আর পাঁচদিন পরই ঈদুল আজহা। নগরে এরই মধ্যে জমে উঠেছে গরুর বাজার। বাজারগুলোর নিরাপত্তায় পুলিশের তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) বলেন, পশুর হাটগুলোতে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পোষাকের পাশাপাশি সাদা পোষাকেও পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। পশুর হাটে নিরব চাঁদাবাজি রুখে দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, জাল নোটের ব্যবহার রোধে ব্যাংক ও ইজারাদারদের পক্ষ থেকে মেশিন বসানো হবে। জাল নোটের ব্যাপারে অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রাস্তায় কোনও হাট বসতে দেওয়া হবে না।
জানা গেছে, ৫ স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়তে সমন্বিতভাবে কাজ করবে র্যাব, পুলিশ ও এপিবিএন। পশুর হাটে ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে ড্রোন ক্যামেরা, আর্চওয়ে গেট, ওয়াচ টাওয়ার ও সাদা পোশাকে পুলিশ সদস্য মাঠে সক্রিয় রয়েছে। নগদ টাকা বহনে পুলিশি স্কট দেওয়া হবে কোনো সার্ভিস চার্জ ছাড়াই।
সিএমপির সূত্রে জানা গেছে, কোরবানির পশুর হাটের ব্যবসায়ী ও ক্রেতা সাধারণের নিরাপত্তা, ঈদ জামাতের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, যাত্রীদের বাসস্ট্যান্ড, রেল স্টেশন এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ঈদের আনন্দে পর্যটকরা যেন নিরাপত্তাহীনতায় না থাকেন সেজন্য ঈদ ও ঈদ পরবর্তী সময়ে দর্শনীয় স্থানসহ আবাসিক এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং পশুর চামড়া ক্রয়-বিক্রয় ও পরিবহনে নিরাপত্তা দেবে সিএমপি।
অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি-দক্ষিণ ও জনসংযোগ) শাহাদত হুসেন রাসেল বলেন, ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতেই মাঠে রয়েছে পুলিশ। নগরের সবকটি পশুর হাট কেন্দ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ড্রোন ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে।
চস/আজহার


