spot_img

১২ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, রবিবার
২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

সর্বশেষ

কন্যাশিশু দিবসের বিভ্রান্তি!

ফেসবুকে ২৫ সেপ্টেম্বর (সেপ্টেম্বরের শেষ রবিবার) অনেককে দেখা গেছে কন্যার ছবি দিয়ে লিখতে ‘আজ কন্যাশিশু দিবস’। সেখানে আবার কেউ বলছেন, সেপ্টেম্বরের শেষ রবিবারই কন্যাশিশু দিবস। কেউবা বলছেন, ৩০ সেপ্টেম্বর কন্যাশিশু দিবস।

তবে বিভ্রান্তি অন্য জায়গায়। একটি কন্যা দিবস (ডটার্স ডে) সেপ্টেম্বরের শেষ রবিবার, আরেকটি জাতীয় কন্যাশিশু দিবস (গার্ল চাইল্ড ডে), যার জন্য নির্ধারিত দিন ৩০ সেপ্টেম্বর। আর আন্তর্জাতিক কন্যাসন্তান দিবস ১১ অক্টোবর যেটি জাতিসংঘভুক্ত দেশগুলো পালন করে।

সরকারিভাবে কন্যা দিবস বাংলাদেশে পালিত হয় না। এটি ভারত তাদের জন্য তৈরি করেছে। দ্বিতীয়টি জাতীয়ভাবে বাংলাদেশে পালন করা হয়।

কন্যা দিবস

ডটার্স ডে বা কন্যা দিবস সেপ্টেম্বর মাসের শেষ রবিবার পালন করা হয়। সেই হিসেবে এবছর ২৫ সেপ্টেম্বর ছিল কন্যা দিবস। ভারতে এদিন পালনের চল শুরু হয়। কন্যা সন্তানদের গুরুত্ব ও তাদের বিষয়ে সচেতনতা তৈরির জন্য দিবসের উৎপত্তি। মেয়ে সন্তান ছেলে সন্তানের চেয়ে অগুরুত্বপূর্ণ নয় এবং তাদের জন্ম উদযাপনের বিষয়- এটি অভিভাবকদের বুঝানোই দিনটির উদ্দেশ্য।

আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস

বিশ্বজুড়ে জাতিসংঘ রাষ্ট্রসমূহ প্রতিবছর ১১ অক্টোবর তারিখে দিবসটি পালন করে। এই দিবসকে মেয়েদের দিনও বলা হয়। ২০১২ সালের ১১ অক্টোবর তারিখে প্রথম এই দিবস পালন করা হয়। প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল ‘কারণ আমি একজন মেয়ে’ (Because I Am a Girl) নামক আন্দোলনের ফলশ্রুতিতে এই দিবসের সূচনা ঘটে। ২০১১ সালের ১৯ ডিসেম্বর তারিখে এই প্রস্তাব রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভায় গৃহীত হয় ও ২০১২ সালের ১১ অক্টোবর তারিখে প্রথম আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস পালন করা হয়।

জাতীয় কন্যাশিশু দিবস

প্রতিবছর ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত আন্তর্জাতিক শিশু সপ্তাহ পালন করা হয়। শিশু সপ্তাহের দ্বিতীয় দিন ৩০ সেপ্টেম্বরকে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

১৯৯০ সালে কন্যাশিশু দশক নির্ধারিত হয়। ২০০০ পর্যন্ত সেই দশক শেষ হলে সে বছর থেকেই বেসরকারিভাবে দিবস আকারে পালন শুরু হয়। যেহেতু শিশু অধিকার সপ্তাহ শুরু হয় ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ অক্টোবর। সেহেতু মনে রাখার সুবিধার্থে শিশু সপ্তাহ শুরুর দ্বিতীয় দিনে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস নির্ধারণ করা হয়।

২০০৩ সালে মন্ত্রণালয় সার্কুলার দিয়ে এই দিনটিকে সরকারিভাবে পালনের কথা ঘোষণা করে। এরপর থেকে সরকারিভাবে পালন করা হচ্ছে। তবে কয়েক বছর ধরে এসময়টায় প্রধানমন্ত্রী দেশে না থাকার কারণে পরবর্তীতে অক্টোবরের শুরুতে সুবিধাজনক দিনে উদযাপন করা হয়।

চস/এস

Latest Posts

spot_imgspot_img

Don't Miss