spot_img

১৬ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, সোমবার
৩০শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

সর্বশেষ

বাবুল আক্তারকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন

পিবিআই প্রধান বনজ কুমারের মিতু হত্যা মামলায় মিথ্যা ও অসত্য তথ্য সরবরাহ এবং প্রচারের অভিযোগে  করা মামলায় বাবুল আক্তারকে সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১০ নভেম্বর) সাবেক এসপি বাবুলকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর পর তার রিমান্ড শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ধানমন্ডি থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) শরীফ। তিনি বলেন, বুধবার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ধানমন্ডি থানার পরিদর্শক (অপারেশন) রবিউল ইসলাম বাবুল আক্তারকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদনসহ সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেছেন।

এর আগে ২৭ সেপ্টেম্বর ধানমন্ডি থানায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) প্রধান বনজ কুমার মজুমদার বাদী হয়ে বাবুল আক্তার, সাংবাদিক ইলিয়াস হোসাইন, বাবুল আক্তারের বাবা আব্দুল ওয়াদুদ মিয়া এবং ভাই হাবিবুর রহমান লাবুর বিরুদ্ধে মামলাগুলো করেন। মামলায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়, তার (বনজ কুমার) নেতৃত্বাধীন তদন্ত সংস্থা পিবিআই দেশের চাঞ্চল্যকর মিতু হত্যা মামলা তদন্তাধীন থাকার সময়ে সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার প্রধান আসামি হিসেবে তদন্তে প্রকাশ পায়। এরপর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। হাজতে থাকা বাবুল আক্তার ও বিদেশে অবস্থানরত সাংবাদিক ইলিয়াসসহ বাকি আসামিরা মামলার তদন্ত ভিন্ন খাতে প্রবাহিত ও পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার জন্য ষড়যন্ত্রের আশ্রয় নেন। এরই ধারাবাহিকতায় বাবুল আক্তার ও অন্যান্য আসামির প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্ররোচনায় কথিত সাংবাদিক ইলিয়াস হোসাইন গত ৩ সেপ্টেম্বর তার ফেসবুক আইডির মাধ্যমে ‘স্ত্রী খুন, স্বামী জেলে, খুনি পেয়েছে তদন্তের দায়িত্ব’ শিরোনামে একটি ডকুমেন্টারি ভিডিও ক্লিপ আপলোড করেন। যা সম্পর্কে ৪ সেপ্টেম্বরে আমি অবগত হই।

এতে আরও বলা হয়, ভিডিওটি পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, ইলিয়াস হোসাইন প্রচারিত বক্তব্যে দেশের ভাবমূর্তি এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার উসকানি দিয়েছেন। এছাড়া ভিডিওতে পুলিশ এবং পিবিআই; বিশেষ করে আমার মান-সম্মান ও সুনাম ক্ষুণ্ণ করার জন্য মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হয়েছে। যার জন্য দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে এর নেতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি করে। একইসঙ্গে রাষ্ট্রের হিন্দু মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে শত্রুতা, ঘৃণা, বিদ্বেষ, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট ও অস্থিরতা এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিরও অপপ্রয়াস করেছে।

ওই এজাহারে ভিডিও ডকুমেন্টারির বিভিন্ন তথ্য ও বক্তব্যকে মিথ্যা দাবি করে বিভিন্ন প্রমাণ ও তথ্য উপস্থাপন করেন বনজ কুমার।

চস/স

Latest Posts

spot_imgspot_img

Don't Miss