spot_img

১লা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, মঙ্গলবার
১৪ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের সঙ্গে সচিবালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা।

আজ সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে সচিবালয়ে তথ্যমন্ত্রীর অফিস কক্ষে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় তারা দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ তথ্য জানানো হয়।

বৈঠকের শুরুতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণ করায় মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান ভারতীয় হাইকমিশনার।

আলোচনায় তারা বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে বিভিন্ন পর্যায়ে যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

চস/স

২৪ ঘণ্টায় হাম ও হাম উপসর্গে ৭ শিশুর মৃত্যু

হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ২ শিশুর হামে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বাকি ৫ শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

মারা যাওয়া দুই শিশুই ঢাকা বিভাগের। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হওয়া পাঁচ শিশুর চারজন ঢাকা বিভাগের, একজন রাজশাহীর।

বিজ্ঞপ্তিতে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১২ এপ্রিল সকাল ৮টা থেকে ১৩ এপ্রিল সকাল ৮টা পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ দেখা গেছে ১ হাজার ৩৭১ জনের মধ্যে। এর মধ্যে ৬১৫ জনই ঢাকা বিভাগের। একই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭২৯ জন, যার মধ্যে ২৭৪ জনই ঢাকা বিভাগে। সবচেয়ে কম রোগী ভর্তি হয়েছে রংপুর (১১) ও ময়মনসিংহে (১৭)।

গত ১৫ মার্চ থেকে বিভিন্ন হাসপাতালে হামে উপসর্গে ভর্তি হয়েছেন ১০ হাজার ২২৫ জন এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৭ হাজার ৬৫৬ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মাঠ পর্যায়ে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। হামের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগের পরামর্শ দিয়েছে অধিদপ্তর।

চস/স

৫ বিদায়ী মানবাধিকার কমিশনারের খোলা চিঠি

মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ সংসদে পাস না হওয়ার প্রেক্ষিতে সংসদে উপস্থাপিত ভুল তথ্যের জবাব, অধ্যাদেশগুলোর বিরুদ্ধে সরকারের প্রকৃত আপত্তি চিহ্নিতকরণ এবং ভবিষ্যৎ আইনের গুণগত মান বিচারের প্রস্তাবনা বিষয়ে খোলা চিঠি লিখেছেন সদ্য বিদায়ী পাঁচজন মানবাধিকার কমিশনার।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদ্য বিদায়ী চেয়ারম্যান বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী, মো. নূর খান লিটন, ইলিরা দেওয়ান, অধ্যাপক মো. শরীফুল ইসলাম এবং ড. নাবিলা ইদ্রিস এই চিঠি লিখেছেন।

খোলা চিঠিতে তারা লিখেছেন, ‘আমরা পাঁচজন সদ্য বিদায়ী মানবাধিকার কমিশনার। স্ব-স্ব ক্ষেত্রে আমাদের কর্মজীবন মানবাধিকার সুরক্ষায় নিবেদিত ছিল। এই দীর্ঘ অভিজ্ঞতার দরুন ভুক্তভোগীদের বেদনা, আইন প্রয়োগকারীদের দৈনন্দিন প্রতিকূলতা এবং আইনাঙ্গনের জটিলতার সঙ্গে আমরা সুপরিচিত। তাই কোনও প্রাতিষ্ঠানিক বা ব্যক্তিস্বার্থে নয়, ভুক্তভোগীদের প্রতি কর্তব্যবোধ থেকে আজ আমরা কলম হাতে নিয়েছি।’

নাবিলা ইদ্রিস বলেন, চিঠিটি তিনটি মূল অংশে সাজানো হয়েছে। সংসদে উপস্থাপিত ভুল তথ্যের জবাব, অধ্যাদেশগুলোর বিরুদ্ধে সরকারের প্রকৃত আপত্তি চিহ্নিতকরণ এবং ভবিষ্যৎ আইন প্রণয়নে গুণগত মান নির্ধারণের প্রস্তাবনা।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, অধ্যাদেশ বাতিলের পক্ষে সরকার যেসব যুক্তি দিয়েছে, তার মধ্যে বেশ কিছু তথ্য বিভ্রান্তিকর। যেমন—গুমের শাস্তি মাত্র ১০ বছর, তদন্তের কোনও সময়সীমা নেই, জরিমানার বিধান নেই, বিদ্যমান আইনই যথেষ্ট-এমন দাবি করা হয়েছে, যা সঠিক নয় বলে এতে তুলে ধরা হয়।

চিঠিতে সতর্ক করে বলা হয়েছে, ভবিষ্যতে সরকার নতুন আইন আনলে ভুক্তভোগীরা লক্ষ্য রাখবেন-সরকারের এসব আপত্তি মেনে আইনকে দুর্বল করা হচ্ছে, নাকি তা প্রত্যাখ্যান করে আরও শক্তিশালী আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে।

সংসদে উপস্থাপিত তথ্যের জবাব

অধ্যাদেশগুলো বাতিলের পক্ষে যুক্তি হিসেবে সংসদে বেশ কিছু ভুল তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে; এর সঠিক তথ্য দেওয়া হলো। তবে শুরুতেই স্পষ্ট করা দরকার, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ হলো প্রিন্সিপাল আইন; এর ওপরই দাঁড়িয়ে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ’ এবং ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ অধ্যাদেশ’। সুতরাং নিম্নোক্ত আলোচনা অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত এই তিনটি অধ্যাদেশ নিয়েই।

১. সংসদে বলা হয়েছে, গুমের সাজা মাত্র ১০ বছর, যা ভুক্তভোগীদের জন্য অবিচার।
বাস্তবে: গুম অধ্যাদেশে অপরাধের মাত্রাভেদে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবনসহ যেকোনো মেয়াদের কারাদণ্ড এবং জরিমানা (ধারা ৪(১)-(২))।

২. সংসদে বলা হয়েছে, অধ্যাদেশে তদন্তের সময়সীমা নেই এবং জরিমানা নির্ধারণ ও আদায়ের উপায় নেই।
বাস্তবে : মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশে তদন্তের সময়সীমা স্পষ্ট বেধে দেওয়া আছে (ধারা ১৬(১) (ঙ)-(চ)) এবং জরিমানা নির্ধারণ ও আদায়ের পদ্ধতি বিস্তারিত আছে (ধারা ২৩)। এমনকি সময়মতো তদন্ত রিপোর্ট দাখিল না করলে গুম অধ্যাদেশে শাস্তির বিধানও রয়েছে (ধারা ৮(৫))। বরং সংসদ কর্তৃক পুনর্বহালকৃত ২০০৯ সালের মানবাধিকার কমিশন আইনে এগুলো কিছুই নেই।

৩. সংসদে বলা হয়েছে, আইসিটি আইন যথেষ্ট। মানবাধিকার কমিশন এবং গুম অধ্যাদেশ ‘বালখিল্যতা’ মাত্র। গুম অধ্যাদেশ আইসিটি আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
বাস্তবে : আইসিটি আইন কেবল মানবতাবিরোধী অপরাধ বিচার করতে পারে, সাধারণ ফৌজদারি অপরাধ নয় (ধারা ৩(২) (এ))। কোনো অপরাধ মানবতাবিরোধী হিসেবে গণ্য হতে হলে তা ব্যাপক বা পদ্ধতিগত হতে হয়, অনেকটা হত্যা আর গণহত্যার পার্থক্যের মতো। তাই আইসিটি ‘বিচ্ছিন্ন’ গুমের বিচার করতে পারে না, শুধু ‘গণহারে’ গুমের বিচার করতে পারে। সংসদে বলা হচ্ছে আইনে এ বিষয়ে ‘অ্যাম্বিগুইটি’ আছে, যা সঠিক নয়। গুম অধ্যাদেশও বলে যে ব্যাপক বা পদ্ধতিগত গুমের বিচার আইসিটির এখতিয়ারভুক্ত (ধারা ২৮)। সংসদে বলা হয়েছে দুটো আইন ‘ম্যাচিং’ করার উদ্দেশ্যে অধ্যাদেশ বাতিল হয়েছে। যেহেতু ‘বিচ্ছিন্ন গুম’ আর ‘গণহারে গুম’ ভিন্ন অপরাধ, তাই আইন ‘ম্যাচিং’ করার কোনো অবকাশ নেই।

এদিকে সংসদ কর্তৃক অধ্যাদেশটি বাতিল হওয়ার কারণে ১১ এপ্রিল থেকে কোনো নতুন গুম হলে সেটি ফৌজদারি আইনেও সংজ্ঞায়িত নয় এবং আইসিটিতে গেলেও ভুক্তভোগীরা কোনো প্রতিকার পাবেন না।

৪. সংসদে বলা হয়েছে, অধ্যাদেশ পাসের মাধ্যমে জুলাই যোদ্ধাদের প্রয়োজনীয় সুরক্ষা দেয়া হয়েছে।
বাস্তবে : জুলাই অধ্যাদেশ অনুযায়ী, অভ্যুত্থানকালে রাজনৈতিক প্রতিরোধের কারণে মৃত্যু হলে জুলাই যোদ্ধারা সুরক্ষিত থাকবেন; তবে বিশৃঙ্খলার সুযোগে সংঘটিত হত্যা হলে মামলা হবে (ধারা ৫)। স্বার্থের দ্বন্দ্ব এড়াতে কোন মৃত্যু কোন শ্রেণিতে পড়বে তা মানবাধিকার কমিশন তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণ করবে। কিন্তু পুনর্বহালকৃত ২০০৯ আইনে মানবাধিকার কমিশন নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের তদন্ত করতে পারবে না (ধারা ১৮)। তদন্ত করবে সেই সরকারি বাহিনীগুলোই, যারা জুলাইয়ে নিজেরাই সরাসরি পক্ষ ছিল। যে তরুণ রাস্তায় নেমেছিলেন, তাঁর ভাগ্য নির্ধারণ করবেন তিনিই যাঁর বিরুদ্ধে তিনি দাঁড়িয়েছিলেন। ফলে ভবিষ্যতে সব রাজনৈতিক দলের জুলাই যোদ্ধারাই ঝুঁকিতে পড়তে পারেন।

৫. সংসদে বলা হয়েছে, কমিশন তদন্ত করে আবার নিজেই বাদী হয়ে মামলা করা পক্ষপাতমূলক।
বাস্তবে : কোনো অভিযোগ আপস-অযোগ্য ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে প্রতীয়মান হলে কমিশনের মামলা করার সুযোগ আছে। স্বার্থের দ্বন্দ্ব কেবল তখনই হতো যদি কমিশন সেই মামলায় বিচারকের ভূমিকাও পালন করত, যা অধ্যাদেশে নেই। তদন্তকারী পুলিশও নিয়মিত বাদী হয়ে মামলা করে, কেউ সেটাকে পক্ষপাতমূলক বলে না।

৬. সংসদে বলা হয়েছে, ২০০৯ ও ২০২৫ উভয় আইনেই কমিশন স্বায়ত্তশাসিত, তাই দুটিই সমান শক্তিশালী।
বাস্তবে : পুনর্বহালকৃত ২০০৯ আইনে কমিশন নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ তদন্ত করতে পারে না (ধারা ১৮), কিন্তু ২০২৫ অধ্যাদেশে পারত। অতএব স্বায়ত্তশাসন মানেই কার্যকর ক্ষমতা থাকা নয়।

প্রসঙ্গত, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশ সংসদে উত্থাপিত না হওয়ায় সংবিধান অনুযায়ী তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে গেছে।

আল্পনা উৎসবে রঙিন চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস থেকে ডিসি হিল

পহেলা বৈশাখকে সামনে রেখে বর্ণিল আল্পনায় সেজেছে বন্দরনগরী চট্টগ্রাম। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নগরের সার্কিট হাউস থেকে শুরু করে লাভলেইন ও কাজীর দেউড়ি হয়ে ঐতিহ্যবাহী ডিসি হিল পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার সড়কজুড়ে করা হয়েছে এই বিশাল আল্পনা অঙ্কন।

গতকাল রবিবার (১২ এপ্রিল) রাত ১১টায় এই ব্যতিক্রমী আয়োজনের উদ্বোধন করেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, জেলা শিল্পকলা একাডেমি ও শিশু একাডেমির দুই শতাধিক শিক্ষার্থী ও শিল্পী এই মহাযজ্ঞে অংশ নেন। তুলির আঁচড়ে তারা সড়কের বুকে ফুটিয়ে তুলেছেন বাঙালির চিরচেনা লতাপাতা, ফুল, পাখি ও লোকজ মোটিফ।

উদ্বোধনকালে জেলা প্রশাসক বলেন, “রঙে রঙে সড়ক রাঙানোর মধ্য দিয়ে আমরা মূলত আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ও জীবনকে রাঙিয়ে তুলতে চাই। এই আল্পনা আমাদের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রতীক। এখানে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী নির্বিশেষে আমরা সবাই মিলেমিশে একতাবদ্ধভাবে বসবাস করি।”

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের পদস্থ কর্মকর্তা এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকরা উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে এতে অংশ নেন জেলা প্রশাসকের কন্যা, যে একজন আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত খুদে শিল্পী।

নিরাপত্তার বিষয়ে পুলিশ জানায়, পহেলা বৈশাখ ঘিরে পুরো চট্টগ্রামে ব্যাপক নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ডিবি, সিটিএসবি ও কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটসহ পুলিশের একাধিক বিভাগ সমন্বিতভাবে মাঠে থাকবে, যাতে উৎসবমুখর পরিবেশে নগরবাসী নতুন বছরকে বরণ করে নিতে পারেন।

চস/স

যুক্তরাষ্ট্র ‘স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাব’ পরিত্যাগ করলে চুক্তি হতে পারে: পেজেশকিয়ান

ইসলামাবাদের বৈঠক ব্যর্থ হলেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তির সুযোগ এখনও আছে বলে মনে করেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি আরও মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি তার ‘স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাব’ পরিত্যাগ করলে তাহলেই দু’দেশের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষর হওয়া সম্ভব।

রোববার (১২ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় পেজেশকিয়ান বলেছেন, “যদি মার্কিন সরকার তাদের স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাব পরিত্যাগ করে ইরানের জনগণের জাতীয় অধিকারকে সম্মান করে— তাহলে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর পথ বের করা সম্ভব। আমি (ইরানের) প্রতিনিধি দলের সব সদস্যকে, বিশেষ করে আমার প্রিয় ভাই জনাব কালিবাফকে অভিনন্দন জানাচ্ছি এবং বলছি ঈশ্বর আপনাদের শক্তি দিন।”

রোববার পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে মার্কিন ও ইরানি প্রতিনিধিদের মধ্যে সংলাপ ব্যর্থ হওয়ার পর এক্সে এই বার্তা পোস্ট করেন পেজেশকিয়ান।

ইরানের পরমাণু প্রকল্প এবং ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি গত দু’যুগ ধরে দেশটির সঙ্গে দ্বন্দ্ব চলছে যুক্তরাষ্ট্রের। এ দুই ইস্যুতে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।

তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রথম দিনই নিহত হন আয়তুল্লাহ খামেনি, যিনি টানা ৩৭ বছর ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা ছিলেন। এছাড়াও ইরানে ক্ষমতাসীন ইসলামি প্রজাতন্ত্রী সরকারের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ এবং জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায়।

কূটনৈতিক পন্থায় উত্তেজনা প্রশমনের লক্ষ্যে যুদ্ধের ৩৯তম দিন, ৭ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। তারই ধারাবাহিকতায় ১১ এপ্রিল পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে সংলাপে বসেছিলেন দুই দেশের সরকারি প্রতিনিধিরা; কিন্তু ২১ ঘণ্টা ধরে আলোচনার পর কোনো সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর ছাড়াই শেষ হয়েছে সেই বৈঠক। সূত্র : বিবিসি

চস/স

সাবেক আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদের প্রথম জানাজা সম্পন্ন

সাবেক আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদের প্রথম জানাজার নামাজ রাজধানীর তেজগাঁওয়ের ইন্দিরা রোড খেলার মাঠে সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) সাড়ে ১১টার দিকে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এতে পরিবার ও তার শুভাকাঙ্ক্ষীরা অংশ নেন।

এদিকে দুপুর দেড়টায় দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে সুপ্রিম কোর্টে। পরে বিকাল ৩টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বস্তরের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে, বিকাল ৫টায় আজিমপুর কবরস্থানে জীবনসঙ্গী মাহফুজা খানমের পাশে দাফন করার কথা রয়েছে সাবেক আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদকে।

রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। ২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ছিলেন শফিক আহমেদ।

চস/স

চট্টগ্রামের শীর্ষ ছিনতাইকারী শাফায়েত গ্রেপ্তার

চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত শীর্ষ ছিনতাইকারী শাফায়েতকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে আগ্রাবাদ এক্সেস রোড ও আশপাশের এলাকায় একাধিক ছিনতাইয়ের অভিযোগ রয়েছে।

রোববার (১২ এপ্রিল) দিবাগত রাত ২টার দিকে হালিশহর থানার একটি টিম এসআই জাহিদের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে ছোটপুল এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ জানায়, শাফায়েত ও তার সহযোগী বিজয় দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় সংঘবদ্ধভাবে ছিনতাই করে আসছিল।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে হালিশহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, গ্রেপ্তার শাফায়েতের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

একটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে আগ্রাবাদ এক্সেস রোড ও আশপাশের এলাকায় সক্রিয় অন্তত এক ডজন দুর্ধর্ষ ছিনতাইকারীর নাম উঠে আসে, যার মধ্যে শাফায়েতকে অন্যতম প্রধান হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শাফায়েত ও তার দল মূলত ভ্যানচালক, গার্মেন্টস কর্মী এবং অফিসগামী সাধারণ মানুষকে লক্ষ্য করে ছিনতাই করতো। তাদের বিরুদ্ধে থানায় একাধিক অভিযোগ জমা রয়েছে।

চস/স

সিকেডি হাসপাতালে চাঁদাবাজি: প্রধান আসামি মঈনসহ গ্রেপ্তার ৭

রাজধানীর শ্যামলীতে অবস্থিত সেন্টার ফর কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি (সিকেডি) হাসপাতালে চাঁদাবাজি ও চিকিৎসককে হেনস্তা করার মামলায় প্রধান অভিযুক্ত মঈন উদ্দিনসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে গ্রেপ্তারের কথা নিশ্চিত করেছেন র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী।

তিনি বলেন, সিকেডি ইউরোলজি হাসপাতালের চাঞ্চল্যকর চাঁদাবাজি মামলার প্রধান অভিযুক্ত মঈনসহ মোট সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন।

রোববার দিবাগত রাতে নড়াইল ও ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। র‍্যাব জানায়, এই মামলার মূলহোতা মঈন উদ্দিনকে নড়াইল জেলার কালিয়া থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃত অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন মো. ফালান মিয়া (৪২), মো. রুবেল (৪২), মো. স্বপন কাজী (৩৬) ও মো. শাওন হোসেন (২৫)। দেশজুড়ে সমাদৃত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলামের হাসপাতালে এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এই তড়িৎ পদক্ষেপ জনমনে স্বস্তি ফিরিয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত হয় গত শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে, যখন সাবেক যুবদল নেতা মঈন উদ্দিনের নেতৃত্বে একদল লোক হাসপাতালে প্রবেশ করে মব বা অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, মঈন উদ্দিন তার দলবল নিয়ে ভেতরে ঢুকে হাসপাতালের কর্মকর্তাদের হুমকি দিচ্ছেন এবং নিয়ম ভেঙে জোরপূর্বক অপারেশন থিয়েটারে প্রবেশ করছেন।

এ সময় হাসপাতালের ওটি ইনচার্জ আবু হানিফকে শারীরিকভাবে হেনস্তা করার দৃশ্যও ধরা পড়ে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে গত শনিবার শেরেবাংলা নগর থানায় মঈনকে এক নম্বর আসামি করে অজ্ঞাত আরও ৭-৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। ওটি ইনচার্জ আবু হানিফ নিজেই বাদী হয়ে এই মামলাটি করেন।

ভুক্তভোগী হাসপাতাল সূত্র এবং অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলামের দেওয়া তথ্যমতে, গত ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকেই মঈন উদ্দিন নানাভাবে ডা. কামরুলকে অতিষ্ঠ করে তুলেছিলেন। অভিযুক্ত মঈন জোরপূর্বক হাসপাতালে মেডিকেল সরঞ্জাম, চালসহ বিভিন্ন পণ্য সরবরাহের জন্য চাপ সৃষ্টি করে আসছিলেন।

এছাড়া তিনি বিভিন্ন সময়ে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন এবং হাসপাতালে কর্মরত সাবেক সরকার সমর্থক কর্মীদের বের করে দেওয়ার জন্য চিকিৎসককে ভয়ভীতি দেখান। ডা. কামরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, এর আগে দুই দফা হুমকির পর তিনি স্থানীয় পুলিশ ও বিএনপি নেতাদের কাছে সহযোগিতা চেয়েও কোনো প্রতিকার পাননি। মঈন উদ্দিন প্রায়ই ৫০-৬০ জন লোক নিয়ে হাসপাতালের সামনে মহড়া দিতেন এবং চিকিৎসকের নামে মিথ্যা কুৎসা রটাতেন।

বর্তমানে গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। র‍্যাব জানিয়েছে, হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা বিঘ্নিত করা বা কোনো স্বনামধন্য চিকিৎসকের ওপর অনৈতিক চাপ প্রয়োগকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

চস/স

পহেলা বৈশাখে যান চলাচলে সিএমপির বিশেষ নির্দেশনা

চট্টগ্রাম মহানগরীতে পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষ্যে ডিসি হিল ও সিআরবি এলাকায় যান চলাচলে বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)।

আগামী ১৪ এপ্রিল (মঙ্গলবার) সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এ ব্যবস্থা কার্যকর থাকবে।

মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বৈশাখের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নির্বিঘ্ন করতে নজরুল স্কয়ার (ডিসি হিল) ও সিআরবি শিরিষতলা কেন্দ্রিক বিভিন্ন সড়কে রোড ব্লক বসিয়ে ডাইভারশন দেওয়া হবে।

ডিসি হিল এলাকায় লাভ লেইন (নুর আহম্মেদ সড়কের মাথা), চেরাগী পাহাড়, এনায়েত বাজার মোড় এবং বোস ব্রাদার্স (পুলিশ প্লাজা) মোড়ে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে। ফলে এসব এলাকায় সব ধরনের যানবাহন চলাচল সীমিত থাকবে।

একইভাবে সিআরবি শিরিষতলা এলাকায় আটমার্সিং, ফ্রোন্সিস রোড, কাঠের বাংলো এবং উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় মোড়ে রোড ব্লক স্থাপন করা হবে। এসব পয়েন্ট থেকে সিআরবি অভিমুখে যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রিত থাকবে।

পুলিশ জানায়, পয়লা বৈশাখের অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে ও নিরাপদ রাখতে এসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ সময় যানবাহনের চালক ও যাত্রীদের বিকল্প সড়ক ব্যবহার এবং নির্দেশনা মেনে চলার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

চট্টগ্রামে প্রতি বছর পয়লা বৈশাখ ঘিরে ডিসি হিল ও সিআরবি এলাকায় ব্যাপক জনসমাগম ঘটে এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

চস/স

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের মার্কিন দাবি ইরানের অস্বীকার

হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন সামরিক জাহাজ চলাচলের বিষয়ে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) দাবি জোরালোভাবে নাকচ করে দিয়েছেন খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের মুখপাত্র।

রোববার (১২ এপ্রিল) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইব্রাহিম যুলফাকারি বলেন, ‘এই কৌশলগত জলপথে যেকোনো জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেয়ার ক্ষমতা ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর হাতে রয়েছে।’

পাশাপাশি, ইরানের ইসলামী বিপ্লবী রক্ষীবাহিনী (আইআরজিসি) নৌবাহিনী ঘোষণা করেছে যে, সামরিক জাহাজগুলোর হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করার যেকোনো প্রচেষ্টার, কঠোর প্রতিরোধের সম্মুখীন হতে হবে।

আরও পড়ুন: যেসব কারণে ভেস্তে গেলো ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি চুক্তি

বাহিনীটি এক বিবৃতিতে বলে, আইআরজিসি-র পূর্ণ কর্তৃত্ব রয়েছে এবং তারা বুদ্ধিমত্তার সাথে হরমুজ প্রণালি পরিচালনা করে, এবং শুধুমাত্র বেসামরিক জাহাজগুলোকে বিশেষ নিয়মাবলীর অধীনে যাতায়াতের অনুমতি দেয়া হবে।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, প্রণালিটি দিয়ে মার্কিন জাহাজ চলাচলের যেকোনো খবর অস্বীকার করা হয়েছে, এবং সামরিক জাহাজের যাতায়াতের যেকোনো প্রচেষ্টাকে চূড়ান্ত দৃঢ়তা ও কঠোর জবাব দেয়া হবে।

শনিবার (১১ এপ্রিল) সেন্টকম দাবি করে, দুটি ডেস্ট্রয়ার, ইউএসএস ফ্র্যাঙ্ক ই পিটারসন এবং ইউএসএস মাইকেল মারফি, হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে এবং প্রণালীটিকে সমুদ্র মাইনমুক্ত রাখার বৃহত্তর অভিযানের অংশ হিসেবে পারস্য উপসাগরে কার্যক্রম পরিচালনা করেছে।

এদিকে, মার্কিন অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার এক বিবৃতিতে দাবি করেন, ‘আজ আমরা একটি নতুন পথ তৈরির প্রক্রিয়া শুরু করেছি, এবং বাণিজ্যের অবাধ প্রবাহকে উৎসাহিত করতে আমরা দ্রুত এই নিরাপদ পথটি সামুদ্রিক শিল্পের সাথে ভাগ করে নেব।’

২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন-ইসরাইলের যৌথ হামলার পর হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল সীমিত করা হয়।

চস/স