spot_img

৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, বুধবার
২২শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক

সর্বশেষ

পরীমনিকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি

সাভারের বোট ক্লাবে গিয়ে মদ পানের পর ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনায় ক্লাবটির পরিচালক নাসির উদ্দিন মাহমুদের দায়ের করা মামলায় চিত্রনায়িকা পরীমনিসহ দুই আসামিকে হাজির হতে সমন জারি করেছেন আদালত। অপর আসামি হলেন পরীমনির কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমি।

বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এম. সাইফুল ইসলাম এ আদেশ দেন।

আজ এ মামলায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) প্রতিবেদনের গ্রহণযোগ্যতা বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য ছিল। এদিন তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা চেয়ে আবেদন করেন বাদীপক্ষের আইনজীবী আবুল কালাম মোহাম্মদ সোহেল। আদালত শুনানি শেষে এ বিষয়ে পরে আদেশের জন্য রাখেন। পরে আদালত তাদের বিরুদ্ধে সমন জারি করেন।

সম্প্রতি পিবিআই ঢাকা জেলার পরিদর্শক মো. মনির হোসেন এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। পরীমনি ছাড়া এ মামলায় তার কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমির বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কথা বলা হয়েছে। তবে তার সহযোগী ফাতেমা তুজ জান্নাত বনির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে।

২০২২ সালের ৭ জুলাই ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাজীব হাসানের আদালতে এই মামলা করেন নাসির। মামলায় পরীমনি ছাড়াও তার দুই সহযোগী ফাতেমা তুজ জান্নাত বনি ও জুনায়েদ বোগদাদী জিমিকে আসামি করা হয়।

মামলার আরজিতে বলা হয়, পরীমনি ও তার সহযোগীরা মাদকসেবী। তারা সুযোগ বুঝে বিভিন্ন নামিদামি ক্লাবে ঢুকে মদ পান করেন এবং পার্সেল নিয়ে মূল্য পরিশোধ করেন না। পরীমনি তার পরিচিত পুলিশ কর্মকর্তাদের দিয়ে মিথ্যা মামলা করে হয়রানির ভয় দেখান।

আরজিতে আরও বলা হয়, ২০২১ সালের ৯ জুন রাত ১২টার পর আসামিরা সাভারের বোট ক্লাবে ঢুকে দ্বিতীয় তলার ওয়াশরুম ব্যবহার করেন। পরে তারা ক্লাবের ভেতরে বসে মদ পান করেন। বাদী ও তার সহযোগী শাহ শহিদুল আলম রাত সোয়া ১টার দিকে যখন ক্লাব ত্যাগ করছিলেন, তখন পরীমনি উদ্দেশ্যমূলকভাবে বাদী নাসির উদ্দিনকে ডাক দেন এবং তাদের সঙ্গে কিছু সময় বসার অনুরোধ করেন। এক পর্যায়ে পরীমনি অশ্লীল অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে নাসির উদ্দিনকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করেন এবং ব্লু লেবেল নামের একটি মদের বোতল বিনামূল্যে পার্সেল দেওয়ার জন্য বাদীকে চাপ দেন।

বাদী এতে রাজি না হওয়ায় পরীমনি তাকে গালমন্দ করেন। বাদী ও আসামিদের মধ্যে বাদানুবাদের এক পর্যায়ে পরীমনি বাদীর দিকে একটি সারভিং গ্লাস ছুড়ে মারেন এবং হাতে থাকা মোবাইল ফোনটিও ছুড়ে মারেন। এতে নাসির উদ্দিন মাথায় ও বুকে আঘাত পান।

এতে আরও বলা হয়, পরীমনি ও তার সহযোগীরা নাসির উদ্দিনকে মারধর ও হত্যার হুমকি দিয়েছেন এবং ভাঙচুর করেছেন। এই ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য পরীমনি সাভার থানায় বাদীসহ দুজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন।

চস/স

Latest Posts

spot_imgspot_img

Don't Miss