spot_img

১১ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, বুধবার
২৫শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

অনলাইন ডেস্ক

সর্বশেষ

মেলানিয়া ট্রাম্পের আমন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রে ভাষণ দিলেন ডা. জুবাইদা রহমান

মার্কিন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের আমন্ত্রণে ও হোয়াইট হাউসের উদ্যোগে আয়োজিত ‘ফস্টারিং দ্য ফিউচার টুগেদার গ্লোবাল কোয়ালিশন সামিট’-এ অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান। যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে পররাষ্ট্র দপ্তরে আয়োজিত এই শীর্ষ সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দেন।

ভাষণে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) দায়িত্বশীল ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনা সম্ভব। বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো দেশগুলোতে যেখানে সম্পদ ও প্রশিক্ষিত শিক্ষকের সমতা এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত হয়নি, সেখানে প্রযুক্তি বড় ভূমিকা রাখতে পারে। এই লক্ষ্যে উদ্ভাবনী প্রযুক্তি ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা শিশুদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে বর্তমান সরকার কাজ করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুই দিনব্যাপী এই সম্মেলনের উদ্বোধন করেন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প। সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের জীবনসঙ্গী, শিল্পখাতের নেতা এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

ডা. জুবাইদা রহমান তার বক্তব্যে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমাদের গণতান্ত্রিক সরকার একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও দূরদর্শী দেশ গঠনে কাজ করছে। পারিবারিক কার্ড ও কৃষক কার্ডের মতো উদ্যোগের মাধ্যমে পরিবারগুলোকে আর্থিক সুবিধা দেওয়া হচ্ছে, যা পরোক্ষভাবে শিশুদের সুন্দর বেড়ে ওঠায় সহায়তা করছে।

একজন চিকিৎসক হিসেবে শিশুদের মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে নিজের প্রতিশ্রুতির কথা জানান তিনি।

শিক্ষাক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে তিনি বলেন, আমাদের সরকার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল যুগের উপযোগী করে তুলছে। শিক্ষকদের ট্যাব ও কম্পিউটার দেওয়া হচ্ছে এবং ডিজিটাল কারিকুলাম ও মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমের মাধ্যমে সৃজনশীল শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। তবে এসব প্রযুক্তির নিরাপদ ও নৈতিক ব্যবহারের বিষয়েও আমরা সমানভাবে সজাগ।’

বাংলাদেশে নারী শিক্ষার প্রসারে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদানের কথা স্মরণ করে ডা. জুবাইদা বলেন, বেগম খালেদা জিয়া মেয়েদের দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা চালু করেছিলেন। আমাদের বর্তমান সরকার নারীদের জন্য স্নাতকোত্তর পর্যায় পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এছাড়া শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান পোশাক শিল্পের যে ভিত্তি গড়েছিলেন, তার ফলে লাখ লাখ নারীর ক্ষমতায়ন হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বক্তব্যের শেষে শিক্ষা ও প্রযুক্তির প্রসারে উন্নত বিশ্বের দেশগুলোর সহায়তা কামনা করেন ডা. জুবাইদা রহমান। পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে একটি স্থিতিস্থাপক ও সহানুভূতিশীল ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে তিনি মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে এই আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানান।

চস/স

Latest Posts

spot_imgspot_img

Don't Miss