spot_img

১লা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, রবিবার
১৫ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক

সর্বশেষ

সংসদের সাউন্ড সিস্টেম নিয়ে লুটপাটের অভিযোগ শাহজাহান চৌধুরীর

জাতীয় সংসদের সাউন্ড সিস্টেম ও হেডফোন নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জামায়াতের দলীয় সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী। তিনি হেডফোন দেখিয়ে বলেছেন, এখন এতবড় বোঝা.. এটা মনে হয় একটা বাজেট করেছিল, আর ওখান থেকে লুটপাট বাহিনীরা একটা বিল করে খাওয়ার জন্য এ ব্যবস্থাটা করেছিল।

রোববার (১৫ মার্চ) জাতীয় সংসদে অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন শাহজাহান চৌধুরী। স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জামায়াতের দলীয় সাংসদ শাহাজাহান চৌধুরী বলেন, আমাদের হাউজে সাউন্ড সিস্টেমটা.. আমরা আরও দুইবার সংসদে এসেছি, আপনিও এসেছেন, কিন্তু এত বড় একটা (হেডফোন দেখিয়ে) বোঝা মাথার ওপর দিয়ে এক-দুই ঘণ্টা বসা সবার জন্য কষ্টকর হচ্ছে। এটা ছাড়া যাতে করে একটা সাউন্ড হয়। ১৯৯১ সালের সংসদে এটা ছাড়াই সংসদ চালিয়েছি। ২০০১ সালেও চার দলীয় সরকারের সময়েও হয়েছে।

তিনি বলেন, এখন এতবড় বোঝা.. এটা মনে হয় একটা বাজেট করেছিল, আর ওখান থেকে লুটপাট বাহিনীরা একটা বিল করে খাওয়ার জন্য এ ব্যবস্থাটা করেছেন। সাউন্ড সিস্টেমটা সুন্দর করার জন্য একটি সাধারণ হেডফোনে আমরা শুনতে চাই। কিন্তু এতবড় বোঝার দরকার নেই। হেডফোন ছাড়াও সংসদের সাউন্ড সিস্টেমটা আধুনিকায়ন করলে খুশি হব।

গত বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। সেদিন বিরতির পরে নবনির্বাচিত স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সভা শুরু হলে সাউন্ড সিস্টেমে বিভ্রাট হয়। স্পিকার হ্যান্ডমাইকে কিছুক্ষণ সভা পরিচালনা করেন। পরে তিনি ২০ মিনিটের জন্য অধিবেশনের বিরতি দিয়েছিলেন। বিরতির পরে অধিবেশন শুরু পরেও সংসদ কক্ষের সব মাইক ঠিক হয়নি। একাধিক সংসদ সদস্য বিষয়টি নিয়ে স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন।

বৃহস্পতিবার জামায়াতের এমপি ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম (আরমান) হেডফোনের বিষয়ে অভিযোগ করেছেন। তিনি নিজের ফেসবুক পাতায় এ বিষয়ে লেখেন, ‘এই হেডফোনের মান এতটাই ভয়াবহ যে ব্যবহার করতে গিয়ে কান থেকে মাথা পর্যন্ত ব্যথা ধরেছে। সাউন্ড কোয়ালিটি এমন নিম্নমানের—সংসদের পুরোনো ডিভাইস এর চেয়ে পরিষ্কার অডিও দিত নিশ্চয়ই। সম্পূর্ণভাবে হতাশ।’

চস/স

Latest Posts

spot_imgspot_img

Don't Miss