spot_img

১৬ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, রবিবার
১লা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

সর্বশেষ

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র চালু করলো আরটি-পিসিআর পরীক্ষা কার্যক্রম

করোনাভাইরাস (কভিড-১৯) শনাক্তে আরটি-পিসিআর পরীক্ষা কার্যক্রম বা র‍্যাপিড টেস্ট চালু করেছে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।

শনিবার দুপুর ১২টায় ধানমন্ডির গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালের ২য় তলায় অত্যাধুনিক মলিউকিউলার ল্যাবরেটরির উদ্বোধন করা হয়।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবে উপাচার্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

এর আগে সকালে ১১টা এ উপলক্ষে গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালের গেরিলা কমান্ডার মেজর এটিএম হায়দার বীর উত্তম মিলনায়তনে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নজরুল ইসলাম বলেন, ‘টেস্টের ক্ষেত্রে ওয়ার্কার যেন সংক্রামিত না হয় সেদিকে খেয়াল রেখে সর্বোচ্চ সতর্ক থেকে টেস্টগুলো করতে হবে। আবার স্যাম্পলেরও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং রেজাল্ট কারেক্ট করতে হবে।’

টেস্টের পাশাপাশি গবেষণায় জোর দিতে হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের কভিড নিয়ে গবেষণার সুযোগ আছে। ল্যাবরেটরিতে কেবল রুটিন টেস্ট হবে না, গবেষণাও হবে বলে আমি আশা করছি।’

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘টেস্টের পাশাপাশি আমরা গবেষণায় মনোযোগী হচ্ছি। আমরা ৫০ লাখ টাকা সংগ্রহ করেছি গবেষণার জন্য। আর আমরা সর্বোচ্চ কোয়ালিটি মেনটেইন করছি।’

কভিড টেস্ট কেলেঙ্কারির জন্য সরকার দায়ী উল্লেখ করে তিনি হলেন, এটার জন্য সরকার দায়ী। সরকারের অপরিণামদর্শিতা, চিন্তা না করে কথা বলা ও কোনো বিশেষজ্ঞয়ের পরামর্শ না নেওয়া- এসব ভুলের কারণে এ অবস্থা।

ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, বাংলাদেশ সারা বিশ্বে নাম করেছে তার ওষুধ নীতির কারণে। ঠিক একইভাবে বাংলাদেশে পৃথিবীতে নাম করতো যদি অ্যান্টিবডি টেস্টের অনুমতি দিতো।

অনুষ্ঠানে বলা হয়, করোনা টেস্ট করতে বাইরের একজন রোগীকে গুনতে হবে তিন হাজার টাকা। আর গণস্বাস্থ্য হাসপাতালে যাদের স্বাস্থ্য বীমা আছে তাদের দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা দিতে হবে।

গণবিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক লায়লা পারভীন বানুর সভাপতিত্বে ও ডা. মহিবুল্লাহ খন্দকারের পরিচালনায় এতে বক্তব্য রাখেন- করোনাভাইরাসের অ্যান্টিবডি টেস্টের উদ্ভাবক দলের প্রধান অণুজীব বিজ্ঞানী ড. বিজন কুমার শীল, র‍্যাপিড কিট টেস্টের গবেষক নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের চেয়ারম্যান ডা. ফিরোজ আহমেদ।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গণস্বাস্থ্যের ট্রাস্টি সন্ধ্যা রায়, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) অধ্যাপক মামুন মোস্তাফী, অধ্যাপক ডা. নাজিব মোহাম্মদ, গণস্বাস্থ্যের প্রেস উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু প্রমুখ।

চস/আজহার

Latest Posts

spot_imgspot_img

Don't Miss