এবার বিশ্বের উচ্চতম শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট ও চতুর্থ উচ্চতম পর্বত মাউন্ট লোৎসে অভিযানে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন চট্টগ্রামের সন্তান মো. বাবর আলী।
আজ শনিবার (৩০ মার্চ) চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে পবর্তারোহণ ক্লাব ‘ভার্টিক্যাল ড্রিমার্স’ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযানের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে হয়। বাবরের এই অভিযান শুরু হবে আগামী সোমবার থেকে এই অভিযান শুরু করবেন বাবর। আবহাওয়া ঠিক থাকলে অভিযান শেষ করতে দুই মাস সময় লেগে যেতে পারে।
সংবাদ সম্মেলনে পর্বতারোহী বাবর আলী বলেন, মাউন্টেনিয়ারিং একটি একক ও শ্রমসাধ্য কাজ। পৃথিবীর দুর্গমতম প্রান্তগুলোতে এটা করতে হয়। পর্বতারোহণের শুরু থেকেই পৃথিবীর সর্বোচ্চ চূড়ায় দাঁড়িয়ে বিশ্বকে দেখার স্বপ্ন আছে আমার।
বাবর আলী বলেন, সর্বোচ্চ শৃঙ্গ জয়ের পাশপাশি আমার উদ্দেশ্য বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করা। একসাথে দুটি শৃঙ্গ জয় ব্যতিক্রমী। সফল হলে প্রমাণ হবে, আমরাও পারি।
অভিযানের প্রস্তুতি নিয়ে বাবর আলী জানান, এই অভিযানে প্রায় ৪৫ লাখ টাকা খরচ হতে পারে। পর্বতারোহণের প্রয়োজনীয় অনুমতি ও নানা সরঞ্জাম কেনার কাজ শেষ করে নেপালের রাজধানী কাঠমাণ্ডু থেকে লুকলার উদ্দেশ্যে রওনা হবো। সেখান থেকে সপ্তাহ খানেকের ট্রেকিং শেষে পৌঁছাবেন বেস ক্যাম্পে। মূল অভিযান শুরু হবে সেখান থেকেই।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযান সমন্বয়ক ফরহান জামান বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে মে মাসের তৃতীয় অথবা শেষ সপ্তাহে চূড়ায় আরোহণ সম্পন্ন হতে পারে।
চট্টগ্রামের তরুণ বাবর আলী পেশায় চিকিৎসক হলেও তার ধ্যানজ্ঞান পর্বতারোহণ। ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রামের একমাত্র পর্বতারোহণ ক্লাব ‘ভার্টিক্যাল ড্রিমার্স’ এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য তিনি। বাবরের প্রথম হিমালয় যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০১৪ সালে। ‘ভার্টিক্যাল ড্রিমার্স’ ক্লাব আয়োজিত ওই অভিযানে হিমালয়ের ৫ হাজার মিটার উচ্চতার এক পর্বতের চূড়ায় উঠেছিলেন তিনি। দুবছর আগে হিমালয়ের ২২ হাজার ৩৪৯ ফুট উচ্চতার আমা দাবলাম চূড়ায় বাংলাদেশের পতাকা ওড়ান চট্টগ্রামের তরুণ মো. বাবর আলী। সংবাদ সম্মেলন শেষে বাবর আলীর হাতে তুলে দেওয়া হয় জাতীয় পতাকা।
চস/আজহার


