হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন সামরিক জাহাজ চলাচলের বিষয়ে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) দাবি জোরালোভাবে নাকচ করে দিয়েছেন খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের মুখপাত্র।
রোববার (১২ এপ্রিল) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইব্রাহিম যুলফাকারি বলেন, ‘এই কৌশলগত জলপথে যেকোনো জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেয়ার ক্ষমতা ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর হাতে রয়েছে।’
পাশাপাশি, ইরানের ইসলামী বিপ্লবী রক্ষীবাহিনী (আইআরজিসি) নৌবাহিনী ঘোষণা করেছে যে, সামরিক জাহাজগুলোর হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করার যেকোনো প্রচেষ্টার, কঠোর প্রতিরোধের সম্মুখীন হতে হবে।
আরও পড়ুন: যেসব কারণে ভেস্তে গেলো ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি চুক্তি
বাহিনীটি এক বিবৃতিতে বলে, আইআরজিসি-র পূর্ণ কর্তৃত্ব রয়েছে এবং তারা বুদ্ধিমত্তার সাথে হরমুজ প্রণালি পরিচালনা করে, এবং শুধুমাত্র বেসামরিক জাহাজগুলোকে বিশেষ নিয়মাবলীর অধীনে যাতায়াতের অনুমতি দেয়া হবে।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, প্রণালিটি দিয়ে মার্কিন জাহাজ চলাচলের যেকোনো খবর অস্বীকার করা হয়েছে, এবং সামরিক জাহাজের যাতায়াতের যেকোনো প্রচেষ্টাকে চূড়ান্ত দৃঢ়তা ও কঠোর জবাব দেয়া হবে।
শনিবার (১১ এপ্রিল) সেন্টকম দাবি করে, দুটি ডেস্ট্রয়ার, ইউএসএস ফ্র্যাঙ্ক ই পিটারসন এবং ইউএসএস মাইকেল মারফি, হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে এবং প্রণালীটিকে সমুদ্র মাইনমুক্ত রাখার বৃহত্তর অভিযানের অংশ হিসেবে পারস্য উপসাগরে কার্যক্রম পরিচালনা করেছে।
এদিকে, মার্কিন অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার এক বিবৃতিতে দাবি করেন, ‘আজ আমরা একটি নতুন পথ তৈরির প্রক্রিয়া শুরু করেছি, এবং বাণিজ্যের অবাধ প্রবাহকে উৎসাহিত করতে আমরা দ্রুত এই নিরাপদ পথটি সামুদ্রিক শিল্পের সাথে ভাগ করে নেব।’
২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন-ইসরাইলের যৌথ হামলার পর হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল সীমিত করা হয়।
চস/স


