মধ্যপ্রদেশের ভোপালে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে রাজ্য সরকারের একজন কেরানির বাড়ি থেকে ৮৫ লাখের বেশি নগদ রুপি উদ্ধার করেছে, পুলিশের অর্থনৈতিক অপরাধ শাখা (ইওডব্লিও)।
বুধবার (৩ আগস্ট) তল্লাশি অভিযান চালানোর সময় ওই কেরানি বিষাক্ত কিছু পান করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার একজন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এ তথ্য জানায় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
উচ্চ বিভাগের কেরানি হিরো কেসওয়ানির বাড়িতে তল্লাশির সময় ইওডব্লিও টিম কোটি কোটি টাকার বেশ কিছু সম্পত্তির দলিলও উদ্ধার করেছে বলে জানান ওই কর্মকর্তা।
তিনি জানান, বুধবার গভীর রাত পর্যন্ত তল্লাশি অভিযান অব্যাহত ছিল এবং বৈরাগড় এলাকায় অবস্থিত ওই বাড়িতে পাওয়া নগদ টাকা গণনা করার জন্য একটি নোট গণনা মেশিন আনা হয়।
পুলিশ সুপার (ইওডব্লিও) রাজেশ মিশ্র বার্তা সংস্থা পিটিআইকে বলেন, পুলিশ বাড়িতে পৌঁছলে রাজ্যের মেডিকেল এডুকেশন ডিপার্টমেন্টের উচ্চ বিভাগের ওই কর্মচারী তখন বাথরুম ক্লিনার (শৌচাগার পরিষ্কারক) পান করেন।
তিনি বলেন, কেসওয়ানি কর্মকর্তাদের বাড়িতে তল্লাশি অভিযানে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন এবং তাদের ধাক্কা দেন।
পুলিশ সুপার বলেন, তাকে দ্রুত সরকারি হামিদিয়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তার অবস্থা স্থিতিশীল এবং রক্তচাপজনিত জটিলতার জন্য তার চিকিৎসা চলছে।
মিশ্র বলেন, সন্ধ্যা পর্যন্ত কেশওয়ানির বাসভবনে স্থাবর সম্পত্তি, কোটি টাকা মূল্যের অন্যান্য সম্পদ সম্পর্কিত নথি এবং ৮৫ লাখেরও বেশি নগদ রুপি পাওয়া গেছে। তিনি চার কোটি রুপির সম্পদের মালিক বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পুলিশ সুপার বলেন, ওই কেরানি প্রতি মাসে প্রায় চার হাজার রুপি বেতনে চাকরি শুরু করেছিলেন। বর্তমানে তিনি প্রতি মাসে প্রায় ৫০ হাজার রুপি আয় করেন।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, কেসওয়ানির পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে লাখ লাখ টাকা জমা রয়েছে। তিনি বেশির ভাগ সম্পত্তি তার স্ত্রীর নামে কিনেছেন। তার স্ত্রী একজন গৃহিণী, যার আয়ের কোনো উৎস নেই।
তল্লাশিতে পাওয়া সম্পদের সামগ্রিক মূল্য নথি যাচাইয়ের পরেই জানা যাবে বলেও জানান মিশ্র।
সূত্র : এনডিটিভি
চস/আজহার


