spot_img

২৫শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, শনিবার
১০ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

সর্বশেষ

বঙ্গবন্ধু টানেলের দুই প্রান্তে নতুন দুই থানা

কর্ণফুলী নদীর তলদেশে ১০ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল। যা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সঙ্গে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের সংযোগ সৃষ্টি করবে।

টানেল চালু হলে চট্টগ্রাম বন্দর, বে-টার্মিনাল ও মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দরকে ঘিরে যে বিশাল আকারের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড চালু হবে তা নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজন পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা। সে লক্ষ্যে পুলিশের পক্ষ থেকে টানেলের দুই প্রান্তে দুটি থানা ও একটি পুলিশ লাইন নির্মাণের প্রস্তাবনা দেয়া হয়েছিলো।

অবশেষে পদ্মা সেতুর মতো টানেলের দুই প্রান্তে পূর্ব ও পশ্চিম দুটি থানার অনুমোদন দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রামের পুলিশ কমিশনার সালেহ মোহাম্মদ তানভীর।

টানেলের নির্মাণকাজ অনেকটাই শেষের পথে। চলতি বছরের শেষ নাগাদ খুলতে পারে টানেলের দুয়ার। ইতোমধ্যে দৃশ্যমান কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে টানেলের ভেতরের সড়ক। বর্তমানে টানেলের ভেতর তৈরি করা হচ্ছে পিচঢালা পথ। দুই টিউবের মধ্যে লেন স্ল্যাব লাগানোসহ অভ্যন্তরীণ স্ট্র্যাকচারের কাজ চলছে। সেই সাথে টিউব দুটির মাধ্যমে আন্তঃসংযোগ ও সড়ক নির্মাণের কাজও অনেকটা শেষ পর্যায়ে। টানেলের আর ১৩ শতাংশ কাজ বাকি রয়েছে জানান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের প্রকল্প পরিচালক মো. হারুনুর রশিদ।

উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল তিন দশমিক ৩২ কিলোমিটার দীর্ঘ। এর মধ্যে টানেলের প্রতিটি সুড়ঙ্গের দৈর্ঘ্য দুই দশমিক ৪৫ কিলোমিটার।

চস/স

Latest Posts

spot_imgspot_img

Don't Miss