spot_img

২৮শে পৌষ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, সোমবার
১২ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

সর্বশেষ

তামিম-মিঠুন ও রুবেলের নৈপুণ্যে প্রাইমের সহজ জয়

তামিম ইকবাল আনলেন উড়ন্ত সূচনা। মাঝের ওভারে ছোট ধসের পর ঘুরে দাঁড়িয়ে দারুণ ফিফটি করলেন মোহাম্মদ মিঠুন। তাতে দুর্বল প্রতিপক্ষ পারটেক্স স্পোর্টিং ক্লাবের বিপক্ষে বড় রানের পুঁজি পায় প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব। পরে রুবেল হোসেনের তোপে এসেছে সহজ জয়।

সোমবার বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে আগে ব্যাট করে ১৬৭ রান করে প্রাইম। রান তাড়ায় গিয়ে ৯৫ রানেই শেষ হয়ে যায় পারটেক্সের ইনিংস। ৭২ রানে বড় জয় পায় প্রাইম ব্যাংক। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ টি-টোয়েন্টিতে এই নিয়ে ৪ ম্যাচে তিন জয়ে ৬ পয়েন্ট হলো প্রাইমের। আর ৪ ম্যাচের সবগুলোই হারল পারটেক্স।

প্রাইমের হয়ে ৩৩ বলে ৪৭ রান করেন তামিম। ৩৬ বলে অপরাজিত ৫৭ রান করেন মিঠুন। বল হাতে ৩০ রানে ৪ উইকেট নেন রুবেল। মোস্তাফিজ করেছেন মাত্র এক ওভার। আরেক পেসার শরিফুল ৩ ওভারে মাত্র ৯ রান দিয়ে নেন ১ উইকেট। অফ স্পিনার নাঈম হাসান ১৪ রানে শিকার করেন ২ ব্যাটসম্যান।

টস জিতে অধিনায়ক এনামুল হক বিজয়ের বদলে রনি তালুকদারকে নিয়ে ওপেন করতে নামেন তামিম। বিজয় নেমে যান তিনি। আগ্রাসী রনি অবশ্য ফিরে যান তৃতীয় ওভারেই। টানা ব্যর্থতার ধারাবাহিকতায় ২০ বলে ১৬ করেন বিজয়।

এক পাশে উইকেট পতনের মাঝে অবশ্য দ্রুত রান আনছিলেন তামিম। তার ব্যাটেই এগুতে থাকে প্রাইমের ইনিংস। ৩৩ বলে ৪৭ রান করা তামিমের ইনিংস থামে লেগ স্পিনার জুবায়ের হোসেন লিখনের বলে।

এরপর প্রাইমকে এগিয়ে নেওয়ার নায়ক মিঠুন। ৩টি করে চার-ছক্কায় ফিফটি পেরিয়ে দলকে নিরাপদ পুঁজি পাইয়ে দেন তিনি।

শক্ত বোলিং আক্রমণের বিপক্ষে এত রান তাড়া করে জেতাটা সহজ ছিল না। তরুণ আব্বাস মুসা ঝড় তুললেও আরেক দিকে টপাটপ উইকেট হারিয়ে এলোমেলো হয়ে যায় তারা। ১৩ বলে ২৯ করে মুসাও বোল্ড হন রুবেলের বলে। এরপর আর তাদের কোন ব্যাটসম্যানের পক্ষে লড়াই করার পরিস্থিতিতে যাওয়া সম্ভব হয়নি।

 

চস/আজহার

Latest Posts

spot_imgspot_img

Don't Miss