ইরানে যৌথ অভিযান শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল। আজ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) তেহরান-সহ ইরানের ৬ শহরে যে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে— সেটি এই যৌথ অভিযানেরই অংশ।
ইসরায়েলি সূত্রের বরাত দিয়ে নিজেদের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এবং ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বিভাগের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২-কে নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এবং যুক্তরাষ্ট্র এ অভিযানে ইসরায়েলের পাশে আছে।
ওই কর্মকর্তা আরও বলেছেন, এখন ইরানে অভিযানের ‘প্রাথমিক পর্যায় চলছে’ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পরিকল্পনা অনুসারে, এই প্রাথমিক পর্যায় স্থায়ী হবে আগামী চার দিন পর্যন্ত।
আজ শনিবার স্থানীয় সময় ৯ টার দিকে ইরানের রাজধানী তেহরানসহ অন্তত ৬টি শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করে ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্র। তেহরানে যে স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে, তার কাছেই ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দপ্তর।
ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের মধ্যে সংলাপ শুরু হয়েছিল। গত কাল শনিবার জেনেভায় কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর ছাড়াই শেষ হয়েছে সংলাপ। সংলাপ শেষ হওয়ার পর ওয়াশিংটনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন— বৈঠকের ফলাফল নিয়ে তিনি সন্তুষ্ট নন।
তেহরান-ওয়াশিংটনের প্রতিনিধিদের বৈঠক শেষ হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইরানে সামরিক অভিযান শুরু করল যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল। সূত্র : টাইমস অব ইসরায়েল, সিএনএন
চস/স


