দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানির চাহিদা মেটাতে চট্টগ্রাম বন্দরে একের পর এক ভিড়ছে আমদানি করা জ্বালানির জাহাজ। এসব জাহাজ থেকে দ্রুত জ্বালানি খালাস করতে বিশেষ অগ্রাধিকার দিচ্ছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
আজ বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বন্দরের জেটি ও বহির্নোঙরে তিনটি জ্বালানিবাহী জাহাজ অবস্থান করছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম সাংবাদিকদের জানান, বর্তমানে বন্দরে অবস্থানরত ৩টি জাহাজ চীন ও মালয়েশিয়া থেকে জ্বালানি নিয়ে এসেছে। আমদানি করা এসব জ্বালানি দ্রুত জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করতে খালাস প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে।
বন্দর সূত্রে আরও জানা গেছে, কেবল আজকের এই তিনটি জাহাজই নয়, আগামী ১৫ এপ্রিলের মধ্যে এলপিজি ও এলএনজি নিয়ে আরও পাঁচটি বড় জাহাজ বন্দরের জলসীমায় এসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এই জাহাজগুলো মূলত যুক্তরাষ্ট্র, মালয়েশিয়া ও অস্ট্রেলিয়া থেকে জ্বালানি নিয়ে আসছে।
বন্দর সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তা মোকাবিলায় এই আমদানিকৃত জ্বালানি দেশের অভ্যন্তরীণ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। জ্বালানিবাহী জাহাজগুলোকে বার্থিং বা নোঙর করার ক্ষেত্রে বন্দর কর্তৃপক্ষ জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে যাতে কোনো বিলম্ব ছাড়াই দ্রুত খালাস কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
চস/স


