spot_img

২৩শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, রবিবার
৮ই নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৭ জনের বাড়িই কক্সবাজারে

০

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত সাত বাংলাদেশি নাগরিক তিনটি পরিবারের সদস্য। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ছয়জন। নিহত ও আহতদের সবার গ্রামের বাড়ি কক্সবাজার জেলায়।

স্থানীয় সময় শ‌নিবার (৭ ন‌ভেম্বর) রা‌তে জেদ্দায় অবস্থিত বাংলাদেশ কনস্যুলেট এ তথ‌্য জা‌নি‌য়ে‌ছে।

কনস্যুলেট জানায়, গত ৭ অক্টোবর দিবাগত রাত ২টার দিকে মদিনা থেকে জেদ্দায় ফেরার পথে আল-হিমনা নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে মোট ১৩ জন বাংলাদেশি হতাহত হন।

দুর্ঘটনায় নিহতরা মোট তিনটি পরিবারের সদস্য। এরমধ্যে জিয়াউর রহমানের পরিবারের চারজন, আলম শাহের পরিবারের দুজন এবং ইলিয়াসের পরিবারের একজন নিহত হয়েছেন।

জিয়াউর রহমানের পরিবারের চারজন হলেন- জিয়াউর রহমান, তার মেয়ে বুশরা এবং দুই ছেলে ইয়াসির ও ইয়াযান। তাদের মরদেহ আল-হিমনা জেনারেল হাসপাতালে রাখা হয়েছে।

এ পরিবারের আহত দুজন হলেন- জিয়াউর রহমানের স্ত্রী শাকিরা ও মেয়ে ইউসরা।

শাকিরা খোলাইস জেনারেল হাসপাতালে এবং ইউসরা জেদ্দার কিং আব্দুল আজিজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

আলম শাহের পরিবারের দুজন নিহত হয়েছেন। তারা হলেন-তার স্ত্রী সানজিদা ও মেয়ে ফারিয়া। তাদের মরদেহ যথাক্রমে আল-হিমনা ও খোলাইস জেনারেল হাসপাতালে রাখা হয়েছে।

এ পরিবারের আহত দুজনের মধ্যে- আলম শাহ প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন। তার ছেলে ফায়সাল ইস্ট জেদ্দা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

ইলিয়াসের পরিবারের একজন নিহত হয়েছেন। কয়েকদিন আগে ওমরাহ করতে সৌদি আরবে আসা তার স্ত্রী আফসানা বিবি দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। তার মরদেহ খোলাইস জেনারেল হাসপাতালে রাখা হয়েছে। আহত ইলিয়াস প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল ছেড়েছেন।

এ ছাড়া, আহত আরেক বাংলাদেশি গফুর আলম খোলাইস জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, দুর্ঘটনাকবলিত গাড়িটি চালাচ্ছিলেন একজন পাকিস্তানি নাগরিক। দুর্ঘটনার সময় গাড়িটির গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় প্রায় ১৬০ কিলোমিটার। ট্রাফিক অফিসের প্রাথমিক ধারণা, অতিরিক্ত গতির কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়িটি উল্টে যায়। তবে চালকের দাবি, টায়ার ফেটে যাওয়ায় দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। প্রকৃত কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

জানা গেছে, দুর্ঘটনাকবলিত যাত্রীদের মধ্যে চারজন আল-আবির কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। কোম্পানির মক্কা শাখার ম্যানেজার সালমানের তথ্য অনুযায়ী, গাড়িতে ওই চার কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা ছিলেন। দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই জেদ্দার বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল দ্রুত পদক্ষেপ নেয়। কনস্যুলেটের কাউন্সেলর (শ্রম) একজন আইন সহকারীসহ খোলাইস ট্রাফিক অফিসে যান এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন।

নিহতদের মরদেহ দেশে পাঠানো এবং আহতদের চিকিৎসার বিষয়ে কনস্যুলেট প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে বলে জানানো হয়।

চস/স

সাংবাদিক হয়রানি ও জাতীয় সংগীত অবমাননার ঘটনায় পরীমনিকে আইনি নোটিশ

সাংবাদিক হয়রানি এবং জাতীয় সংগীত অবমাননার অভিযোগে চিত্রনায়িকা পরীমনিকে (শামসুন্নাহার স্মৃতি) ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়ে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককেও নোটিশের কপি দেওয়া হয়েছে।

রোববার ( ৮ নভেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হাসান শাহরিয়ার এই নোটিশ পাঠান।

নোটিশে আগামী ৭ দিনের মধ্যে আদালত প্রাঙ্গণে ঘটে যাওয়া ঘটনার জন্য পরীমনিকে লিখিতভাবে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি চলচ্চিত্র বা ভিডিওসহ যেকোনো মাধ্যমে অশ্লীল কথাবার্তা, হুমকি, কুশ্রী অঙ্গভঙ্গি কিংবা নগ্ন ও কুরুচিপূর্ণ নাচ-গান—যার কোনো শৈল্পিক বা শিক্ষামূলক মূল্য নেই—তা করা থেকে ভবিষ্যতে তাকে পুরোপুরি দূরে থাকতে বলা হয়েছে। এছাড়া নোটিশ পাওয়ার ৭ দিনের মধ্যে পরীমনিকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়ে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে শিল্পী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। অন্যথায় পরবর্তী সময়ে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে উল্লেখ করা হয়।

নোটিশে যা বলা হয়েছে, গত ৫ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের করা একটি মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পান শামসুন্নাহার স্মৃতি ওরফে পরীমনি। সকাল ১১টা ৪০ মিনিটে তিনি গাড়ি থেকে নেমে এজলাসের দিকে যাওয়ার সময় সাংবাদিকরা ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে চাইলে তার নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে তাদের ধাক্কাধাক্কি হয়।

সে সময় পরীমনি ‘সমকাল’-এর মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার রবিউল হোসাইনের মোবাইলফোন কেড়ে নেন এবং তাঁর সাথে থাকা নিরাপত্তারক্ষীরা রবিউলের ভিডিও ট্রাইপডটি ভেঙে ফেলেন। এই ধাক্কাধাক্কির ঘটনায় ‘জাগো নিউজ’-এর প্রতিবেদক আশিকুজ্জামান ও মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার আবদুল্লাহ আল কাউছার, ‘আগামীর সময়’-এর প্রতিবেদক সিয়াম হোসেন এবং ‘টাইমস টুডে’-র শাহ রিয়াজ আহত হন। এছাড়া সুজন চন্দ্র মণি দাস নামের একজন বিচারপ্রার্থীর মাথা ফেটে রক্ত বের হয় বলে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচারিত হয়। নোটিশে উল্লেখ করা হয়, আদালত প্রাঙ্গণে সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও প্রশাসনের দায়িত্ব; একাধিক ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী নিয়ে পেশিশক্তি প্রদর্শন বা আদালতের পরিবেশ নিয়ন্ত্রণের কোনো আইনি সুযোগ কারও নেই।

পরবর্তীতে পরীমনি আদালত থেকে বের হয়ে ডান হাত জন্মগতভাবে বিকলাঙ্গ (বাঁ হাতের চেয়ে ছোট ও তিনটি আঙুল নেই) রিপোর্টার রবিউল হোসাইনের দিকে তেড়ে যান। নোটিশ অনুযায়ী, তিনি রবিউলকে ‘এদিকে আয়, আমার হাত এভাবে ধরলি কেন?’ বলে গালিগালাজ করেন এবং ‘তোকে পিষে মেরে ফেলব’ বলে প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি দেন, যার ভিডিও গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে।

নোটিশে বলা হয়, একজন পেশাদার সাংবাদিকের প্রতি পরিমনির এই আচরণ কেবল পেশাগত মর্যাদার ওপর আঘাত নয়, বরং স্বাধীন সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের জন্য চরম হুমকিস্বরূপ। একজন চলচ্চিত্র অভিনেত্রীর কাছ থেকে এমন আচরণ একেবারেই কাম্য নয়।

এছাড়া, আইনি নোটিশে আরও অভিযোগ করা হয় যে, পরীমনি গত ৬ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতকে মিউজিক হিসেবে ব্যবহার করে একটি অশ্লীল পোস্ট করেছেন। এসব বিতর্কিত কর্মকাণ্ড নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে খবর প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেটেজেনরা নেতিবাচক ও সমালোচনামূলক মন্তব্য করতে শুরু করেছেন। সূত্র: ঢাকা পোস্ট

চস/স

সড়ক দুর্ঘটনা: ৬ বছর ১০ মাসে নিশ্চিহ্ন ৩০০ পরিবার

০

সড়ক দুর্ঘটনায় একসঙ্গে পরিবারের একাধিক সদস্য নিহত হওয়ার প্রবণতা বাড়ছে। ২০২০ সাল থেকে ২০২৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত প্রায় ৬ বছর ১০ মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রায় ৩০০ পরিবার পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। মোটরসাইকেল, অটোরিকশা, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস, অ্যাম্বুলেন্স ও বাস দুর্ঘটনায় এসব প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।

রোববার (৮ নভেম্বর) রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনটি তৈরি করতে ৯টি জাতীয় দৈনিক, ১৭টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল, ইলেকট্রনিক গণমাধ্যম এবং নিজেদের সংগৃহীত তথ্য পর্যালোচনা করেছে সংস্থাটি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় স্বামী-স্ত্রী নিহতের ঘটনা ঘটেছে ১৯৩টি এবং পিতা-সন্তান নিহতের ঘটনা ঘটেছে ১৫৯টি। ১৯৩টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় স্বামী-স্ত্রী নিহত হয়েছেন ৩৮৬ জন। আর ১৫৯টি দুর্ঘটনায় পিতা-সন্তান নিহত হয়েছেন ৩১৮ জন।

অটোরিকশা দুর্ঘটনায় একই পরিবারের একাধিক সদস্য নিহতের ঘটনাও উদ্বেগজনক। এসব দুর্ঘটনায় একই পরিবারের দুজন নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে ২১১টি, তিনজন নিহতের ঘটনা ১১৮টি, চারজন নিহতের ঘটনা ৯২টি, পাঁচজন নিহতের ঘটনা ৫৩টি, ছয়জন নিহতের ঘটনা ৩৮টি এবং সাতজন নিহতের ঘটনা ঘটেছে ১৩টি। সব মিলিয়ে ৫২৫টি অটোরিকশা দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১ হাজার ৭২৮ জন।

মাইক্রোবাস দুর্ঘটনায় একই পরিবারের দুজন নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে ৪৮টি, তিনজন নিহতের ঘটনা ৪৬টি, চারজন নিহতের ঘটনা ৩৯টি, পাঁচজন নিহতের ঘটনা ২৮টি, ছয়জন নিহতের ঘটনা ২০টি, ১১ জন নিহতের ঘটনা চারটি এবং ১৪ জন নিহতের ঘটনা ঘটেছে একটি। মোট ১৮৬টি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৭০৮ জন।

প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় একই পরিবারের দুজন নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে ৩৪টি, তিনজন নিহতের ঘটনা ৩১টি, চারজন নিহতের ঘটনা ২৪টি এবং পাঁচজন নিহতের ঘটনা ১৯টি। মোট ১০৮টি দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৩৫২ জন।

অ্যাম্বুলেন্স দুর্ঘটনায় একই পরিবারের দুজন নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে ১১টি, তিনজন নিহতের ঘটনা ১৫টি, চারজন নিহতের ঘটনা ৯টি, পাঁচজন নিহতের ঘটনা সাতটি এবং আটজন নিহতের ঘটনা ঘটেছে তিনটি। এসব ঘটনায় মোট ৪৫টি দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে ১৬২ জনের।

এ ছাড়া বাস দুর্ঘটনায় একই পরিবারের দুজন নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে ১৭টি, তিনজন নিহতের ঘটনা নয়টি এবং চারজন নিহতের ঘটনা ছয়টি। মোট ৩২টি দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৮৫ জন। অন্যদিকে, পিকআপ ভ্যান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গিয়ে একই পরিবারের চারজন নিহত হওয়ার একটি ঘটনা ঘটেছে।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের প্রতিবেদনে পরিবারভিত্তিক প্রাণহানির কয়েকটি কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পরিবারের সবাই একসঙ্গে কাজে বা ঘুরতে যাওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি, মহাসড়কে অটোরিকশা চলাচল, অধিকাংশ মাইক্রোবাস ও অ্যাম্বুলেন্সের ফিটনেস না থাকা এবং এসব যানবাহনের চালকদের অদক্ষতা।

এ ছাড়া চালকদের বিশ্রামহীনভাবে গাড়ি চালানো, মানসম্মত হেলমেট ব্যবহার না করা, বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো এবং ট্রাফিক আইন না মানার প্রবণতাকেও দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

চস/স

বিমানবন্দরে যাত্রীর ব্যাগে মিললো ৮ লাখ টাকার নিষিদ্ধ বিউটি ক্রিম

০

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুবাইফেরত এক যাত্রীর ব্যাগেজ থেকে ৪০ কেজি ওজনের ১ হাজার ৩০০ পিস নিষিদ্ধ Fresh & White Beauty Cream জব্দ করা হয়েছে। আটক পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য ৮ লাখ টাকা।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার (৭ নভেম্বর) কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে সতর্ক অবস্থান নেন। এ সময় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই-চট্টগ্রামগামী (BG-148) ফ্লাইটে আসা যাত্রী মোহাম্মদ জাহেদের ব্যাগেজ স্ক্যান ও তল্লাশি করে এসব ক্রিম পাওয়া যায়।

কাস্টমস গোয়েন্দা কর্তৃপক্ষ জানায়, নিষিদ্ধ এসব প্রসাধনী আমদানি প্রযোজ্য আমদানি নীতি আদেশের বিধান লঙ্ঘন। জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এসব পণ্য দেশে প্রবেশ ও বাজারে ছড়িয়ে পড়া প্রতিরোধে বিমানবন্দরে নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ঝুঁকিপূর্ণ ফেস ক্রিমসহ স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর পণ্যের অবৈধ আমদানি প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

চস/স

গ্রাম পুলিশের বেতন বাড়ানোর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

০

গ্রাম পুলিশ সদস্যদের বেতন বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এখন থেকে একজন গ্রাম পুলিশ সদস্য মাসিক ১০ হাজার ৫০০ টাকা এবং গ্রাম পুলিশের প্রধান ১১ হাজার টাকা বেতন পাবেন। পাশাপাশি প্রত্যেক সদস্যকে প্রতি মাসে ১৫০ টাকা করে মোবাইল বিল দেবে সরকার।

নতুন এ সিদ্ধান্ত আজ শনিবার (৭ নভেম্বর) থেকেই কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

একইসঙ্গে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে নতুন করে দুজন নারী গ্রাম পুলিশ নিয়োগ এবং তাদের মাতৃত্বকালীন ছুটি ছয় মাস করার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে রাজধানীর জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে আয়োজিত গ্রাম পুলিশদের মহাসমাবেশে প্রধানমন্ত্রী এসব ঘোষণা দেন।

এর আগে সহধর্মিণী ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে শনিবার বেলা পৌনে ১২ টার দিকে তেজগাঁওয়ে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডের এই সমাবেশে যোগ দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে গ্রাম পুলিশ সদস্যদের মাসিক বেতন সাড়ে সাত হাজার টাকা। এটি বাড়িয়ে ১০ হাজার ৫০০ টাকা করা হয়েছে। আর গ্রাম পুলিশ প্রধানের মাসিক বেতন আট হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া গ্রাম পুলিশ সদস্যদের অবসরকালীন আনুতোষিক ভাতা ৫০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮০ হাজার টাকা এবং গ্রাম পুলিশ প্রধানের ক্ষেত্রে ৮০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে এক লাখ টাকা করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গ্রাম পুলিশ সদস্যদের যোগাযোগের সুবিধার্থে মোবাইল ফোন খরচ বাবদ ১৫০ টাকা মাসে দেওয়া হবে। পাশাপাশি থানায় যাতায়াত ভাতাও বাড়ানো হয়েছে। বর্তমানে গ্রাম পুলিশ সদস্যরা প্রতি সপ্তাহে ৩০০ টাকা যাতায়াত ভাতা পান। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তা বাড়িয়ে ৫০০ টাকা করা হয়েছে। গ্রাম পুলিশ প্রধানদের ক্ষেত্রে এ ভাতা ৩০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬০০ টাকা করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু পদবি পরিবর্তন নয়, গ্রাম পুলিশের আর্থিক ও পেশাগত মর্যাদা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগে মহল্লাদার ও দফাদার হিসেবে পরিচিতদের এখন থেকে যথাক্রমে গ্রাম পুলিশ সদস্য ও গ্রাম পুলিশ প্রধান হিসেবে পরিচিত করা হবে।

প্রতিটি ইউনিয়নে দুজন করে নতুন নারী গ্রাম পুলিশ নিয়োগের ঘোষণা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে নারী গ্রাম পুলিশের মাতৃত্বকালীন ছুটি ছয় মাস করা হবে।

গ্রাম পুলিশের কাজের স্বীকৃতি হিসেবে প্রতিটি ইউনিয়নের একটি দীর্ঘ সড়ক গ্রাম পুলিশের নামে নামকরণের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। ওই সড়কের দুই পাশে গাছ লাগানো হবে। গাছ বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ সদস্যদের মধ্যে বিতরণ করা হবে।

এছাড়া গ্রাম পুলিশ সদস্যদের পাঁচ বছর পরপর সাইকেল দেওয়ার পরিবর্তে তিন থেকে সাড়ে তিন বছর পরপর নতুন সাইকেল দেওয়ার ব্যবস্থা করতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দেওয়ার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী।

চস/স

৭ নভেম্বর পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে নতুন যাত্রা শুরুর দিন: ডা. শাহাদাত

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে স্বাধীনতার চেতনা ও জাতীয় সংহতির প্রতীক হিসেবে এ দিবসের গুরুত্ব অনস্বীকার্য। ৭ নভেম্বরের বিপ্লব আমাদের অনুপ্রেরণা। এদিনে আমরা পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে নতুন যাত্রা শুরু করেছি। সিপাহি জনতার ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই দিনের তাৎপর্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ও উন্নয়নকে অব্যাহত রাখতে শহীদ জিয়ার আদর্শকে ধারণ করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

তিনি শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে নগরীর ষোলশহর ২ নং গেইটস্থ শহীদ জিয়ার স্মৃতি বিজড়িত বিপ্লব উদ্যানে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণকালে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ভিন দেশের আধিপত্য মোকাবেলায় ৭ নভেম্বরের চেতনা ধারণ করতে হবে। ৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধে এ দেশের মাটি ও মানুষকে মুক্ত করতে জিয়াউর রহমানের যুগ শ্রেষ্ঠ ভূমিকার কথা স্মরণ করে এদেশের সিপাহী জনতা ৭ নভেম্বর জিয়াউর রহমানকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে ক্ষমতার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছিল।

তিনি বলেন, ৭ নভেম্বর বিপ্লব এদেশকে পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ করার ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দিয়েছিল। দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব অক্ষুন্ন রাখার পাশাপাশি ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে নিতে ৭ নভেম্বরের বিপ্লবী চেতনা কিশোর তরুণ প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে।

সিটি প্রশাসক বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের প্রকৃত রূপকার। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার সময় তিনি জানতেন, এ ঘোষণার কারণে তাঁকে কোর্ট মার্শালের মুখোমুখি হতে হতে পারে। তারপরও নিজের পরিণতির কথা চিন্তা না করে তিনি দেশের স্বাধীনতাকামী মানুষের পক্ষে সাহসী ভূমিকা পালন করেছিলেন। তাঁর নেতৃত্বেই দেশ পুনর্গঠনের পথে এগিয়ে যায় এবং জনগণের ক্ষমতায়নের সূচনা ঘটে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির ইতিহাসে ৭ নভেম্বরের তাৎপর্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জাতীয় ঐক্য ও গণতান্ত্রিক চেতনা ধারণ করে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, আজকের দিনে আমাদের শপথ হোক, শহীদ জিয়াউর রহমানের দেশপ্রেম, সততা ও আদর্শকে ধারণ করে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব।

এতে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসেম বক্কর, চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন শামীম মোহাম্মদ খান, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ড. কিসিঞ্জার চাকমা, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির চৌধুরী, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ইমাম হোসেন রানা, আইন কর্মকর্তা মহিউদ্দিন মুরাদ, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক হারুন জামান, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আহবায়ক কমিটির সদস্য জাহাঙ্গীর আলম দুলাল, মো. খোরশেদুল আলম, মো. কামরুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন লিপু সহ চসিকের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাবৃন্দ, ম্যাজিস্ট্রেবৃন্দ, শাখা প্রধানবৃন্দ, বিএনপি নেতৃবৃন্দ এবং সিবিএ নেতৃবৃন্দ।

চস/স

যা খুশি বলো, আমি নারীর পক্ষেই থাকব: প্রভা

০

অভিনেত্রী পরীমনির পাশে দাঁড়িয়ে বক্তব্য দেওয়ার পর সামাজিক মাধ্যমে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা। অতীতে তার একটি ব্যক্তিগত ভিডিও ভাইরাল হওয়ার ঘটনা টেনে একশ্রেণির মানুষ তাকে কটাক্ষ ও চরিত্রহনন করার চেষ্টা চালাচ্ছেন। তবে এসবে দমে না গিয়ে সমালোচকদের কড়া জবাব দিয়েছেন এই অভিনেত্রী।

তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, মানুষের অপমান বা কটূক্তি তার নীতিতে কোনো পরিবর্তন আনতে পারবে না এবং যেকোনো নারীর অসম্মান ও হয়রানির বিরুদ্ধে তিনি সর্বদা সোচ্চার থাকবেন।

সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে প্রভা লিখেছেন, ‘আমি যেকোনো নারীর পাশে দাঁড়াব। প্রয়োজনে হাজারবার দাঁড়াব। আমাকে যা খুশি বলুন, আমার চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তুলুন, যেভাবে খুশি আখ্যায়িত করুন। আপনাদের অপমান কখনোই আমার নীতিকে বদলাতে পারবে না।’

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, কোনো নারীর প্রতিটি কাজের সঙ্গে একমত হওয়া বা তার আচরণ সমর্থন করা বাধ্যতামূলক নয়; তবে এর অজুহাতে তাকে অসম্মান, হয়রানি বা অনিরাপদ বোধ করানোর অধিকার কারও নেই। পরীমনির ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি জানান, ঘটনাস্থলে উপস্থিত অনেকের সঙ্গে কথা বলে তার মনে হয়েছে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগটি হয়তো সত্য ছিল না, তবুও সেই পরিস্থিতিতে পরীমনিকে যা সহ্য করতে হয়েছে তার প্রতি তিনি আন্তরিক সহমর্মিতা প্রকাশ করেছেন।

নিজের অতীতের অনভিপ্রেত ঘটনা টেনে যারা তাকে লজ্জিত করতে চান, তাদের উদ্দেশে প্রভা দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, যে ঘটনার জন্য তিনি কখনো দায়ী ছিলেন না, তার জন্য অন্যদের করা বিচার তার পরিচয় নির্ধারণ করে না। পরিশেষে তিনি ঘোষণা দেন, যে মানুষেরা মনে করেন নারীর মর্যাদা নির্ধারণের অধিকার তাদের রয়েছে, তাদের কাছে গ্রহণযোগ্য হওয়ার জন্য তিনি কখনোই নীরব থাকবেন না। বরং এমন মানুষের কাছে অপমানিত হওয়াকেই তিনি বেশি গ্রহণযোগ্য বলে মনে করেন।

চস/স

চট্টগ্রামে শিক্ষা সফরের বাস খাদে, নিহত ২

০

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় শিক্ষা সফরে যাওয়ার পথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের পাশের ডোবায় পড়ে গেছে একটি যাত্রীবাহী বাস। এতে এক শিক্ষিকাসহ দুজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ৩০ জন।

শনিবার (৭ নভেম্বর) ভোরে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের সাতকানিয়ার তেমুহনী রেলক্রসিং এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার বাকশীমূল সুন্নিয়া ইসলামিয়া মাদরাসার প্রভাষক সোহানা আফরোজ (৪৫) এবং একই মাদরাসার এক শিক্ষিকার স্বামী সাখাওয়াত হোসেন ইসরাফিল (৫৬)।

পুলিশ ও মাদরাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রাত ১০টার দিকে শিক্ষা সফরের উদ্দেশ্যে শিক্ষক, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে দুটি বাস কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার বাকশীমূল সুন্নিয়া ইসলামিয়া মাদরাসা প্রাঙ্গণ থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা হয়। পথে একটি বাস সাতকানিয়ার তেমুহনী রেলক্রসিং এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের পাশের ডোবায় পড়ে যায়।

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে অপর বাসের যাত্রী, স্থানীয় লোকজন, ফায়ার সার্ভিস, হাইওয়ে পুলিশ ও সাতকানিয়া থানা-পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। পরে আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়।

মাদরাসার সহকারী শিক্ষক আবদুর রহিম বলেন, শিক্ষা সফরে যাওয়ার পথে দুটি বাসের মধ্যে একটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের ডোবায় পড়ে যায়। এতে মাদরাসার একজন শিক্ষিকা ও একজন অতিথি নিহত হয়েছেন। তারা বাসটির সামনের আসনে বসেছিলেন। ডোবার পানিতে বাসের কিছু অংশ ডুবে থাকায় শ্বাস নিতে না পেরে তাদের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন তিনি।

দোহাজারী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুল আবছার বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহত দুজনের মরদেহ হাইওয়ে পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত বাসটিও উদ্ধার করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, চালকের চোখে ঘুম ঘুম ভাব থাকায় বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডোবায় পড়ে যায়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ দুটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

চস/স

বাংলাদেশের শত্রু-মিত্র চিহ্নিত করার দিন ৭ নভেম্বর: প্রধানমন্ত্রী

০

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের শত্রু-মিত্র চিহ্নিত করার দিন। শনিবার (৭ নভেম্বর) রাজধানীর বনানী আর্মি স্টেডিয়ামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের কুচকাওয়াজে যোগ দিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

৭১ স্বাধীনতা অর্জনের, আর ২৪ ছিল স্বাধীনতা রক্ষার যুদ্ধ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দিল্লি নয়, পিন্ডি নয়, সবার আগে বাংলাদেশ।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় এবং সশস্ত্র বাহিনীর তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের বিশেষ প্রদর্শনীতে অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোরের (বিএনসিসি) ৩ হাজার ক্যাডেট এবং বাংলাদেশ স্কাউটসের ৫০০ সদস্য।

অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান, বিমানবাহিনী প্রধান, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যগণ ও সংসদ সদস্যসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও রাষ্ট্রদূতগণ উপস্থিত ছিলেন।

চস/স

চন্দনাইশে ব্রিজের পাশ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

০

চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার বরুমতি ব্রিজের পাশে মো. হাশেম (৩৭) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত মো. হাশেম উপজেলার সাতবাড়িয়া ইউনিয়নের বাদশারপাড়ার বানু মিয়ার ছেলে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল ৭টায় উপজেলার গাছবাড়ীয়া এলাকায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের বরুমতি ব্রিজের পাশ থেকে তার মরেদহ উদ্ধার করা হয়।

চন্দনাইশ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আলমগীর বলেন, সকাল সাড়ে ৬টার দিকে গাছবাড়িয়া এলাকায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের বরুমতি ব্রিজের পাশে এক ব্যক্তির মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কতর্ব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে তাকে মেরে কেউ এখানে ফেলে গেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

চস/স