spot_img

৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, বৃহস্পতিবার
১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

সর্বশেষ

জনসনের বেবি পাউডারের লাইন্সেস বাতিল

ভারতের মহারাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) জনসন অ্যান্ড জনসনের (জেঅ্যান্ডজে) বেবি পাউডার উত্পাদনের লাইসেন্স বাতিল করেছে। শুক্রবার (১৬ সেপ্টেম্বর) জনস্বার্থে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। খবর এনডিটিভি।

রাজ্যের সরকারি সংস্থাটি বলছে, জেঅ্যান্ডজের বেবি পাউডার নবজাতকদের ত্বকে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। এর আগে পরীক্ষাগারে পাউডারের নমুনা পরীক্ষায় দেখা যায়, এর পিএইচ আদর্শ মানের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ ছিল না।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কলকাতা-ভিত্তিক সেন্ট্রাল ড্রাগস ল্যাবরেটরির চূড়ান্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর লাইন্সেস বাতিলের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এফডিএ গুণমান পরীক্ষা করার উদ্দেশ্যে পুনে ও নাসিক থেকে জনসনের বেবি পাউডারের নমুনা সংগ্রহ করেছিল।

ড্রাগস কসমেটিকস অ্যাক্ট ১৯৪০ এর অধীনে জনসনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি বাজার থেকে উল্লিখিত পণ্যটি তুলে নেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তবে কোম্পানিটি এ আদেশ চ্যালেঞ্জ করে আদালতে যাবে বলে জানিয়েছে।

জনসনের শিশু পণ্য নিয়ে বিতর্ক ও মামলার ঘটনা কম নয়। এর কারণে গত আগস্টে বিশ্বব্যাপী ২০২৩ সালের মধ্যে ট্যালক-ভিত্তিক বেবি পাউডার বন্ধ করার কথা বলেছিল তারা। কোম্পানিটি বলেছিল, আগামী দিনে কর্নস্টার্চ-ভিত্তিক বেবি পাউডার তৈরির পথে হাঁটবে তারা।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রে এক মামলার জেরে ২২ জন নারীকে ২০০ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ দেয় জেঅ্যান্ডজে। এ ছাড়া আদালতের বাইরে সমঝোতার খবরও পাওয়া গিয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় বিক্রি বন্ধ করে জনসন অ্যান্ড জনসন। তখন অভিযোগ ওঠে, বেবি পাউডারের মধ্যে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী ক্ষতিকর অ্যাসবেস্টস রয়েছে। এই আবহে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ এ সংস্থার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছিল।

চস/এস

Latest Posts

spot_imgspot_img

Don't Miss