spot_img

১১ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, শুক্রবার
২৪শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

সর্বশেষ

অর্থ আত্মসাত: অভিযোগ ড. ইউনূসের বিরু‌দ্ধে দুদকের মামলা

গ্রামীণ টেলিকম থেকে শ্রমিক-কর্মচারীদের অর্থ আত্মসাতের অ‌ভি‌যো‌গে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নী‌তি দমন ক‌মিশন (দুদক)। মামলায় ২৫ কো‌টি টাকা আত্মসাৎ ও পাচা‌রের অ‌ভি‌যোগ আনা হ‌য়ে‌ছে।

আজ মঙ্গলবার দুদকের উপপ‌রিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান মামলা‌টি ক‌রেন। দুদ‌কের সম‌ন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১-এ দা‌য়ের করা ওই মামলার বিষয়‌টি নি‌শ্চিত ক‌রেন সংস্থা‌টির ভারপ্রাপ্ত স‌চিব ও মহাপ‌রিচালক (প্রশাসন) রেজওয়ানুর রহমান।

এর আগে গত বছ‌রের ১ আগস্ট শ্রমিক-কর্মচারীদের কল্যাণ তহবিলে বরাদ্দ করা সুদসহ ৪৫ কোটি ৫২ লাখ ১৩ হাজার ৬৪৩ টাকা বিতরণ না করে আত্মসাতসহ বেশ‌ কিছু অ‌ভি‌যোগ অনুসন্ধা‌নে না‌মে দুদক।

অভিযোগগুলো হলো— অনিয়মের মাধ্যমে শ্রমিক-কর্মচারীদের মধ্যে বণ্টনের জন্য সংরক্ষিত লভ্যাংশের ৫ শতাংশ অর্থ লোপাট। শ্রমিক-কর্মচারীদের পাওনা পরিশোধকালে অবৈধভাবে অ্যাডভোকেট ফি ও অন্যান্য ফির নামে ৬ শতাংশ অর্থ কর্তন। শ্রমিক-কর্মচারীদের কল্যাণ তহবিলে বরাদ্দ করা সুদসহ ৪৫ কোটি ৫২ লাখ ১৩ হাজার ৬৪৩ টাকা বিতরণ না করে আত্মসাৎ। কোম্পানি থেকে ২ হাজার ৯৭৭ কোটি টাকা মানিলন্ডারিংয়ের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে স্থানান্তরের মাধ্যমে আত্মসাৎ।

প্রসঙ্গত, নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ টেলিকমে শ্রমিক ছাঁটাইকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন শ্রমিক অসন্তোষ চলছে। শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়ন (বি-২১৯৪) সিবিএর সঙ্গে আলোচনা না করেই এক নোটিশে ৯৯ কর্মীকে ছাঁটাই করে গ্রামীণ টেলিকম কর্তৃপক্ষ।

গ্রামীণ টেলিকমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আশরাফুল হাসান স্বাক্ষরিত এক নোটিশের মাধ্যমে এ ছাঁটাই করা হয়েছে। এরপর সেই নোটিশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করেন ২৮ জন কর্মী। এই ছাঁটাইকে কেন্দ্র করে ড. ইউনূসকে তলবও করেছিলেন হাইকোর্ট।

এছাড়া ২০২১ সা‌লের ১২ সেপ্টেম্বর শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলাও করেছিল ঢাকার কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তর।

যেখানে অভিযোগ করা হয়, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা ড. ইউনূসের গ্রামীণ টেলিকম পরিদর্শনে যান। সেখানে গিয়ে তারা শ্রম আইনের কিছু লঙ্ঘন দেখতে পান। এর মধ্যে ১০১ জন শ্রমিক-কর্মচারীকে স্থায়ী করার কথা থাকলেও তাদের স্থায়ী করা হয়নি। শ্রমিকদের অংশগ্রহণের তহবিল ও কল্যাণ তহবিল গঠন করা হয়নি। এছাড়া কোম্পানির লভ্যাংশের ৫ শতাংশ শ্রমিকদের দেওয়ার কথা থাকলেও তা তাদের দেওয়া হয়নি।

চস/স

Latest Posts

spot_imgspot_img

Don't Miss