দেশে নিম্নস্তরের বা কম দামি প্রতি ১০ শলাকা সিগারেটের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৬২ টাকা থেকে বাড়িয়ে সর্বনিম্ন ৬৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে অপরিবর্তিত রয়েছে অন্যান্য স্তরের সিগারেটের মূল্য।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আহসান হাবিব স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ মূল্য নির্ধারণের কথা জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম ৬২ টাকা থেকে আরও ৩ টাকা বাড়ানো হয়েছে। তবে অন্য স্তরের সিগারেটের মূল্য অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
নতুন নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, মধ্যম স্তরের প্রতি ১০ শলাকা সিগারেটের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৯২ টাকা, উচ্চ স্তরের ১৬০ টাকা এবং প্রিমিয়াম স্তরের ২১০ টাকা বা তদূর্ধ্ব বহাল রয়েছে।
এর আগে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সব স্তরের সিগারেটের দাম বাড়ানো হয়েছিল। ওই সময় নিম্নস্তরের প্রতি ১০ শলাকার প্যাকেটের দাম ৬০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬২ টাকা করা হয়।
একই বাজেটে মধ্যম স্তরের সিগারেটের দাম ৮০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯২ টাকা, উচ্চ স্তরের ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা এবং অতি-উচ্চ বা প্রিমিয়াম স্তরের দাম ১৮৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২১০ টাকা বা তদূর্ধ্ব নির্ধারণ করা হয়।
তবে বাজেট ঘোষণার পর নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নেয় সরকার। সম্প্রতি নিম্নস্তরের সিগারেটের মূল্য বাড়ানোর প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পায়। এরই ধারাবাহিকতায় এবার এনবিআর প্রজ্ঞাপন জারি করে এই স্তরের প্রতি ১০ শলাকার সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য কমপক্ষে ৬৫ টাকা নির্ধারণ করলো।
ফলে চলতি অর্থবছরে নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম দ্বিতীয় দফায় বাড়লো। বাজেটে ৬০ টাকা থেকে ৬২ টাকা করার পর এবার আরও ৩ টাকা বাড়িয়ে তা ৬৫ টাকা করা হলো।
সরকারের নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে সিগারেটের চারটি স্তরের মধ্যে শুধু নিম্নস্তরের দামই বাজেট ঘোষণার পর আবার বাড়ানো হলো। অন্য তিন স্তরের ক্ষেত্রে বাজেটে নির্ধারিত মূল্যই বহাল রয়েছে।
চস/স


