spot_img

৪ঠা কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, মঙ্গলবার
২০শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে প্রস্তুত চট্টগ্রাম: মেয়র ডা. শাহাদাত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামকে একটি পরিচ্ছন্ন, সুন্দর ও নান্দনিক নগরী হিসেবে সাজিয়ে চসিক সম্পূর্ণ প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তবে তিনি স্পষ্ট করেন, এসব উদ্যোগ কেবল প্রধানমন্ত্রীর সফরকেন্দ্রিক নয়, বরং নগরবাসীর দীর্ঘমেয়াদি কল্যাণ ও একটি সবুজ-আধুনিক চট্টগ্রাম গড়ার নিয়মিত ধারাবাহিক প্রক্রিয়ারই অংশ।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে ঐতিহাসিক জে এম সেন হল প্রাঙ্গণের সার্বিক প্রস্তুতি ও সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রম পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে মেয়র এসব কথা বলেন।

মেয়র ডা. শাহাদাত বলেন, চার দিন আগের জেএম সেন হলের যে চিত্র ছিল, চসিকের উদ্যোগে আজ তার আমূল পরিবর্তন ঘটেছে। চট্টগ্রাম যে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনসহ দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ঐতিহাসিক কেন্দ্রবিন্দু—যাত্রা মোহন সেনগুপ্ত, যতীন্দ্র মোহন সেনগুপ্ত, সূর্য সেন ও মহিমচন্দ্র দাসের স্মৃতিবিজড়িত সেই ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতেই ঐতিহ্যবাহী স্থানগুলোর সংস্কার ও উন্নয়ন করা হচ্ছে।

পরিদর্শনকালে তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর যাত্রাপথের অবৈধ ব্যানার-ফেস্টুন অপসারণের পাশাপাশি বিমানবন্দর ও ভিআইপি সড়কসহ বিভিন্ন গুরুত্বপুর্ণ পথে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও নান্দনিক সাজসজ্জার কাজ চলছে। ইতোমধ্যে সাইকেল ট্র্যাক ও বোট ক্লাব সড়কের সৌন্দর্যবর্ধন শেষ হয়েছে এবং বর্ষা পরবর্তী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী নগরীর প্রধান প্রধান সড়কের সংস্কারকাজও দৃশ্যমান। জামালখান এলাকাকে আরও জনবান্ধব ও আকর্ষণীয় করে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও জানান মেয়র।

চট্টগ্রামের মানুষ ও সনাতন ধর্মাবলম্বী সমাজ প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করে নিতে অত্যন্ত উচ্ছ্বসিত উল্লেখ করে ডা. শাহাদাত আশাবাদ ব্যক্ত করেন, সবার যৌথ সহযোগিতায় এই সফর অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হবে। চট্টগ্রামকে পরিচ্ছন্ন, নান্দনিক ও বাসযোগ্য নগরীতে রূপান্তরে সিটি কর্পোরেশনের এ প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

চস/স

সম্প্রীতিই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি: সাঈদ আল নোমান এমপি

চট্টগ্রাম ১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান বলেছেন, বৈচিত্রের মাঝে আমাদের সম্প্রীতি এবং সেই সম্প্রীতিই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। আর সেই সম্প্রীতি রক্ষায় আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামীকাল চট্টগ্রামে আসছেন। গেল ১২ ফেব্রুয়ারি দ্বিধাহীন চিত্তে সনাতন ধর্মালম্বী ভাই-বোনেরা আমাদের জাতীয়তাবাদী দল বিএনপিকে ভোট দিয়েছেন। সেই আস্থার মর্যাদা রাখতে তিনি নিজে উদ্যোগে চট্টগ্রামের পূজায় আসছেন।

১৯ অক্টোবর সোমবার দুপুর ১২ টায় নগরীর পাহাড়তলীর সাগরিকা মোড়ে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষ্যে স্বাগত মিছিল পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় সাঈদ আল নোমান বলেন, আগামীকাল প্রধানমন্ত্রী একটি বিরল ঘটনার সাক্ষী করতে যাচ্ছেন চট্টগ্রামকে। এই চট্টগ্রামে হাজার হাজার সনাতন ধর্মালম্বী ভাই বোনদের বসবাস। ১৯৯৩ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এসেছিলেন জেএম সেন হলে। সেই সময় চট্টগ্রামের নেতা এবং ওই আসনের সাবেক এমপি ও মন্ত্রী প্রয়াত আবদুল্লাহ আল নোমান তাকে আমন্ত্রণ জানিয়ে নিয়ে আসেন। এবার তারই সন্তান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান একই পূজামন্ডপে আসছেন।

তিনি আরও বলেন, মানবতাই আমাদের পরিচয় এবং সম্প্রীতি আমাদের বড় শক্তি। অত:পর বৈচিত্র‌্য, সম্প্রীতি ও মানবতা। তার অপর নাম প্রার্থনা। সেই প্রার্থনাই তারেক রহমানের কাছে রাজনীতি। যদি রাজনীতি ইবাদত না হয়, যদি রাজনীতি প্রার্থনা না হয়, যদি রাজনীতি ইনসাফের জন্য করা না হয়। তাহলে আমাদের শরীরের একটি অঙ্গ কষ্ট পাবে। সেই অঙ্গ হলো সনাতনী ভাই-বোনেরা। সেই অঙ্গ কষ্ট পেলে সারা শরীর কষ্ট পাবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, আমরা সনাতন ধর্মালম্বীদের এই বিশেষ সময়ে শুধু পাহারা দিচ্ছি না। আপনাদের সহযোগিতা করছি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পুরো বিএনপি ও আমি সংসদ সদস্য হিসেবে আপনাদের পাশে আছি। আপনারা ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট দিয়েছেন। পরের দায়িত্ব আমাদের। তিনবেলা খাবার, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। সেইসাথে মাদক ও কিশোরগ্যাংমুক্ত সমাজ আপনার-আমার চাওয়া। সেই সমাজ প্রতিষ্টাই আমাদের দায়িত্ব।

তিনি বলেন, সাড়ে ১৭ বছর জালিম সরকার শুধু বুলি উড়িয়েছে। তারা সনাতন ধর্মালম্বীদের জন্য করেছে এমন কোন কাজ দেখাতে পারবে না। সেই জালিম সরকার উৎখাত হয়েছে। আমরা তারেক রহমানকে দায়িত্ব দিয়েছি। তিনি এবার আপনাদের সাম্য, ন্যায় ও বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা করবেন।

সমাবেশে তিনি সাগরিকা মোড় থেকে সনাতন ধর্মালম্বীদের নিয়ে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের করেন। র‌্যালীটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে সাগরিকা স্কয়ারে শেষ হয়। এসময় তিনি ঢাক কাঁধে নিয়ে ঢাক বাজিয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করেন। পরবর্তীতে পূজা উপলক্ষ্যে দু:স্থদের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ করেন তিনি।

নগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক কাজী বেলালের সভাপতিত্বে ও পাহাড়তলী থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন জিয়ার সঞ্চালনায় আরও উপস্থিত ছিলেন নগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক শফিকুর রহমান স্বপন, সাবেক যুগ্ম আহবায়ক এস কে খোদা তোতন, সদস্য আবুল হাশেম, মোশাররফ হোসেন ডিপ্টি,
হালিশহর থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম,তোফাজ্জল হোসেন, গোলাম মনসুর, খাজা আলাউদ্দিন, আশরাফ খান, আলী হায়দার, মজিবুল হক মজু, এস এম আজাদ, দাদন দড়ি সুরুজ, শহীদ মোহাম্মদ চৌধুরী,দিদারুল আলম সুমন,আরিফ মেহেদী,হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি রাজীব ধর তমাল, পাহাড়তলী থানা পূজা কমিটির সভাপতি মিঠুন সরকার, হালিশহর সভাপতি লিটন দেবনাথ লিখন, খুলশী সভাপতি দেবাশীষ মজুমদার, পাঁচলাইশ সভাপতি শুভাশীষ চৌধুরী, ডাবল মুরিং সাধারণ সম্পাদক জিন্টু শীল,সবুজ সংঘের সভাপতি মিল্টন চন্ত্র দাশ,বিকাশ শর্মা সহ সিনিয়র নেতৃবৃন্দ।

চস/স

রাষ্ট্র ব্যবস্থা নিতে পারছে না বলে অস্ত্র হাতে ইশরাককে নামতে হয়েছে: আখতার হোসেন

০

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিতে রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারছে না বলেই বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনকে অস্ত্র হাতে মাঠে নামতে হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে ঢাকেশ্বরী মন্দিরে শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

আখতার হোসেন বলেন, দেশে বর্তমানে মাদক, চাঁদাবাজি, গুম, খুন ও ধর্ষণের মতো ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সীমান্ত দিয়ে অবৈধ মাদক প্রবেশ করলেও তা প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। ইশরাক কাণ্ডের মধ্য দিয়েই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং মাদক নির্মূলের সঙ্গে যুক্ত সংস্থাগুলোর চরম ব্যর্থতা ও অকার্যকারিতা আবারও সামনে এসেছে।

ইশরাকের পদত্যাগের বিষয়ে প্রশ্ন তুলে এনসিপি সদস্য সচিব বলেন, এটি কি কেবল অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনা, নাকি এর পেছনে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল রয়েছে—সে প্রশ্নও দেখা দিয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, কেবল ইশরাকের পদত্যাগ কোনো সমাধান নয় এবং এতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হবে না। এটি স্রেফ একটি ‘আইওয়াশ’।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান ও টেকসই উত্তরণের জন্য তিনি সীমান্তে কড়া নজরদারি প্রতিষ্ঠা এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান। সেই সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যর্থতা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান আখতার হোসেন।

চস/স

হাছান-নওফেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ পুনর্বিবেচনার আবেদন খারিজ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে চট্টগ্রামে ওয়াসিম আকরামসহ ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল ও সাবেক সংসদ সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরীসহ ২২ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ পুনর্বিবেচনা চেয়ে করা আবেদন খারিজ করেছে ট্রাইব্যুনাল।

বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন ৩ সদস্যের বিচারিক ট্রাইব্যুনাল সোমবার (১৯ অক্টোবর) এ আদেশ দেন।

এর আগে ৩০ জুন ২২ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করছেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম। তার সঙ্গে রয়েছেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ, প্রসিকিউটর জহিরুল আমিনসহ অন্যরা। ওই আদেশ পুনর্বিবেচনার আবেদন করেন আসামিপক্ষ।

মামলাটিতে বর্তমানে পাঁচ আসামি গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। তারা হলেন— চট্টগ্রাম-৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী, যুবলীগ নেতা আজিজুর রহমান, তৌহিদুল ইসলাম, মো. ফিরোজ ও দেবাশীষ পাল দেবু।

অন্য আসামিরা পলাতক। তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, রেজাউল করিম, মহিউদ্দিন বাচ্চু, হেলাল আকবর, নুরুল আজিম রনি, শৈবাল দাশ সুমন, আবু ছালেক, এসবারুল হক, এইচ এম মিঠু, নূর মোস্তফা টিনু, জমির উদ্দিন, ইমরান হাসান মাহমুদ, জাকারিয়া দস্তগীর, মহিউদ্দিন ফরহাদ ও সুমন দে।

এর আগে ৭ এপ্রিল আসামিদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল। তার আগে ৫ এপ্রিল ২২ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন। রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ অনুযায়ী, মামলায় মোট তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে।

চস/স

জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

০

রাজধানীর ঐতিহাসিক ওসমানী উদ্যানে নবনির্মিত ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে আধুনিকায়ন শেষে দীর্ঘদিন পর নগরবাসীর জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে উদ্যানটি।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী আধুনিকায়ন করা ওসমানী উদ্যান এবং এর প্রাঙ্গণে নির্মিত জুলাই স্মৃতিস্তম্ভের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে উদ্যানটির আধুনিকায়ন করা হয়েছে। দীর্ঘদিন সংস্কারকাজের জন্য বন্ধ থাকার পর এটি আবারও নগরবাসীর ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করা হলো।

চস/স

প্রেসক্লাবে দুপুর ২টায় পদত্যাগের চূড়ান্ত ঘোষণা দেবেন ইশরাক

০

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে আজ সোমবার (১৯ অক্টোবর) পদত্যাগের চূড়ান্ত ঘোষণা দেবেন বলে জানিয়েছেন ইশরাক হোসেন। দুপুর ২টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এ ঘোষণা দেবেন তিনি।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা জানান ইশরাক।

পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আজ দুপুর ২টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগের চূড়ান্ত ঘোষণা দেব এবং সাংবাদিকদের মুখোমুখি হব, ইনশাআল্লাহ।’

পদত্যাগের ঘোষণা ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু মানুষের উচ্ছ্বাস প্রকাশের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে আন্দোলন-সংগ্রামের প্রয়োজন হলে তাদের জাতীয়তাবাদী আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বিদেশ থেকে দেশে এসে তাতে যোগ দেওয়ার আশা করেন তিনি।

ইশরাক আরও বলেন, সংসদ সদস্য বা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নয়, বিএনপির একজন কর্মী হিসেবে মাদকের বিরুদ্ধে আরও বেশি উদ্দীপনা নিয়ে কাজ করবেন। পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি জোরদার করার পাশাপাশি দেশব্যাপী প্রজন্ম দলের সাংগঠনিক শক্তি বাড়াতে বিভিন্ন জেলা সফর করার কথাও জানান তিনি।

পোস্টের শেষে তিনি লেখেন, ‘মন্ত্রী নয়, মাদক নির্মূল! মাদক নির্মূল, মাদক নির্মূল!’

চস/স

সাজেক থেকে ফেরার পথে জিপ উল্টে ৭ পর্যটক আহত

রাঙামাটির জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র সাজেক থেকে ফেরার পথে এক সড়ক দুর্ঘটনায় সাত পর্যটক আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

আজ রবিবার (১৮ অক্টোবর) সকালে বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক রোডের ‘হাউসপাড়া’ এলাকায় পর্যটকবাহী একটি জিপ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গেলে এই দুর্ঘটনা ঘটে। আহত সকলেই মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার বাসিন্দা।

সাজেক থানার ওসি তোফাজ্জল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দুর্ঘটনায় আহতরা হলেন— আজাহার মিয়া, শাহানারা আক্তার, আরিফুর রহমান, মো. সোহরাব, নাসরিন, মো. শাহজাহান এবং ১৩ বছরের কিশোরী আশা।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আহতদের মধ্যে আজাহার মিয়া ও শাহানারা আক্তারের অবস্থা অত্যন্ত গুরুতর। অন্যদিকে নাসরিনের মাথায় আঘাত লেগেছে, শাহজাহানের হাত কেটে গেছে এবং কিশোরী আশার ডান হাত ভেঙে গেছে।

দুর্ঘটনার পরপরই দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনাবাহিনীর সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করেন এবং চিকিৎসার জন্য খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছেন।

চস/স

ইনানীতে ‘টুপটুপ’ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১০

০

কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানী সৈকতসংলগ্ন পাটুয়ারটেক এলাকার ‘টুপটুপ রিসোর্ট’-এ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১০ জনে দাঁড়িয়েছে। শনিবার সকালে ঘটা এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় আরও অন্তত সাতজন দগ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন।

ফায়ার সার্ভিস জানায়, সকাল ৭টা ২৫ মিনিটে আগুন লাগার খবর পেয়ে উখিয়া স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে ৫০ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বেলা ১১টার দিকে পুরোপুরি নেভায়। রিসোর্টটির ভেতরে তল্লাশি চালিয়ে প্রথমে ছয়টি এবং পরবর্তীতে আরও চারটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আহতদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সুলতানুল আফরীন জুনাইদ জানিয়েছেন, অনুমোদনহীন ও অগ্নিনিরাপত্তা লাইসেন্সবিহীন এই রিসোর্টটিকে গত জুন মাসেই সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অবৈধভাবে এটি পরিচালিত হচ্ছিল।

ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। বর্তমানে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় প্রশাসন যৌথভাবে উদ্ধারকাজ ও ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। হতাহতদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

চস/স

প্রাণ বাঁচাতে দরজা-জানালা ভেঙে বের হন টুপটুপ রিসোর্টের পর্যটকরা

০

কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানী এলাকার পাটুয়ারটেক সৈকতে কাঠের তৈরি ‘টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁয়’ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার সকালে ঘটা এই দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ছয়জন পর্যটকের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা গেছে। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ছয়জন।

স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, সমুদ্রের পাশে নিরিবিলি পরিবেশে সময় কাটাতে রিসোর্টটিতে ১৭ থেকে ২০ জন পর্যটক অবস্থান করছিলেন। কেউ ঘুমিয়ে ছিলেন, কেউবা সকালে সমুদ্রে গোসল করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। হঠাৎ রিসোর্টটিতে আগুন লাগলে মুহূর্তেই চারদিকে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। প্রাণ বাঁচাতে অনেকে দরজা-জানালা ভেঙে, আবার কেউ দোতলা থেকে লাফিয়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার ও নির্বাপণ কাজ শুরু করে। দীর্ঘ চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এ পর্যন্ত আটজনকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও আগুনে কাঠের তৈরি পুরো রিসোর্টটি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আহতদের উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট বা এসি থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে ধারণা করা হলেও ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, সুনির্দিষ্ট কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে। মর্মান্তিক এই ঘটনার পর থেকেই রিসোর্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্বশীল কাউকে পাওয়া যায়নি। ধ্বংসস্তূপের নিচে আর কেউ আটকে আছেন কি না, তা নিশ্চিত করতে বর্তমানে যৌথ উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

চস/স

হাসপাতালে চিকিৎসকের কক্ষে ধূমপান, বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

০

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে আকস্মিক পরিদর্শনকালে এক চিকিৎসককে নিজ কক্ষে ধূমপান করতে দেখে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। ওই চিকিৎসকের কক্ষও অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় দেখতে পান তিনি। এই ঘটনায় ওই চিকিৎসককে তাৎক্ষণিক বরখাস্তের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে শিশু হাসপাতাল পরিদর্শনে যান প্রধানমন্ত্রী। এ সময় হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখার পাশাপাশি চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের কর্মপরিবেশ এবং হাসপাতালের সার্বিক পরিচ্ছন্নতা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন তিনি।

পরিদর্শনের একপর্যায়ে হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের কক্ষে গিয়ে তাকে ধূমপান করতে দেখেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় ওই চিকিৎসকের কক্ষও অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় ছিল। হাসপাতালের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসকের এমন আচরণ ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।

এ ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতালের পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এ কে এম আজিজুল হককে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পর চিকিৎসক রফিকুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

এ সময় হাসপাতালে স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ বজায় রাখা, পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা এবং চিকিৎসকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী।

চস/স