোল করলেন এমবাপে।

এক আসরে সর্বোচ্চ ১৩ গোলের বিশ্বরেকর্ড আছে ফরাসি কিংবদন্তি জাস্টিন ফন্টেইনের, ১৯৭০ বিশ্বকাপে তিনি ওই কীর্তি গড়েন। এ ছাড়া হাঙ্গেরির স্যান্ডর কোচসিচ ১৯৫৪ আসরে ১১ এবং জার্মান কিংবদন্তি গার্ড মুলার ১৯৭০ আসরে ১০ গোল করেন। বিশ্বকাপে ন্যূনতম ১০ গোলের সেই এলিট লিস্টে নিজের নাম লেখালেন এমবাপে।

চস/স

সীতাকুণ্ডে যাত্রীবাহী বাস উল্টে হতাহত ৭

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের বাঁশবাড়িয়ায় জোনাকি পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও ছয়জন আহত হয়েছেন। আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে।

রোববার (১৯ জুলাই) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সীতাকুণ্ড উপজেলার ছোট কুমিরা বাঁশবাড়িয়া এলাকার ইলিয়াস পাম্পের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন রওশন আক্তার (৩৮), মহিউদ্দিন (৩৩), মোহাম্মদ মান্নান (৩০), সোনিয়া আক্তার (২৫), অর্পিতা সাহা (২০) এবং আরিফ মো. ইউসুফ (৫১)। এছাড়া নিহত ব্যক্তির বয়স আনুমানিক ৩০ বছর। তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিচয় জানা যায়নি।

চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম আশেক জানান, সীতাকুণ্ডের ছোট কুমিরা এলাকায় যাত্রীবাহী জোনাকি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গেলে সাতজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে আনা হয়। তাদের মধ্যে একজনকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আহত ছয়জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

চস/স

কনটেইনার খালাসের সময় চট্টগ্রাম বন্দরে ভয়াবহ দুর্ঘটনা

চট্টগ্রাম বন্দরের চট্টগ্রাম কনটেইনার টার্মিনালের (সিসিটি) ৩ নম্বর বার্থে কনটেইনার খালাসের সময় একটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে একটি কোয়ে গ্যান্ট্রি ক্রেন ও একটি আমদানি কনটেইনার আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।

শনিবার (১৮ জুলাই) দিবাগত রাত পৌনে ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, চ্যাং হাই নামের একটি জাহাজ থেকে কোয়ে গ্যান্ট্রি ক্রেন-৪ (কিউজিসি-৪) দিয়ে ৪০ ফুটের একটি আমদানি কনটেইনার খালাস করা হচ্ছিল। এ সময় স্প্রেডারের ল্যাশিং ছিঁড়ে গেলে কনটেইনারটি ক্রেনের বিমের ওপর পড়ে যায়। এতে ক্রেন ও কনটেইনার উভয়ই আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

দুর্ঘটনার পরপরই বন্দর কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা প্রোটোকল কার্যকর করে এবং উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে। ঘটনাস্থল নিরাপদ করার পাশাপাশি দুর্ঘটনাকবলিত কনটেইনার অপসারণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত যন্ত্রপাতি উদ্ধারের কাজ শুরু হয়।

বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সিসিটির ৩ নম্বর বার্থের দুর্ঘটনাকবলিত স্থান ছাড়া বন্দরের অন্যান্য সব বার্থে কনটেইনার হ্যান্ডলিং ও সার্বিক অপারেশনাল কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে।

চস/স

নাগরিক সমস্যা সমাধানে ‘আমাদের চট্টগ্রাম’ অ্যাপ উদ্বোধন করলেন মেয়র শাহাদাত

চট্টগ্রামকে স্মার্ট, প্রযুক্তিনির্ভর ও জবাবদিহিমূলক নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। নাগরিক সেবা হাতের মুঠোয় পৌঁছে দিতে চালু হয়েছে ওয়ান স্টপ সিটিজেন সার্ভিস মোবাইল ও ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন ‘আমাদের চট্টগ্রাম’।

শনিবার (১৮ জুলাই) সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অ্যাপটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেডের (ইবিএল) সিএসআর অর্থায়নে অ্যাপটির প্রযুক্তিগত উন্নয়ন করেছে ভেনটো টেক।

উদ্বোধনী বক্তব্যে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, “এটি শুধু একটি অ্যাপ নয়, নাগরিক ও চসিকের মধ্যে ডিজিটাল সেতুবন্ধন। স্মার্ট ও পরিচ্ছন্ন চট্টগ্রাম গড়তে নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন। এখন থেকে ঘরে বসেই রাস্তা, জলাবদ্ধতা, মশাসহ ১০টি ক্যাটাগরির সমস্যা ছবি ও লোকেশনসহ জানানো যাবে এবং লাইভ ট্র্যাক করা যাবে।”

চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মোহাম্মদ আশরাফুল আমিন জানান, অ্যাপটিতে হোল্ডিং ট্যাক্স, ট্রেড লাইসেন্স ও অনলাইন আবেদনের পাশাপাশি নাগরিক মতামত গ্রহণের পোলিং সিস্টেম রয়েছে। এতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিনির্ভর ক্যামেরা সংযুক্ত করা হবে, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ময়লা ও জলাবদ্ধতা শনাক্ত করবে। আগামী দুই মাসের মধ্যে চসিকের অধিকাংশ সেবা সম্পূর্ণ অনলাইন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম ওয়াসার এমডি প্রকৌশলী সেলিম মো. জানে আলম, ডিআইজি মো. মনিরুজ্জামান, সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী, রাজনীতিবিদ আবুল হাশেম বক্করসহ চসিকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। ডিজিটাল চট্টগ্রাম বিনির্মাণে এই অ্যাপ এক নতুন দিগন্তের সূচনা করল।

চস/স

কারাগার থেকে পালালেন তরুণী, ৭ জন বরখাস্ত

গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগার থেকে রিম্পা (২১) নামে এক বন্দি তরুণী দেয়াল টপকে পালানোর ঘটনায় দুই জন মেট্রন ও পাঁচ নারী কারারক্ষীসহ মোট সাত জনকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

বরখাস্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা হলেন- মেট্রন লায়লা আনজুমান সুমি, মেট্রন মেরিনা, মেট্রন রেহেনা এবং মহিলা কারারক্ষী শায়লা, শারমিন, জেমি ও আসমা।

শনিবার (১৮ জুলাই) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সহকারী কারা মহাপরিদর্শক (এআইজি) জান্নাতুল ফরহাদ। তিনি বলেন, দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়ায় রিপোর্টের ভিত্তিতে শুক্রবার তাদের ৭ জনকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

এর আগে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রায় ৪০ জন নারী বন্দিকে দিয়ে কারাগারের ভেতরে ইট বহনের কাজ করানো হচ্ছিল। ওই সময় দায়িত্বে থাকা মেট্রনের তদারকির ঘাটতির সুযোগ নিয়ে বন্দি রিম্পা (২১) কারাগারের অফিস ভবনের পাশের দেয়ালের কার্নিশ বেয়ে সীমানা প্রাচীর টপকে পালিয়ে যান। পলাতক রিম্পা মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার রায়পুর এলাকার হাসানের মেয়ে। তিনি ঢাকার ধানমন্ডি থানা এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মামলায় তিন মাসের সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারে বন্দি ছিলেন।

ঘটনার পরপরই কারা কর্তৃপক্ষ পুরো কারাগারে তল্লাশি চালালেও তার কোনও সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে নিশ্চিত হওয়া যায় যে তিনি কারাগার থেকে পালিয়ে গেছেন। পরে গতকাল (শুক্রবার) রাতে কোনাবাড়ী মডেল থানায় কারা কর্তৃপক্ষ একটি মামলা করে।

চস/স

২০ জুলাই প্রকাশ হচ্ছে না এসএসসি পরীক্ষার ফল

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আগামী ২০ জুলাই প্রকাশ করা হচ্ছে না। এমনকি এখনও চূড়ান্ত কিংবা সম্ভাব্য তারিখও নির্ধারণ করা হয়নি৷ তবে চলতি মাসের মধ্যেই ফল প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে।

শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকার চেয়ারম্যান প্রফেসর সৈয়দ আক্তারুজ্জামান ঢাকা পোস্টকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ২০ জুলাই ফল প্রকাশের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিলেন এবং সে অনুযায়ী শিক্ষা বোর্ডগুলোকে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছিল। বোর্ডও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়েছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে বিভিন্ন জরুরি প্রশাসনিক কাজে ব্যস্ত থাকায় ফল প্রস্তুতের কাজে প্রত্যাশিত সময় দেওয়া সম্ভব হয়নি। এজন্য ফল প্রকাশে আরও কয়েকদিন সময় লাগবে। তবে খুব বেশি দেরি হবে না।

চলতি মাসের মধ্যেই ফল প্রকাশ সম্ভব কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে বোর্ড চেয়ারম্যান বলেন, ‘আশা করছি পারব। ইনশাআল্লাহ এই মাসের মধ্যেই আমাদের কাজ গুছিয়ে ফল প্রকাশ করতে পারব।’

এর আগে শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন আগামী ২০ জুলাইয়ের মধ্যে চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের কথা জানিয়েছিলেন। গত ১৫ জুন এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষার ফলও দুই মাসের মধ্যে প্রকাশ করা হবে।

এদিকে, বোর্ড সূত্রে জানা গেছে চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অংশ নিতে নিবন্ধন করেছিল মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রী ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন। এছাড়া পরীক্ষা চলাকালে অসদুপায় অবলম্বন বা নকলের অভিযোগে মোট ২০৮ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

চস/স

রুদ্ধশ্বাস অভিযানে যেভাবে ধরা পড়ল জিয়াউর রহমানের পলাতক খুনি

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত ও দীর্ঘ ৪৫ বছর ধরে পলাতক থাকা সাবেক মেজর (অব.) মো. মোজাফফর হোসেনকে অবশেষে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নিজের আসল পরিচয় পুরোপুরি মুছে ফেলে ছদ্মবেশে আত্মগোপনে থাকলেও শেষ রক্ষা হয়নি। মূলত মেয়ের কর্মস্থলের সূত্র ধরে এবং নাকের নিচে থাকা একটি জন্মদাগের ওপর ভিত্তি করে বুধবার (১৫ জুলাই) গভীর রাতে রাজধানীর বনানী ডিওএইচএস এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন অধরা থাকা এই আসামিকে ধরতে তার মেয়ের কর্মস্থলের তথ্যটি প্রথম সূত্র হিসেবে কাজ করে। তার মেয়ে একটি বেসরকারি টেলিকম প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। এই তথ্যের ভিত্তিতে কয়েক মাস ধরে মেয়ের গতিবিধি ও কর্মস্থল নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে গোয়েন্দারা বনানী ডিওএইচএস এলাকার একটি বাড়ি চিহ্নিত করেন। ছদ্মবেশে বাড়িটি নজরদারিতে রাখার পর মোজাফফরের শারীরিক বৈশিষ্ট্যের একটি পুরোনো ক্লু—নাকের ঠিক নিচে থাকা একটি আঁচিল বা কালো দাগ—শনাক্তকরণের প্রধান ভিত্তি হিসেবে নির্ধারণ করা হয়।

বুধবার গভীর রাতে চূড়ান্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। ডিবির একটি চৌকস দল সাধারণ পোশাকে ওই বাসায় গিয়ে কড়া নাড়ে। দরজা খোলার পর গোয়েন্দারা সরাসরি কোনো অভিযান বা গ্রেপ্তারের ভয়ভীতি না দেখিয়ে নিজেদের মেয়ের অফিসের কর্মী হিসেবে পরিচয় দেন। এত রাতে অফিসের লোকজন আসায় ভেতর থেকে সন্দেহ নিয়ে এক বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তি এগিয়ে আসেন এবং রাতে আসার কারণ জানতে চান।

ডিবির কর্মকর্তারা তখন কৌশলগতভাবে ওই ব্যক্তির চেহারা পর্যবেক্ষণ করেন এবং বাড়ির অল্প আলোতেই তার নাকের নিচে থাকা সেই পরিচিত জন্মদাগটি দেখতে পান। অধিকতর নিশ্চিত হওয়ার জন্য কর্মকর্তারা তাকে জিজ্ঞাসা করেন, ‘মুরব্বি, আমরা তো আপনাকে চিনি না, আপনি কে? আমরা যার সঙ্গে দেখা করতে এসেছি, তার সঙ্গে দেখা করতে দিন।’ সরল বিশ্বাসে ওই ব্যক্তি উত্তর দেন, ‘আমি মোজাফফর, মেয়ের বাবা।’ নিজের মুখে এ কথা স্বীকার করার সঙ্গে সঙ্গেই এক মুহূর্ত সময় নষ্ট না করে ডিবির দল তাকে হাতকড়া পরায়।

মামলার নথি ও তদন্তসংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, ১৯৮১ সালের ৩০ মে গভীর রাতে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে সংঘটিত সামরিক অভ্যুত্থান এবং রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের অন্যতম মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন মেজর মোজাফফর। আক্রমণের রাতে তিনি ও ক্যাপ্টেন মোসলেহ উদ্দিন সরাসরি রাষ্ট্রপতির কক্ষের দিকে অগ্রসর হন। মোজাফফরই সশরীরে রাষ্ট্রপতিকে কক্ষের বাইরে এনে শনাক্ত করেন এবং ঠান্ডা মাথায় সরাসরি গুলি চালান বলে মামলার বিবরণে উল্লেখ রয়েছে।

হত্যাকাণ্ড নিশ্চিত হওয়ার পরপরই মোজাফফর চট্টগ্রাম সেনানিবাসের ২৪ পদাতিক ডিভিশনের তৎকালীন জিওসি মেজর জেনারেল আবুল মঞ্জুরকে ফোনে ইংরেজিতে একটি ঐতিহাসিক সংক্ষিপ্ত বার্তা দেন—‘দ্য প্রেসিডেন্ট হ্যাজ বিন কিল্ড’।

১৯৮১ সালের ৩১ মে সরকারি বাহিনী পুনরায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিলে এবং মেজর জেনারেল মঞ্জুর নিহত হলে মোজাফফর বুঝতে পারেন তার বাঁচার কোনো পথ নেই। পরবর্তীতে সামরিক আদালতে ১৩ জন সেনা কর্মকর্তাকে সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হলেও মোজাফফর এবং তার সহযোগী মেজর এস এম খালেদ সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে পালিয়ে যান।

গোয়েন্দা প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতে অবস্থানকালে তিনি নিজের আসল পরিচয় পুরোপুরি মুছে ফেলেন। সম্পূর্ণ নতুন ছদ্মনাম ধারণ করে এবং চেহারা ও বেশভূষায় পরিবর্তন এনে তিনি সেখানে থাকতেন। কল ট্র্যাকিং এড়াতে পুরোনো চেনা পরিমণ্ডল ও পারিবারিক যোগাযোগের সব সূত্রও তিনি বিচ্ছিন্ন করেছিলেন। ১৯৯৭-১৯৯৮ সালের দিকে তিনি ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে অবস্থান করেন। কেবল ভারতেই নয়, ভুয়া নাগরিকত্ব ও জাল নথির সাহায্যে পাসপোর্ট তৈরি করে তিনি বিশ্বের একাধিক দেশ সফর করেছেন। এ কারণেই ইন্টারপোল বা বাংলাদেশের গোয়েন্দারা দীর্ঘ সময় তার আসল নামে কোনো হদিস পাননি।

জীবনের শেষভাগে এসে তিনি অত্যন্ত গোপনে বাংলাদেশে ফেরেন এবং রাজধানীর সবচেয়ে সুরক্ষিত এলাকা বনানী ডিওএইচএসে বসবাস শুরু করেন। সাবেক সেনা কর্মকর্তা হিসেবে এলাকাটি পরিচিত হলেও, সেখানে তিনি নিজেকে রাজনীতিবিমুখ এক বয়োবৃদ্ধ সাধারণ নাগরিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। ফলে প্রতিবেশীদেরও সন্দেহ করার কোনো কারণ ছিল না।

গ্রেপ্তারের পর আইনি প্রক্রিয়া সম্পর্কে ডিএমপি ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম জানান, মোজাফফর হোসেন একজন সাবেক সামরিক কর্মকর্তা এবং কোর্ট মার্শালের মাধ্যমে দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি। এ কারণে প্রয়োজনীয় আইনি আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাছে এবং তাদের নিজস্ব বিচারিক প্রক্রিয়ার (জুডিশিয়াল প্রসেস) অধীনে হস্তান্তর করা হয়েছে। সূত্র: ইত্তেফাক

চস/স

ডিবির হাতে শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনের সহযোগী বাপ্পি গ্রেপ্তার

শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং তার অস্ত্রভান্ডারের অন্যতম নিয়ন্ত্রক হিসেবে পরিচিত সুলাইমান তানিম রেজা ওরফে বাপ্পিকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

শুক্রবার রাত ৮টার দিকে রাজধানীর কমলাপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তাকে মতিঝিল থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে বাপ্পি শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন।

গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে মতিঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান তালুকদার বলেন, মতিঝিল থানা-পুলিশ ও ডিবির যৌথ অভিযানে তানিম রেজা বাপ্পিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। বাপ্পির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

৬ ইঞ্চি করে খুললো কাপ্তাই বাঁধের ১৬টি গেট

টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে পানির স্তর দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় বাঁধের স্পিলওয়ের (পানি নির্গমন পথ) ১৬টি গেট খুলে দেওয়া হয়েছে।

উজান ও ভাটি এলাকার পানি ব্যবস্থাপনা এবং বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে শনিবার (১৮ জুলাই) সকাল ১১টা ২০ মিনিটে জলকপাটগুলো ছয় ইঞ্চি করে খুলে দেয় কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ। এর ফলে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৯ হাজার কিউসেক পানি কাপ্তাই হ্রদ থেকে কর্ণফুলী নদীতে গিয়ে পড়ছে।

কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের ব্যবস্থাপক (তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী) মাহমুদ হাসান জানান, শনিবার সকাল নয়টা পর্যন্ত কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা ছিল ১০৪ দশমিক ০৮ এমএসএল (মিন সি লেভেল), যেখানে বাঁধটির সর্বোচ্চ পানি ধারণক্ষমতা ১০৯ ফুট এমএসএল। গত কয়েকদিন ধরে বৃষ্টিপাত কিছুটা কমলেও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে হ্রদের পানি হু হু করে বাড়ছে। তাই বিপৎসীমায় পৌঁছানোর আগেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে স্পিলওয়ের গেটগুলো খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ব্যবস্থাপক আরও জানান, হ্রদের পানির উচ্চতা, উজান থেকে আসা পানির প্রবাহ (ইনফ্লো) এবং বৃষ্টিপাতের পরিস্থিতি সার্বক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে আপাতত গেটগুলো ছয় ইঞ্চি পরিমাণ খুলে দেওয়া হয়েছে। উজান থেকে পানির প্রবাহ আরও বৃদ্ধি পেলে পর্যায়ক্রমে গেট আরও বেশি খুলে পানি নিষ্কাশনের পরিমাণ বাড়ানো হবে।

বর্তমানে কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিটই পুরোদমে চালু রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এই পাঁচটি ইউনিটের মাধ্যমে বর্তমানে ২২২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রক্রিয়ায় প্রতি সেকেন্ডে আরও প্রায় ৩২ হাজার কিউসেক পানি হ্রদ থেকে নিষ্কাশিত হচ্ছে।

এদিকে, স্পিলওয়ে খুলে দেওয়ায় কর্ণফুলী নদীতে পানির প্রবাহ হঠাৎ বেড়ে গেছে। এ অবস্থায় নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দা, নৌযান চালক, জেলে এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সাবধানতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছে বিদ্যুৎকেন্দ্র কর্তৃপক্ষ।

দেশের বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে কর্ণফুলী নদীর ওপর বাঁধ দিয়ে ১৯৫৬ সালে এই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র ও কৃত্রিম কাপ্তাই হ্রদ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়। ১৯৬২ সালে এর নির্মাণকাজ শেষ হয়। এই বাঁধের পাশে ১৬টি জলকপাট সংযুক্ত ৭৪৫ ফুট দীর্ঘ একটি স্পিলওয়ে রয়েছে, যা দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে সর্বোচ্চ ৫ লাখ ২৫ হাজার কিউসেক ফিট পানি বের হতে পারে। শুরুতে দুটি ইউনিটের মাধ্যমে ৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হলেও বর্তমানে পাঁচটি ইউনিটের মাধ্যমে কেন্দ্রটির মোট উৎপাদন ক্ষমতা ২৩০ মেগাওয়াট।

চস/স